📅 ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নেপালের ধসে হারিয়ে যাওয়া মনীষাকে উদ্ধারের পর বাবার অশ্রুসিক্ত কান্না

নেপালের ধসে হারিয়ে যাওয়া মনীষাকে উদ্ধারের পর বাবার অশ্রুসিক্ত কান্না

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেপালের হিমালয় অঞ্চলে আকস্মিক ধসে হারিয়ে যাওয়া পাঁচ বছরের মনীষাকে ৬০ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা অবস্থায় অলৌকিকভাবে বেঁচে থাকা মনীষার মুখোমুখি হওয়ার পর বাবা-মা অশ্রুসিক্ত হন

নেপালের হিমালয়-সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় আচমকা ধস ও বন্যায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া গ্রাম থেকে ৬০ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার হয়েছে পাঁচ বছরের মনীষা। ঘটনার দিন সকালে কাজে যাওয়ার সময় মনীষার বাবা দেখেন, তাঁর বাড়ি থেকে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ভয়াবহ ধস নামে। তিনি দ্রুত ফিরে এসে স্ত্রীর সঙ্গে মিলিত হন, কিন্তু ততক্ষণে তাঁদের আদরের মেয়ে হারিয়ে যাওয়ার ধারণা তাঁদের মনে দৃঢ় হয়ে ওঠে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঘটনার সময় মনীষার বয়স ছিল মাত্র পাঁচ বছর
  • 📌 ধ্বংসস্তূপের নিচে ৬০ ঘণ্টা ধরে জীবিত ছিল মনীষা
  • 📌 উদ্ধারের সময় মনীষার শরীর মারাত্মক ক্ষতবিক্ষত ছিল
  • 📌 মনীষার বাবা-মা ইন্টারনেটে উদ্ধার অভিযানের ভিডিও দেখে সন্তানের জীবিত থাকার খবর জানতে পারেন
  • 📌 উদ্ধারের পর মনীষা মায়ের কাছে কেঁদে ফেলে বলে, ‘তোমরা কেন আমাকে বাঁচাতে এলে না?’

📰 বিস্তারিত

নেপালের হিমালয় অঞ্চলে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ ধসে পাঁচ বছরের মনীষা হারিয়ে যায়। ঘটনার দিন সকালে কাজে যাওয়ার সময় মনীষার বাবা দেখেন, তাঁর বাড়ি থেকে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ভয়াবহ ধস নামে। তিনি দ্রুত ফিরে এসে স্ত্রীর সঙ্গে মিলিত হন, কিন্তু ততক্ষণে তাঁদের আদরের মেয়ে হারিয়ে যাওয়ার ধারণা তাঁদের মনে দৃঢ় হয়ে ওঠে। কয়েক ঘণ্টা পর যখন তাঁরা ধরে নিয়েছিলেন মনীষা আর বেঁচে নেই, তখনই উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে ক্ষীণ শব্দ শুনতে পান।

প্রথমে তারা ভেবেছিলেন কোনো প্রাণী হয়তো আটকে আছে। কিন্তু সাবধানে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে মাটি ও ইট-পাথর সরানোর পর তারা নিশ্চিত হন, এটি কোনো প্রাণী নয়, একটি ছোট্ট শিশু। উদ্ধারের সময় মনীষার শরীর মারাত্মক ক্ষতবিক্ষত ছিল এবং তার মুখ চেনা যাচ্ছিল না। খারাপ আবহাওয়ার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে হেলিকপ্টার না আসায় উদ্ধার ক্যাম্পে তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা ও ভাতের মাড় খেতে দেওয়া হয় এবং পরবর্তী সময়ে কাঠমান্ডুর টিচিং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মনীষার বাবা জানান, ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া উদ্ধার অভিযানের একটি ভিডিও দেখে তাঁরা সন্তানের জীবিত থাকার খবর জানতে পারেন। ভিডিওতে নিজেদের সন্তানকে চেনার পর মনীষার বাবা শুধু বলেছিলেন, ‘ও আমার বাচ্চা...এর চেয়ে বেশি কিছু আমি বলতে পারছি না।’

হাসপাতালে মা-বাবার সঙ্গে দেখা হওয়ার পর মনীষা তার মায়ের কাছে আকুতি জানিয়ে কেঁদে ফেলে বলে—‘বন্যা এসে আমাকে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল, আমি মা, বাবা বলে চিৎকার করে ডেকেছি...তোমরা কেন আমাকে বাঁচাতে এলে না?’ মনীষার বাবার চোখে তখন অশ্রু, কিন্তু বুকে জড়িয়ে ধরা সন্তানকে জীবিত দেখে তিনি সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

‘ও আমার বাচ্চা...এর চেয়ে বেশি কিছু আমি বলতে পারছি না।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নেপালের হিমালয় অঞ্চল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মনীষা (৫ বছর), মনীষার বাবা-মা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ ঘণ্টা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖