📅 ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১:৩৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

উত্তর কোরিয়ার অভিজাতদের দলত্যাগ: কিম জং-উনের শাসন কীভাবে ভেতর থেকে ভেঙে পড়ছে?

উত্তর কোরিয়ার অভিজাতদের দলত্যাগ: কিম জং-উনের শাসন কীভাবে ভেতর থেকে ভেঙে পড়ছে?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 উত্তর কোরিয়ার অভিজাত শ্রেণির মধ্যে ক্রমবর্ধমান অসন্তোষ এবং দলত্যাগের প্রবণতা শাসনব্যবস্থার ভেতর থেকে দুর্বলতা প্রকাশ করছে। সাক্ষাৎকারে জানা যায়, কিম জং-উনের শাসনামলে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে দলত্যাগের হার আগের শাসকদের সম্মিলিত শাসনামলের চেয়ে দ্বিগুণ বেশি

উত্তর কোরিয়ার অভিজাত শ্রেণির মধ্যে ক্রমবর্ধমান অসন্তোষ এবং দলত্যাগের প্রবণতা শাসনব্যবস্থাকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দিচ্ছে। সাক্ষাৎকারে জানা যায়, কিম জং-উনের শাসনামলে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে দলত্যাগের হার আগের শাসকদের সম্মিলিত শাসনামলের চেয়ে দ্বিগুণ বেশি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 উত্তর কোরিয়ার অভিজাত শ্রেণির মধ্যে দলত্যাগের হার কিম ইল সং ও কিম জং ইলের সম্মিলিত শাসনামলের চেয়ে আড়াই গুণ বেশি — ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী দক্ষিণ কোরিয়ার ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী।
  • 📌 ২০১৫ সালে উত্তর কোরিয়ার কূটনীতিক থায়ে ইয়াং হো লন্ডনে কিম জং-উনের ভাই কিম জং-চোলের কনসার্টের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় তাঁর দুই ছেলে তাঁকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলেন যে, সাধারণ উত্তর কোরীয়দের পশ্চিমা বিনোদন শুনতে কঠোর শাস্তি পেতে হয়, কিন্তু শাসক পরিবার হাজার হাজার ডলার খরচ করে বিনোদন উপভোগ করছে।
  • 📌 থায়ে ইয়াং হো তাঁর স্মৃতিকথায় লিখেছেন, তাঁর সন্তানদের প্রতিক্রিয়া তাঁকে অনুধাবন করিয়েছিল যে, তিনি আসলে একজন বন্দী, যাঁকে কারাগারের রক্ষীর সেবা করতে বাধ্য করা হচ্ছে। পরের বছর তিনি স্ত্রী ও দুই ছেলেকে নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় পালিয়ে যান।
  • 📌 উত্তর কোরিয়ার অভিজাত শ্রেণির মধ্যে অভূতপূর্ব মানসিক চাপের কারণে দিন কাটাচ্ছে। কিম জং-উন ক্ষমতায় আসার পর থেকে প্রবীণ কর্মকর্তা ও সামরিক ব্যক্তিত্বদের ওপর ব্যাপক দমনপীড়ন চালিয়ে অভিজাতদের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করেছেন।
  • 📌 কোভিড মহামারির পর সীমান্ত পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অভিজাতদের পালানোর পথও এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সংকীর্ণ হয়ে পড়েছে।
  • 📌 উত্তর কোরিয়ার অভিজাতদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ ক্রমবর্ধমান, যা রাষ্ট্রকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দিচ্ছে।

📰 বিস্তারিত

উত্তর কোরিয়ার অভিজাত শ্রেণির মধ্যে দলত্যাগের প্রবণতা শাসনব্যবস্থাকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দিচ্ছে। সাক্ষাৎকারে জানা যায়, উত্তর কোরিয়ার পার্টি, সেনাবাহিনী, দূতাবাস ও প্রযুক্তি খাতের উচ্চপদস্থ সাবেক কর্মকর্তাদের ওপর করা দশকের বেশি সময়ের সাক্ষাৎকার থেকে এই বাস্তবতা উঠে এসেছে। তাঁরা একসময় এই ব্যবস্থায় বিশ্বাসী ছিলেন, আবার কেউ শুরুতেই অনুধাবন করেছিলেন যে, কিম জং-উনের প্রতি আনুগত্য মূলত এক আজীবন নাটক।

২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর কিম জং-উন প্রবীণ কর্মকর্তা ও সামরিক ব্যক্তিত্বদের ওপর ব্যাপক দমনপীড়ন, রদবদল ও মৃত্যুদণ্ড চালিয়ে অভিজাতদের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করেছেন। ফলে সামান্য ভুলেই পরিবারসহ ধ্বংস হয়ে যাওয়ার আতঙ্কে দিন কাটান তাঁরা। কোভিড মহামারির পর সীমান্ত পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাঁদের পালানোর পথও এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সংকীর্ণ হয়ে পড়েছে।

উত্তর কোরিয়ার অভিজাত শ্রেণির মধ্যে অভূতপূর্ব মানসিক চাপের কারণে দিন কাটাচ্ছে। কিম জং-উন বিলাসবহুল জীবনযাত্রা ও পদোন্নতি দিয়ে কিছুটা ক্ষোভ কমালেও পরিবারের টিকে থাকার স্বার্থে আরোপিত কঠোর নিয়ন্ত্রণ শিথিল করা সম্ভব নয়। ফলে এ ব্যবস্থা যেকোনো সংগঠিত প্রতিরোধ দমনে সক্ষম হলেও অভিজাতদের ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ রাষ্ট্রকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দিচ্ছে।

"আমি আসলে একজন বন্দী, যাঁকে কারাগারের রক্ষীর সেবা করতে বাধ্য করা হচ্ছে।" — উত্তর কোরিয়ার সাবেক কূটনীতিক থায়ে ইয়াং হো তাঁর স্মৃতিকথায় লিখেছেন

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, লন্ডন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কিম জং-উন, থায়ে ইয়াং হো, কিম জং-চোল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬০টি দেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক, ৩৪ হাজার উত্তর কোরীয় দলত্যাগী, ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী দলত্যাগের হার দ্বিগুণ বৃদ্ধি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖