📌 নেপাল-তিব্বত সীমান্তে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত এলাকায় দ্বিতীয় দফা বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা বিধ্বস্ত অঞ্চলে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন, তবে নতুন বিপদের মুখে তাদের তৎপরতা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে
নেপাল-তিব্বত সীমান্তে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে বিপর্যস্ত এলাকায় দ্বিতীয় দফা বন্যার তীব্র আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, উদ্ধারকর্মীরা বিধ্বস্ত হিমালয় সীমান্ত অঞ্চলে নতুন বিপদের মুখে রয়েছেন। বিবিসির সাংবাদিক লরা বেকার জানান, চীন-নেপাল সীমান্তের কাছে জল বাড়তে বাড়তে একটি হ্রদ তৈরি হয়েছে, যার পানি ধারণক্ষমতা বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় দফা বন্যার আশঙ্কায় উদ্ধারকর্মীরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন
- 📌 চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, হ্রদের পানির পরিমাণ ৩০ লাখ ঘনমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে
- 📌 পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী তিন দিনে হ্রদটির পানির প্রবাহ ৩০০ কোটি লিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে
- 📌 বুধবারের (২৬ আগস্ট) ভূমিধসে নেপালে ৩৮৯ জনের মৃত্যু এবং ৯০০ জনেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন
- 📌 তিব্বতে তিনজন মারা গেছেন এবং ৫৫০ জনেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন
📰 বিস্তারিত
নেপালের তিব্বত সীমান্তে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে বিপর্যস্ত এলাকায় দ্বিতীয় দফা বন্যার তীব্র আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, উদ্ধারকর্মীরা বিধ্বস্ত হিমালয় সীমান্ত অঞ্চলে নতুন বিপদের মুখে রয়েছেন। বিবিসির সাংবাদিক লরা বেকার জানান, চীন-নেপাল সীমান্তের কাছে জল বাড়তে বাড়তে একটি হ্রদ তৈরি হয়েছে, যার পানি ধারণক্ষমতা বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে।
নেপালে রেড ক্রসের প্রতিনিধি দলের প্রধান ডেভিড ফিশার বিবিসি নিউজকে জানান, দ্বিতীয় দফা বন্যার সতর্কতা মানুষকে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। তিনি বলেন, ‘এই ভয়াবহ দুর্যোগে মানুষ স্বাভাবিকভাবেই হতবাক হয়ে আছে।’ ত্রাণ পরিকল্পনার ওপর এর প্রভাব সম্পর্কে তিনি বলেন, রেড ক্রসের দলগুলো ট্রাক ধরে ধরে এগোচ্ছে এবং এখনো তাদের কাঠমান্ডুর গুদাম থেকে বিপুল পরিমাণ সামগ্রী নিয়ে আসা হয়নি।
এদিকে, এএফপি সংবাদ সংস্থার বরাত দিয়ে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে যে, আকস্মিক বন্যার ফলে সৃষ্ট একটি হ্রদের কারণে বাঁধ ভেঙে গিয়ে ভাটির দিকে বন্যার পানি বয়ে যাওয়ার উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অবিরাম বৃষ্টিপাতের কারণে আগামী তিন দিনে হ্রদটিতে পানির প্রবাহ প্রায় ৩০ লাখ ঘনমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। যা ১,২০০টি অলিম্পিক-আকারের সুইমিং পুলের সমান।
সিনহুয়া আরও জানিয়েছে, এটি জিরং বন্দরসহ ভাটির অন্যান্য এলাকায় আরও ক্ষয়ক্ষতির কারণ হতে পারে। চীনের জলসম্পদ মন্ত্রণালয় হ্রদটিতে কী পরিমাণ জল আছে তা অনুমান করার জন্য মডেলিং কৌশল ব্যবহার করেছে এবং এখন বলছে যে, ক্রমাগত বৃষ্টিপাত হলে আগামী তিন দিনের মধ্যে এটি ভেঙে যাওয়ার প্রবল ঝুঁকি রয়েছে।
"ভবিষ্যতের এই সম্ভাব্য বন্যার আভাসের কারণে পথে থাকা মানুষদের জীবনহানির আশঙ্কাই আমাদের সবচেয়ে বেশি চিন্তার কারণ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেপাল-তিব্বত সীমান্ত অঞ্চল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডেভিড ফিশার (নেপালে রেড ক্রসের প্রতিনিধি দলের প্রধান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৮৯ জন মৃত্যু, ৯০০ জন নিখোঁজ (নেপাল), ৩ জন মৃত্যু ও ৫৫০ জন নিখোঁজ (তিব্বত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!