📌 পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় কোহাত শহরের পুলিশ সদর দপ্তরে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ও সশস্ত্র হামলায় ৩১ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ১৬ জন পুলিশ সদস্য। শতাধিক মানুষ আহত হয়েছে, যার মধ্যে বেশিরভাগ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী। হামলার দায় স্বীকার করেছে তালেবান সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠী ‘ইত্তেহাদ-উল-মুজাহিদিন পাকিস্তান’
পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় শহর কোহাতে পুলিশ সদর দপ্তরে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ও সশস্ত্র হামলায় শুক্রবার বিকেলে ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। এই হামলায় অন্তত ৩১ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ১৬ জন পুলিশ সদস্য। শতাধিক মানুষ আহত হয়েছে, যার অধিকাংশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য। হামলাকারীরা জেলা পুলিশের সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত ‘ওল্ড পুলিশ লাইনস’ কমপ্লেক্সে আক্রমণ চালায়, যেখানে কাউন্টার টেররিজম ডিপার্টমেন্ট ও স্পেশাল ব্রাঞ্চসহ পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটের কার্যালয় অবস্থিত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পাকিস্তানের কোহাত শহরের পুলিশ সদর দপ্তরে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ও সশস্ত্র হামলায় ৩১ জন নিহত, ১৬ জন পুলিশ সদস্যসহ শতাধিক আহত
- 📌 হামলাকারীরা ‘ওল্ড পুলিশ লাইনস’ কমপ্লেক্সে প্রবেশ করে স্পেশাল ব্রাঞ্চ অংশে অবস্থান নেয়, পরে নিরাপত্তা বাহিনী অভিযান শুরু করে
- 📌 আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা
- 📌 স্থানীয় সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘ইত্তেহাদ-উল-মুজাহিদিন পাকিস্তান’ হামলার দায় স্বীকার করেছে, যা তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) সংশ্লিষ্ট
- 📌 প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন এবং ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন চান
- 📌 প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন
📰 বিস্তারিত
পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় শহর কোহাতে শুক্রবার বিকেলে পুলিশ সদর দপ্তরে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ও সশস্ত্র হামলায় ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। হামলাকারীরা ‘ওল্ড পুলিশ লাইনস’ কমপ্লেক্সে প্রবেশ করে গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনায় আক্রমণ চালায়। এই কমপ্লেক্সে জেলা পুলিশের সদর দপ্তর ছাড়াও কাউন্টার টেররিজম ডিপার্টমেন্ট, স্পেশাল ব্রাঞ্চসহ পুলিশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটের কার্যালয় রয়েছে।
পুলিশের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হামলার সময় একটি আত্মঘাতী বিস্ফোরণও ঘটে। বিস্ফোরণের পর কয়েকজন সশস্ত্র হামলাকারী কমপ্লেক্সের স্পেশাল ব্রাঞ্চ অংশে অবস্থান নেয়। পরে নিরাপত্তা বাহিনী পুরো এলাকা ঘিরে অভিযান শুরু করে। কোহাত জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আহত শতাধিক মানুষের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ফলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘ইত্তেহাদ-উল-মুজাহিদিন পাকিস্তান’ হামলার দায় স্বীকার করেছে। গোষ্ঠীটির সঙ্গে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে জানা গেছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ হামলার নিন্দা জানিয়ে আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন চেয়েছেন তিনি। প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।
"হামলার সময় একটি আত্মঘাতী বিস্ফোরণও ঘটে। বিস্ফোরণের পর কয়েকজন সশস্ত্র হামলাকারী কমপ্লেক্সের স্পেশাল ব্রাঞ্চ অংশে অবস্থান নেয়"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কোহাত, পাকিস্তান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি, পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, কোহাত জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১ জন নিহত, ১৬ জন পুলিশ সদস্য, শতাধিক আহত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!