📌 পাকিস্তান বাংলাদেশের সাথে চিকিৎসা পর্যটনে সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড টুরিজম ফেয়ার ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার এই আগ্রহের কথা জানান। তিনি বলেন, চিকিৎসা পর্যটন একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে উঠে আসতে পারে।
পাকিস্তান বাংলাদেশের সাথে চিকিৎসা পর্যটনে সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছে। দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই দেশের মধ্যে পর্যটন খাতের সম্ভাবনাকে আরও গভীরে নিয়ে যেতে চিকিৎসা পর্যটনকে কেন্দ্র করে নতুন দিকনির্দেশনা প্রদান করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকায় বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড টুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ) ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার এই কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পাকিস্তান বাংলাদেশের সাথে চিকিৎসা পর্যটনে সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছে এবং এই উদ্দেশ্যে দুটি চিকিৎসা সংস্থা এই বছর বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড টুরিজম ফেয়ারে অংশ নিচ্ছে
- 📌 হাইকমিশনার ইমরান হায়দার বলেন, ‘প্রচলিত পর্যটনের বাইরে চিকিৎসা পর্যটনের মতো ক্ষেত্রে আমরা ব্যাপক সম্ভাবনা দেখছি’
- 📌 পাকিস্তান হাইকমিশনার আশা করেন, এই প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ব্যবসায়িক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা, সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের মধ্যে মতবিনিময় এবং ভবিষ্যতে চিকিৎসা পর্যটনে সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হবে
- 📌 বাংলাদেশসহ ১৬টি দেশের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই মেলায় ২০০ টির বেশি বুথ, ২২০ জন প্রদর্শক এবং প্রায় ২ হাজার ৫০০ বাণিজ্যিক দর্শনার্থী অংশ নিচ্ছেন
- 📌 মেলার উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নুরুন নাহার চৌধুরী
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড টুরিজম ফেয়ার ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার বলেন, চিকিৎসা পর্যটন একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে উঠে আসতে পারে। তিনি বলেন, ‘প্রচলিত পর্যটনের বাইরে চিকিৎসা পর্যটনের মতো ক্ষেত্রেও রয়েছে ব্যাপক সম্ভাবনা’। পাকিস্তানের হাইকমিশনার আশা প্রকাশ করেন, এই প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ব্যবসায়িক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা, সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের মধ্যে মতবিনিময় এবং ভবিষ্যতে চিকিৎসা পর্যটনে সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হবে।
হায়দার বলেন, প্রচলিত অবকাশযাপনকেন্দ্রিক ভ্রমণের বাইরেও বিশেষায়িত পর্যটনসেবার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে পর্যটন বিনিময় সম্প্রসারণের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের নেতৃত্বই জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে এবং এ ক্ষেত্রে পর্যটন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
পাকিস্তানের হাইকমিশনার বলেন, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং একে অপরের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সম্পর্কে জানার সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে পর্যটন বাংলাদেশের ও পাকিস্তানের জনগণকে আরও কাছাকাছি আনতে পারে। তিনি বলেন, তুলনামূলক সাশ্রয়ী ব্যয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বিভিন্ন পর্যটন আকর্ষণ উপভোগ করা সম্ভব। ফলে দুই দেশের মধ্যে পর্যটন বিনিময়ের সম্ভাবনা বিশেষভাবে আশাব্যঞ্জক।
"দুই দেশের নেতৃত্বই জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। এ ক্ষেত্রে পর্যটন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।"
হায়দার বলেন, ‘আমার মনে হয়, কূটনীতির এ দিকটিতে আমাদের মনোযোগ দেওয়া এবং এ ক্ষেত্রে সম্পর্ক আরও জোরদারের চেষ্টা করা প্রয়োজন’। তিনি ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং পাকিস্তানি অংশগ্রহণকারীদের প্রশংসা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ প্রদর্শনী পর্যটনের সুযোগ সম্প্রসারণ, ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক জোরদার এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার পরিধি বাড়াতে সহায়তা করবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইমরান হায়দার (পাকিস্তানের হাইকমিশনার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে মেলা, ১৬টি দেশের অংশগ্রহণ, ২০০ টির বেশি বুথ, ২২০ জন প্রদর্শক, ২ হাজার ৫০০ বাণিজ্যিক দর্শনার্থী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!