📅 ২৯ আগস্ট ২০২৬, ৮:০১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চাঁদের ছবিতে ভিনগ্রহের মহাকাশযান? ছয় দশকের পুরোনো নাসা ছবি নিয়ে নতুন জল্পনা

চাঁদের ছবিতে ভিনগ্রহের মহাকাশযান? ছয় দশকের পুরোনো নাসা ছবি নিয়ে নতুন জল্পনা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ১৯৬৭ সালে নাসার তোলা চাঁদের একটি ছবিতে দীর্ঘ আকৃতির বস্তু দেখা গেছে বলে দাবি করেছেন ইউএফও গবেষক স্কট ওয়ারিং। তাঁর মতে, এটি ভিনগ্রহের মহাকাশযান হতে পারে। যদিও নাসা এ বিষয়ে কোনো প্রমাণ দেয়নি

১৯৬৭ সালে নাসার লুনার অরবিটার-৩ মহাকাশযান চাঁদের পৃষ্ঠের যে ছবি তুলেছিল, তা আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। প্রায় ছয় দশক আগের ওই ছবিতে দৃশ্যমান একটি দীর্ঘ আকৃতির বস্তুকে ঘিরে ভিনগ্রহের প্রাণীর অস্তিত্ব নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইউএফও গবেষক স্কট ওয়ারিং দাবি করেছেন, চাঁদের ছবিতে একটি ভিনগ্রহের মহাকাশযান বা স্পেসশিপ দেখা যাচ্ছে
  • 📌 তাঁর মতে, থিওফিলাস জ্বালামুখের সঙ্গে তুলনা করে বস্তুটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৩.৪ মাইল (৫.৫ কিলোমিটার)
  • 📌 নাসা এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রমাণ দেয়নি
  • 📌 মার্কিন সরকারের প্রকাশিত ইউএফও নথিতে অ্যাপোলো মিশনের সময় মহাকাশচারীদের অদ্ভুত ঘটনার তথ্য উঠে এসেছে

📰 বিস্তারিত

১৯৬৭ সালে নাসার লুনার অরবিটার-৩ মহাকাশযানের তোলা চাঁদের পৃষ্ঠের একটি ছবি নতুন করে ভিনগ্রহের প্রাণীর অস্তিত্ব নিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ইউএফও গবেষক স্কট ওয়ারিং দাবি করেছেন, ওই ছবিতে দৃশ্যমান দীর্ঘ আকৃতির বস্তুটি আসলে একটি ভিনগ্রহের মহাকাশযান। তিনি থিওফিলাস জ্বালামুখের সঙ্গে তুলনা করে বস্তুটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৩.৪ মাইল (৫.৫ কিলোমিটার) বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, মানুষের কাছে বিশাল মনে হলেও ভিনগ্রহের বাসিন্দাদের কাছে এটি একটি সাধারণ শাটল ক্রাফট হতে পারে।

তবে নাসা এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বা স্বাধীন প্রমাণ প্রদান করেনি। সংস্থাটি বারবারই চাঁদে বা মঙ্গলে ভিনগ্রহের প্রাণীর অস্তিত্ব থাকার কথা অস্বীকার করে আসছে। অন্যদিকে মার্কিন সরকারের প্রকাশিত বিভিন্ন ইউএফও নথিতে অ্যাপোলো চন্দ্রাভিযানের সময় মহাকাশচারীদের অদ্ভুত ঘটনার মুখোমুখি হওয়ার তথ্য উঠে এসেছে।

১৯৭২ সালের অ্যাপোলো ১৭ মিশনের সময় মহাকাশচারীরা মহাশূন্যে ঘূর্ণমান ও চকচকে একটি বস্তুর দেখা পাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। এ ছাড়া অ্যাপোলো ১৬ মিশনের একটি অপ্রকাশিত ব্রিফিংয়ে চাঁদের অন্ধকার অংশে এলিয়েন স্টারবেজ বা ঘাঁটির সম্ভাব্য উপস্থিতির কথাও উল্লেখ করা হয়েছিল।

"ছবিটি কেবল চাঁদের স্বাভাবিক ভূদৃশ্যই ধারণ করেনি, সেখানে একটি ভিনগ্রহের মহাকাশযান বা স্পেসশিপ দেখা যাচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চাঁদের পৃষ্ঠ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্কট ওয়ারিং (ইউএফও গবেষক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩.৪ মাইল (৫.৫ কিলোমিটার), ১৬, ১৭

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖