📌 নেত্রকোনার দুর্গাপুরে ২০২০ সালের ভয়াবহ বন্যার ক্ষত এখনো রয়ে গেছে। স্থানীয়রা ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো ও ভাসমান বাহনে পারাপার হচ্ছেন। স্কুলগামী শিশুসহ হাজারো মানুষ প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার রামবাড়ি গ্রামে ২০২০ সালের ভয়াবহ বন্যার ছয় বছর পেরিয়ে গেলেও সেই ক্ষত এখনো রয়ে গেছে। বন্যার পানির প্রবাহে সৃষ্টি হওয়া গভীর নালা ও ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো পার হয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রামবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২১৮ জন এবং রামবাড়ি মিসবাহুল উলুম মাদ্রাসায় প্রায় ৮০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। এছাড়া রামবাড়ি, লক্ষ্মীপুর, আদমপুরসহ পাঁচটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ নিয়মিত এই পথে যাতায়াত করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০২০ সালের ভয়াবহ বন্যার ক্ষত এখনো রয়ে গেছে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে
- 📌 রামবাড়ি গ্রামে গভীর নালা পারাপারে ব্যবহৃত হচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো ও ভাসমান বাহন
- 📌 রামবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী রয়েছে ২১৮ জন
- 📌 স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দীর্ঘ ছয় বছরেও সমস্যার সমাধান হয়নি
📰 বিস্তারিত
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার রামবাড়ি গ্রামে ২০২০ সালের ভয়াবহ বন্যার ক্ষত এখনো রয়ে গেছে। বন্যার পানির প্রবাহে সৃষ্টি হওয়া গভীর নালা ও ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো পার হয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা জিল্লুর রহমান বলেন, ‘বন্যার সময় কালভার্টটি সংযোগ সড়ক থেকে সরে গেছে। এটিও ঠিক করা হয়নি। এর ওপর এখন সাঁকো তৈরি করা হয়েছে। যাতায়াতে আমাদের প্রতিদিন ঝুঁকি নিতে হচ্ছে।’
অপর এক বাসিন্দা মোশাররফ হোসেন জানান, ‘আমাদের গ্রামে কখনো সরকারি উন্নয়ন হয়নি। একদিকে সাঁকো দিয়ে চলাচল করতে হয়, অন্যদিকে বর্ষা এলেই কষ্ট আরও বেড়ে যায়। সাঁকো পার হতে গিয়ে অনেকেই পড়ে গিয়ে আহত হন।’ মুমিন মিয়া নামে আরেক স্থানীয় বলেন, ‘আমার ছেলে বিদ্যালয়ে যাওয়ার সময় সাঁকো থেকে পড়ে গিয়ে হাত ভেঙে গিয়েছিল। কিন্তু আমরা নিরুপায়। এখনো এই পথ দিয়েই যাতায়াত করতে হয়।’
রামবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল ইসলাম জানান, ‘শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। তাদের জন্য নিরাপদ শিক্ষা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। আমরা লিখিতভাবে প্রশাসনকেও জানিয়েছি।’
‘স্থানীয় মানুষের চলাচলের দুর্ভোগের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এসেছে। সেখানে একটি কাঠের সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার রামবাড়ি গ্রাম
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: রেজাউল ইসলাম (প্রধান শিক্ষক), জিল্লুর রহমান (স্থানীয় বাসিন্দা), মোশাররফ হোসেন (স্থানীয় বাসিন্দা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১৮ জন (বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী), ৮০ জন (মাদ্রাসার শিক্ষার্থী), ৬ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!