📌 পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করে ইমরান খানকে সরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করায় বিরোধিতা করেছে পিটিআই। দলটির পক্ষ থেকে আদালত অবমাননার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে সুপ্রিম কোর্টের আদেশ অনুযায়ী শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে স্থানান্তর না করার ঘটনায় সরকারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে একটি পিটিশন দায়ের করেছে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। দলটির মহাসচিব সালমান আকরাম রাজা শনিবার সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে ইমরান খানের বোন উজমা খান ও আইনজীবী উজাইর ভান্ডারির সঙ্গে যৌথভাবে এই মামলা দাখিল করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সুপ্রিম কোর্টের আদেশ অমান্য করে ইমরান খানকে সরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে
- 📌 পিটিআইয়ের অভিযোগ: সরকার আদালতের নির্দেশ লঙ্ঘন করেছে
- 📌 আদালত অবমাননার অভিযোগে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা চাওয়া হয়েছে
- 📌 ইমরান খানকে দ্রুত শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে স্থানান্তরের অনুরোধ জানানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
গত মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট ইমরান খানকে ইসলামাবাদের শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এর আগে শুক্রবার ভোরে তাঁকে রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগার থেকে সরকারি হাসপাতাল পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেসে (পিআইএমএস) নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে শারীরিকভাবে সুস্থ ঘোষণা করার পর আবার কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
তবে পিটিআইয়ের অভিযোগ, সরকার আদালতের নির্দেশ অমান্য করেছে। দলটির পক্ষ থেকে আদালত অবমাননার অভিযোগে মামলা দায়ের করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। আবেদনে তাঁদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া এবং আদালতে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার দাবি, শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালের সামনে ও যাওয়ার পথে পিটিআই নেতা-কর্মীদের ভিড়ের কারণে নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির কারণে শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়। তারার আরও দাবি করেন, শিফা হাসপাতালের চিকিৎসকেরাও পিআইএমএসে উপস্থিত ছিলেন।
"সুপ্রিম কোর্টের আদেশ লঙ্ঘন করে সরকার ইমরান খানকে সরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করেছে। এ ঘটনায় আদালত অবমাননার অভিযোগে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসলামাবাদ, পাকিস্তান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইমরান খান, সালমান আকরাম রাজা, আতাউল্লাহ তারার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (সুপ্রিম কোর্টের আদেশ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!