📅 ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৪৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নেপালের হিমবাহ ধস: সুড়ঙ্গে ৯ দিন কাদা জলে বেঁচে ছিলেন দু’জন শ্রমিক, কীভাবে?

নেপালের হিমবাহ ধস: সুড়ঙ্গে ৯ দিন কাদা জলে বেঁচে ছিলেন দু’জন শ্রমিক, কীভাবে?

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেপালের ত্রিশূলী উপত্যকায় ২৬ আগস্ট হিমবাহ ধসে ১,৩০০-এরও বেশি মানুষ নিহত হলে, দু’জন শ্রমিক একটি বায়ুপ্রবাহিত সুড়ঙ্গে ৯ দিন ধরে আটকে পড়ে। তারা কীভাবে বেঁচে গিয়েছিলেন তা উদ্ধারকারীদের গল্পে উঠে এসেছে

নেপালের ত্রিশূলী উপত্যকায় ২৬ আগস্টের হিমবাহ ধসের পর সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় ১,৩০০-এরও বেশি মানুষ নিহত হলে, দু’জন শ্রমিক অলৌকিকভাবে বেঁচে গিয়েছিলেন। তারা একটি সুড়ঙ্গে ৯ দিন ধরে কাদা জলে আটকে পড়ে থাকলেও বায়ুপ্রবাহিত চেম্বারে আশ্রয় নিয়ে বেঁচে গিয়েছিলেন। উদ্ধারকারীদের গল্পে এসেছে তাদের বাঁচার কাহিনী।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৯ দিন কাদা জলে বেঁচে ছিলেন নেপালের দু’জন শ্রমিক — কবির মহারজন ও মেকানিক্যাল ফোরম্যান সঞ্জয় সাহ। তারা একটি বায়ুপ্রবাহিত সুড়ঙ্গে আশ্রয় নিয়েছিলেন।
  • 📌 ১,৩০০-এরও বেশি নিহত হিমবাহ ধসের কারণে নেপাল ও তিব্বত জুড়ে। ১২১ জন শ্রমিকের মধ্যে কেবলমাত্র এই দু’জন বেঁচে গিয়েছিলেন।
  • 📌 ৩১ আগস্ট পর্যন্ত আশা ছিল উদ্ধারকারীদের, কিন্তু কবির ও সঞ্জয় সুড়ঙ্গের একটি ছোট কেবল-ডাক্টে আশ্রয় নিয়ে বেঁচে ছিলেন।
  • 📌 সুড়ঙ্গের একটি প্রবেশপথ ১৮০ মিটার দীর্ঘ ছিল, কিন্তু তা প্লাবিত হয়ে গিয়েছিল। উদ্ধারকারীরা ভুল ধারণা করেছিল যে সেখানে বেঁচে থাকার কোনো সম্ভাবনা নেই।
  • 📌 কবিরের স্ত্রী তাকে চিনতে পারেননি উদ্ধার হওয়ার পর। তিনি বিভ্রান্ত হয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ‘কেন তুমি আমাকে আগে বিছানা দেননি?’

📰 বিস্তারিত

২৬ আগস্ট নেপালের ত্রিশূলী উপত্যকায় লাংটাং লিরুং পর্বতের হিমবাহ ধসে পড়লে সৃষ্ট ধ্বংসের পর ৯ দিন ধরে কবির মহারজন ও সঞ্জয় সাহ একটি সুড়ঙ্গে আটকে পড়েছিলেন। তারা একটি বায়ুপ্রবাহিত চেম্বারে আশ্রয় নিয়ে বেঁচে গিয়েছিলেন। উদ্ধারকারীদের মতে, তাদের বেঁচে থাকার কারণ ছিল এই সুড়ঙ্গে পানি কম ঢুকেছিল।

হিমবাহ ধসের ফলে সৃষ্ট কাদা জলের স্রোত নেপাল ও তিব্বত জুড়ে ১,৩০০-এরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছিল। ১২১ জন শ্রমিকের মধ্যে কেবলমাত্র কবির ও সঞ্জয় বেঁচে গিয়েছিলেন। উদ্ধারকারীদের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন প্রবীণ টানেল ইঞ্জিনিয়ার ও সাংসদ শ্রী রাম নিউপানে। তিনি জানিয়েছিলেন, উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং তারা আশা করেছিলেন যে, ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের মধ্যে কেউ কেউ বেঁচে থাকতে পারে।

কবিরের স্ত্রী হীরা শোভা মহারজন জানিয়েছিলেন, তার স্বামী তাকে ফোন করে বলেছিলেন, ‘আমাকে টানেলের ভেতরে যেতে হবে। ভেতরে কোনো নেটওয়ার্ক থাকবে না।’ ধসের পর কবিরের শিফট শুরু হওয়ার আগে তিনি তার স্ত্রীকে ফোন করেছিলেন। ধসের ফলে সৃষ্ট কাদা জলের স্রোত জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের নেটওয়ার্ককে ডুবিয়ে দিয়েছিল।

"আমাকে টানেলের ভেতরে যেতে হবে। ভেতরে কোনো নেটওয়ার্ক থাকবে না।"

উদ্ধারকারীদের মতে, সুড়ঙ্গের একটি প্রবেশপথ ১৮০ মিটার দীর্ঘ ছিল, কিন্তু তা প্লাবিত হয়ে গিয়েছিল। উদ্ধারকারীরা ভুল ধারণা করেছিল যে সেখানে বেঁচে থাকার কোনো সম্ভাবনা নেই। তারা একটি ছোট কেবল-ডাক্টে মনোযোগ দিয়েছিলেন, যেখানে কবির ও সঞ্জয় আশ্রয় নিয়েছিলেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নেপালের ত্রিশূলী উপত্যকা, আপার ত্রিশুলি ৩এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কবির মহারজন, মেকানিক্যাল ফোরম্যান সঞ্জয় সাহ, সাংসদ শ্রী রাম নিউপানে
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ দিন (সুড়ঙ্গে আটকে পড়া), ২ জন (বেঁচে যাওয়া শ্রমিক), ১,৩০০+ জন (নিহত), ১২১ জন (আটকে পড়া শ্রমিক), ১৮০ মিটার (সুড়ঙ্গের দৈর্ঘ্য)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖