📌 গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় তিস্তা নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অন্তত ৬০টি পরিবার। স্থানীয়দের ঘরবাড়ি ও জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের ভোরের পাখি গ্রামে তিস্তা নদীর ভাঙনে অন্তত ৬০টি পরিবারের ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একইসঙ্গে কাপাসিয়া ইউনিয়নের চরাঞ্চলের শত শত একর আবাদি জমি ও প্রয়োজনীয় রাস্তাঘাটও নদীগর্ভে হারিয়ে গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 তিস্তা নদীর ভাঙনে ভোরের পাখি গ্রামের প্রায় ৬০ পরিবারের ঘরবাড়ি বিলীন
- 📌 ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় অন্তত শত শত একর আবাদি জমি ও রাস্তাঘাট হারিয়ে যাওয়ার তথ্য
- 📌 স্থানীয়দের অভিযোগ, রাতের ঘুমও হারিয়ে গেছে নদীভাঙনের কারণে
- 📌 উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছেন
📰 বিস্তারিত
গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের ভোরের পাখি গ্রামে তিস্তা নদীর ভাঙনে অন্তত ৬০টি পরিবারের ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গেছে। স্থানীয়রা জানান, একইসঙ্গে কাপাসিয়া ইউনিয়নের চরাঞ্চলের শত শত একর আবাদি জমি ও প্রয়োজনীয় রাস্তাঘাটও নদীগর্ভে হারিয়ে গেছে। ভোরের পাখি গ্রামের বাসিন্দা কমলা বেগম বলেন, ‘আমার সব জমি-জিরাত আগেই নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। রাতের বেলায় সামান্য একটা ঘরে ঘুমাতে পারতাম, সেটাও আজ তিস্তা নদী ভেঙে নিয়ে চলে গেল।’
একই এলাকার বাসিন্দা রেজাউল করিম বলেন, ‘আমার শেষ সম্বল ছিল এই বসতভিটা। সেটাও আজ নদীতে বিলীন হয়ে গেল। আমরা ছেলেমেয়েসহ সকলে এখন কোথায় থাকবো তা আল্লাহই ভালো জানেন।’ স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিস্তা নদীর ভাঙনে এলাকার মানুষজন দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইফফাত জাহান তুলি বলেন, ‘আবার নতুন করে নদীভাঙন শুরু হয়েছে বলে আমি শুনেছি।’ তিনি জানান, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। অন্যদিকে, গাইবান্ধা জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, নদীভাঙনের খবর পাওয়া মাত্র ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, নদীভাঙন এলাকায় জিওব্যাগ ফেলার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
‘আমার জমি-জিরাত সবগুলো আগেই নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। রাতের বেলায় একটু বাড়িতে ঘুমাতে পারতাম তাও আজ তিস্তা ভেঙে নিয়ে চলে গেল। এখন আমি কোথায় রাত কাটাবো জানি না।’ — কমলা বেগম
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা, কাপাসিয়া ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কমলা বেগম, রেজাউল করিম, ইফফাত জাহান তুলি, শফিকুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ পরিবার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!