📌 ভারতের সঞ্চালন ব্যবস্থার মাধ্যমে বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানি কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। ভোটেকোশি নদী এলাকায় ভয়াবহ বন্যায় দেশটির জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।
ভারতের বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থার মাধ্যমে বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানি কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। ভোটেকোশি নদী এলাকায় গত ২৬ আগস্ট ভয়াবহ বন্যায় নেপালের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এই পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে। গতকাল বুধবার নেপালের দ্য কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভোটেকোশি নদী এলাকায় ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নেপালের দুটি বিদ্যুৎ প্রকল্প
- 📌 বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রকল্প দুটি হলো চিলিমে (২২ মেগাওয়াট) ও ত্রিশূলী (২৪ মেগাওয়াট)
- 📌 বর্তমানে নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে
- 📌 নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ বিকল্প উৎস থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের অনুমতি চাইছে ভারতের কাছে
📰 বিস্তারিত
নেপালের ভোটেকোশি নদী এলাকায় গত ২৬ আগস্ট ভয়াবহ বন্যায় দেশটির জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। ভারতের বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থার মাধ্যমে এই বিদ্যুৎ বাংলাদেশে সরবরাহ করা হতো। তবে বন্যার কারণে প্রকল্প দুটির বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সরবরাহও স্থগিত হয়েছে।
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী নেপালের দুটি প্রকল্প হলো চিলিমে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প (২২ মেগাওয়াট) এবং ত্রিশূলী জলবিদ্যুৎ প্রকল্প (২৪ মেগাওয়াট)। গত সপ্তাহ থেকে এই প্রকল্প দুটির বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। চিলিমে প্রকল্প থেকে ভারতে ২১ মেগাওয়াট এবং ত্রিশূলী প্রকল্প থেকে ১৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বিক্রির অনুমোদন ছিল। এছাড়া প্রকল্প দুটি থেকে ভারত হয়ে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের অনুমোদনও ছিল।
নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠ জানান, ‘বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী দুটি প্রকল্পই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিকল্প উৎস থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের অনুমতি দেওয়ার জন্য আমরা ভারতকে অনুরোধ করেছি। বর্তমানে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি কার্যত শূন্যে নেমে এসেছে।’
‘বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী দুটি প্রকল্পই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই বিকল্প হিসেবে অন্য প্রকল্প থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ পাঠানোর অনুমতি দিতে আমরা ভারতকে অনুরোধ করেছি।’ — দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠ, ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক, নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ
এদিকে, বন্যার কারণে নেপালের মোট ১২টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-নেপাল জ্বালানিসচিব পর্যায়ের যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকে বিদ্যমান ৪০ মেগাওয়াটের বাইরে আরও ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির বিষয়ে সম্মত হয়েছিল দুই দেশ। তবে পরে ভারত জানায়, সঞ্চালন সক্ষমতার ঘাটতির কারণে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ রপ্তানি সম্ভব নয়।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভোটেকোশি নদী এলাকা, নেপাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠ
- 🔢 ক্ষতিগ্রস্ত প্রকল্পের ক্ষমতা: ২২ মেগাওয়াট ও ২৪ মেগাওয়াট
- 🔢 বিদ্যুৎ সরবরাহের পূর্ববর্তী পরিমাণ: প্রায় ১ হাজার মেগাওয়াট
- 🔢 বর্তমান সরবরাহ পরিমাণ: প্রায় ৬৫০ মেগাওয়াট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!