📅 ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:২০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পাকিস্তানের হাসপাতালে আগুনে ১৪ শিশু মারা যায়: ‘আমি বাকিদের বাঁচাতে পারিনি’ বললো হিরো নার্স

পাকিস্তানের হাসপাতালে আগুনে ১৪ শিশু মারা যায়: ‘আমি বাকিদের বাঁচাতে পারিনি’ বললো হিরো নার্স

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পাকিস্তানের ইসলামাবাদে একটি সরকারি হাসপাতালের নার্সারি আগুনে ১৪ নবজাতক মারা যায়। হিরো নার্স রাজিয়া নোরিন বলেছেন, ‘আমি বাকিদের বাঁচাতে পারিনি’। শুধু একটিমাত্র শিশু বেঁচে গেছে। সরকারি জরিপে আগুনের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়।

পাকিস্তানের ইসলামাবাদে একটি সরকারি হাসপাতালের নার্সারি আগুনে ১৪ নবজাতক মারা যায়। এই দুর্ঘটনার সাক্ষী নার্স রাজিয়া নোরিন বলেছেন, ‘আমি বাকিদের বাঁচাতে পারিনি’। তিনি একমাত্র বেঁচে যাওয়া শিশুকে বাহন করে বেরিয়ে এসেছিলেন। এই ঘটনা ঘটে ২৬ আগস্ট সকাল ৬:৩৮ মিনিটে। আগুনে নার্সারির ভেতর থেকে বেরিয়ে আসার সময় তিনি দেখেছিলেন, ‘একটা বড় ব্লাস্ট হয়েছে, সবকিছু ধোঁয়ায় পরিণত হয়েছে’।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পাকিস্তানের ইসলামাবাদর পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস (পিআইএমএস) হাসপাতালের নার্সারি আগুনে ১৪ নবজাতক মারা যায়। শুধু একটিমাত্র শিশু বেঁচে যায়।
  • 📌 নার্স রাজিয়া নোরিন বলেছেন, ‘আমি বাকিদের বাঁচাতে পারিনি’। তিনি আগুনে আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে একটিকে বাহন করে বেরিয়ে এসেছিলেন।
  • 📌 সরকারি জরিপে আগুনের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। সম্ভাব্য কারণ হিসেবে এসেছে এসি ইউনিট, ইনকিউবেটর বা বিদ্যুৎ সংকট।
  • 📌 প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শারিফ নোরিনকে ‘বীর নার্স’ হিসেবে সম্মানিত করেছেন। কিন্তু তিনি বলেছেন, ‘আমার মনে এখনও সেই ঘটনার আঘাত টিকে আছে’।
  • 📌 নার্সের ফোন আগুনে পুড়ে গিয়েছিল। হাসপাতালের গার্ডরা পরের দিন তাকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। ফোনের কেস এখনও পুড়ে গেছে।

📰 বিস্তারিত

২৬ আগস্ট সকাল ৬:৩৮ মিনিটে পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস (পিআইএমএস) হাসপাতালের নার্সারি আগুনে আক্রান্ত হয়। নার্স রাজিয়া নোরিন তখন মেডিসিন কাপবোর্ডে কাজ করছিলেন। তিনি দেখেন, নার্সারির গ্লাস প্যানেলের মধ্য দিয়ে একটি অত্যন্ত তীব্র লাল আলো আসছে। তিনি বুঝতে পারেননি কী ঘটছে। কিন্তু তিনি কোনো দ্বিধা না করে বললেন, ‘আমার সিস্টার নার্স, শিশুদের বাঁচাও’।

নার্স নোরিন বলেছেন, ‘আমি দেখলাম, এসি ইউনিটের সামনে থেকে আগুন বের হয়ে আসছে। আমি জানি না, পিছনে কী ঘটছে।’ নোরিন বলেন, ‘আমি শুধু একটিমাত্র শিশুকে বেরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। বাকিদের বাঁচাতে পারিনি।’ তিনি বলেন, ‘আমি ভাবলাম, পাঁচ-ছয় শিশু বেরিয়ে আনতে পারবো। কিন্তু আগুন আমার চেয়ে দ্রুততর ছিল।’

ডাক্তার আবদুল রেহমান এবং ডাক্তার রিমশা আগুনে আক্রান্ত শিশুদের বেরিয়ে আনতে সাহায্য করেছিলেন। তারা নার্সারির ভেতর থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করলেও ধোঁয়ায় আচ্ছাদিত হয়ে পড়েন। একসময় বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়। তারা নার্সারির বাইরে একটি অন্য রেস্কিউ টিমের কাছে পৌঁছান, যেখানে শিশুদের নিচ থেকে নামিয়ে আনা হতো। কিন্তু ধোঁয়া ততটা ঘন হয়ে যায় যে তারা আর আরামে থাকতে পারেননি।

নার্স নোরিনের ফোন আগুনে পুড়ে গিয়েছিল। হাসপাতালের গার্ডরা পরের দিন তাকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। ফোনের কেস এখনও পুড়ে গেছে। নোরিন বলেছেন, ‘আমার মনে এখনও সেই ঘটনার আঘাত টিকে আছে।’

"আমি বাকিদের বাঁচাতে পারিনি। আমি শুধু একটিমাত্র শিশুকে বেরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস (পিআইএমএস), ইসলামাবাদ, পাকিস্তান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নার্স রাজিয়া নোরিন, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শারিফ, ডাক্তার আবদুল রেহমান, ডাক্তার রিমশা, সিস্টার নাসরিন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ নবজাতক মারা যায়, ১৫ নবজাতক ছিল নার্সারিতে, ৬:৩৮ মিনিটে আগুন ধরে, ৫৬ সেকেন্ড পর নোরিন নার্সারিতে প্রবেশ করেন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖