📌 ট্রাম্পের বিদেশনীতির একমাত্র সাফল্য হিসেবে দেখা দিচ্ছে লাতিন আমেরিকায় দক্ষিণপন্থী নেতাদের উত্থান। ইরান যুদ্ধ ও ইসরায়েল নীতির ব্যর্থতায় অভ্যন্তরীণ সমালোচনার মুখে থাকা ট্রাম্প এখন নিজেকে ‘ডোনরো মতবাদ’ প্রতিষ্ঠায় ব্যস্ত। কলম্বিয়া, আর্জেন্টিনা, হন্ডুরাসসহ একাধিক দেশে দক্ষিণপন্থী নেতাদের ক্ষমতায়নে ট্রাম্পের ভূমিকা স্পষ্ট
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিদেশনীতির একমাত্র সাফল্য হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে লাতিন আমেরিকায় দক্ষিণপন্থী নেতাদের উত্থান। ইরান যুদ্ধ ও ইসরায়েল নীতির ব্যর্থতায় অভ্যন্তরীণ সমালোচনার মুখে থাকা ট্রাম্প এখন নিজেকে ‘ডোনরো মতবাদ’ প্রতিষ্ঠায় ব্যস্ত। গত দেড় বছরে একাধিক দেশে দক্ষিণপন্থী নেতাদের ক্ষমতায়নে ট্রাম্প নিজেকে কৃতিত্ব দিচ্ছেন। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এই উত্থান লাতিন আমেরিকার সাধারণ মানুষের জন্য সুখবর নয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিদেশনীতির একমাত্র সাফল্য হিসেবে দেখা দিচ্ছে লাতিন আমেরিকায় দক্ষিণপন্থী নেতাদের উত্থান
- 📌 কলম্বিয়ায় ক্ষমতায় আসা আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা নিজেকে বামপন্থীদের বিরুদ্ধে ‘বিদ্ধ’ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন
- 📌 আর্জেন্টিনায় জাভিয়ার মিলেই ক্ষমতায় আসার পর কল্যাণ কর্মসূচি বাতিল করে লাখ লাখ মানুষকে দারিদ্র্যের মুখে ঠেলে দিয়েছেন
- 📌 হন্ডুরাসে নাসরি আসফুরা ক্ষমতায় আসেন ট্রাম্পের নির্বাচনী হস্তক্ষেপের পর
- 📌 চিলিতে জোসে আন্তোনিও কাস্ত ক্ষমতায় আসেন ট্রাম্পের সমর্থনে, যিনি পিনোচেতের অনুসারী
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিদেশনীতির একমাত্র সাফল্য হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে লাতিন আমেরিকায় দক্ষিণপন্থী নেতাদের উত্থান। ইরান যুদ্ধ ও ইসরায়েল নীতির ব্যর্থতায় অভ্যন্তরীণ সমালোচনার মুখে থাকা ট্রাম্প এখন নিজেকে ‘ডোনরো মতবাদ’ প্রতিষ্ঠায় ব্যস্ত। গত দেড় বছরে একাধিক দেশে দক্ষিণপন্থী নেতাদের ক্ষমতায়নে ট্রাম্প নিজেকে কৃতিত্ব দিচ্ছেন। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এই উত্থান লাতিন আমেরিকার সাধারণ মানুষের জন্য সুখবর নয়।
কলম্বিয়ায় ক্ষমতায় আসা আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা নিজেকে বামপন্থীদের বিরুদ্ধে ‘বিদ্ধ’ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি ফ্যাকিং প্রকল্প ও পরিবেশ ধ্বংসকারী কর্মকাণ্ডের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি নিজেকে দক্ষিণপন্থী মিলিশিয়া নেতাদের আইনজীবী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
আর্জেন্টিনায় জাভিয়ার মিলেই ক্ষমতায় আসার পর কল্যাণ কর্মসূচি বাতিল করে লাখ লাখ মানুষকে দারিদ্র্যের মুখে ঠেলে দিয়েছেন। ট্রাম্প তাঁকে ক্ষমতায় আনতে সাহায্য করেছিলেন। মিলেইয়ের নেতৃত্বে বুয়েনোস আইরেসের রাস্তায় অসংখ্য মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন।
হন্ডুরাসে নাসরি আসফুরা ক্ষমতায় আসেন ট্রাম্পের নির্বাচনী হস্তক্ষেপের পর। তাঁর ‘অপরাধ দমন’ নীতির ফলে দেশটিতে সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে। চিলিতে জোসে আন্তোনিও কাস্ত ক্ষমতায় আসেন ট্রাম্পের সমর্থনে, যিনি পিনোচেতের অনুসারী। ক্ষমতায় আসার পর তিনি চিলির সীমান্তে পরিখা খননের নির্দেশ দেন।
একই সঙ্গে ইকুয়েডরের ড্যানিয়েল নোবোয়া, এল সালভাদরের নায়িব বুকেেলে এবং পেরুর কেইকো ফুজিমোরিও ট্রাম্পের আদর্শের অনুসারী। তাঁরা অপরাধ দমনে কঠোর নীতি গ্রহণ করেছেন, যা মূল কারণগুলো সমাধান না করে সাধারণ মানুষের অধিকার খর্ব করছে।
"ডোনরো মতবাদ"
"নারকোটেরর"
"বিদ্ধ করা"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লাতিন আমেরিকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!