📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩:১৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পাকিস্তানের রাজনীতিতে অদ্ভুত জোট: ইমরান খান ও মাওলানা ফজলুর রহমানের অপ্রত্যাশিত একতা

পাকিস্তানের রাজনীতিতে অদ্ভুত জোট: ইমরান খান ও মাওলানা ফজলুর রহমানের অপ্রত্যাশিত একতা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইমরান খান ও মাওলানা ফজলুর রহমানের মধ্যে অপ্রত্যাশিত জোট গড়ে উঠেছে। হামিদ মিরের কলামে বলা হয়েছে, শাহবাজ শরিফ সরকারের ভুল পদক্ষেপের কারণে এই দুজন প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ একসাথে কাজ করছেন। ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে মাওলানা ফজলুর রহমান সোচ্চার হয়ে উঠেছেন, যিনি কয়েক বছর আগে ইমরান খানকে 'জায়নবাদী এজেন্ট' আখ্যা দিয়েছিলেন

পাকিস্তানের রাজনীতিতে একটি অপ্রত্যাশিত জোট গড়ে উঠেছে। ইমরান খান ও মাওলানা ফজলুর রহমানের মধ্যে অবিশ্বাসের দেয়াল ছিল অনেক দিন ধরে। কিন্তু শাহবাজ শরিফ সরকারের ভুল পদক্ষেপের কারণে এই দুই প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ একসাথে কাজ করছেন। হামিদ মিরের কলামে বর্ণিত হয়েছে, কীভাবে মাওলানা ফজলুর রহমান ইমরান খানের শেষ ভরসা হয়ে উঠেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইমরান খান ও মাওলানা ফজলুর রহমানের মধ্যে অপ্রত্যাশিত জোট গড়ে উঠেছে, যিনি তিন বছর ধরে কারাবন্দী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে সোচ্চার হয়ে উঠেছেন
  • 📌 মাওলানা ফজলুর রহমান ইমরান খানকে 'জায়নবাদী এজেন্ট' আখ্যা দিয়েছিলেন, কিন্তু বর্তমানে তিনি ইমরান খানের একমাত্র সমর্থক হিসেবে আবির্ভূত হন
  • 📌 ইমরান খানের জনপ্রিয়তা রাজপথে নামাতে পারেন মাওলানা ফজলুর রহমান, যিনি খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের দ্বিতীয় জনপ্রিয় নেতা
  • 📌 ১৯৮৮ সালে জিয়াউল হকের সরকারের সময় ইমরান খানকে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার ঘটনা স্মরণ করা হয়েছে
  • 📌 হামিদ মিরের কলামে ইমরান খান ও মাওলানা ফজলুর রহমানের মধ্যে গভীর সম্পর্কের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে

📰 বিস্তারিত

হামিদ মিরের কলামে বলা হয়েছে, ইমরান খান ও মাওলানা ফজলুর রহমানের মধ্যে অবিশ্বাসের দেয়াল ছিল অনেক গভীর। কিন্তু শাহবাজ শরিফ সরকারের ভুল পদক্ষেপের কারণে এই দুই প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ একসাথে কাজ করছেন। ইমরান খানের জনপ্রিয়তা এখনো গণ-আন্দোলনে রূপ নিতে পারেনি। এর পেছনে তাঁর নিজের দলের ভেতরে থাকা কিছু অন্তর্ঘাতকের ভূমিকা রয়েছে। তিনি জানেন, বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে মানুষকে রাজপথে নামাতে পারেন একমাত্র মাওলানা ফজলুর রহমান।

মাওলানা ফজলুর রহমান ইমরান খানের শেষ ভরসা হয়ে উঠেছেন। ইমরান খানকে 'জায়নবাদী এজেন্ট' আখ্যা দিয়েছিলেন মাওলানা ফজলুর রহমান। অন্যদিকে, রাজনৈতিক সমাবেশে ইমরান খান তাঁকে 'মাওলানা ডিজেল' বলে বিদ্রূপ করতেন। কারণ, ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৬ সালের মধ্যে বেনজির ভুট্টোর সরকারের আমলে মাওলানা ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ডিজেল বা জ্বালানি তেলের পারমিট নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল।

১৯৮৮ সাল থেকে হামিদ মির ইমরান খান ও মাওলানা ফজলুর রহমানকে চেনেন। সেই বছর পাকিস্তানের সামরিক শাসক জেনারেল জিয়াউল হক দুর্নীতির অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ খান জুনেজোকে বরখাস্ত করেন। জুনেজো পাকিস্তান মুসলিম লিগের নেতা ছিলেন। জিয়াউল হক নিজেই তাঁকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দিয়েছিলেন। কিন্তু পাঞ্জাবের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ নিজের দলের প্রধানমন্ত্রীকে সমর্থন না করে জিয়াউল হকের পক্ষ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

জুনেজোকে সরিয়ে দেওয়ার পর জিয়াউল হক নতুন সরকারে ইমরান খানকে অন্তর্ভুক্ত করতে চাইলেন। ইমরান ১৯৮৭ সালে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছিলেন। কিন্তু জিয়াউল হকের অনুরোধে তিনি আবার ক্রিকেটে ফিরে আসেন। জেনারেলের ধারণা ছিল, ইমরান খানকে পাশে পেলে ক্ষতিগ্রস্ত নিজের ভাবমূর্তি কিছুটা পুনরুদ্ধার করতে পারবেন।

"আমি কখনো কল্পনাও করিনি, মাওলানা ফজলুর রহমান ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে সোচ্চার ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগ দেবেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পাকিস্তান (লাহোর, খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশ)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইমরান খান, মাওলানা ফজলুর রহমান, হামিদ মির, জেনারেল জিয়াউল হক, মুহাম্মদ খান জুনেজো
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৮৮ (বছর), ১৯৯৩-১৯৯৬ (বছর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖