📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:০৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মঙ্গল গ্রহের রহস্যময় জেলিফিশ অবয়ব: বিজ্ঞানীরা বলছেন ক্যামেরা ত্রুটি, ইউএফও গবেষকদের দাবি ভিন্ন

মঙ্গল গ্রহের রহস্যময় জেলিফিশ অবয়ব: বিজ্ঞানীরা বলছেন ক্যামেরা ত্রুটি, ইউএফও গবেষকদের দাবি ভিন্ন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মঙ্গল গ্রহের গেইল ক্র্যাটারে নাসার কিউরিওসিটি রোভারের তোলা ছবিতে জেলিফিশ সদৃশ অবয়ব দেখা যায়। বিজ্ঞানীরা একে ক্যামেরা ত্রুটি বলে ব্যাখ্যা করলেও ইউএফও গবেষকরা ভিন্ন দাবি তুলছেন

মঙ্গল গ্রহের গেইল ক্র্যাটার অঞ্চলে নাসার কিউরিওসিটি রোভারের তোলা একটি ছবিতে জেলিফিশ সদৃশ অবয়ব দেখা যাওয়ায় মহাকাশপ্রেমী ও ইউএফও গবেষকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ২০২৩ সালের ২০ আগস্ট তোলা ছবিটিতে পাহাড়ি ও পাথুরে পটভূমির বাঁ দিকের কোনায় দুটি পায়ের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা একটি অস্পষ্ট অবয়ব দেখা যায়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 🚀 নাসার কিউরিওসিটি রোভার ২০২৩ সালের ২০ আগস্ট মঙ্গল গ্রহের গেইল ক্র্যাটারে ছবি তোলে
  • 📌 👽 জেলিফিশ সদৃশ অবয়বটি ছবির পাহাড়ি ও পাথুরে পটভূমির বাঁ দিকের কোনায় অবস্থিত
  • 📌 🔍 ছবি তোলার এক মিনিট আগে তোলা অন্য ছবিতে অবয়বটির অস্তিত্ব ছিল না
  • 📌 🛸 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিটি শেয়ার করার পর ইউএফও গবেষকরা একে ভিনগ্রহের জীব বা যান্ত্রিক কাঠামো দাবি করেন
  • 📌 🧠 বিজ্ঞানীরা একে প্যারেডোলিয়া বা ক্যামেরা সেন্সরের ত্রুটি হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন

📰 বিস্তারিত

২০২৩ সালের ২০ আগস্ট মঙ্গল গ্রহের গেইল ক্র্যাটারে নাসার কিউরিওসিটি রোভার একটি ছবি তোলে। ছবিটিতে পাহাড়ি ও পাথুরে পটভূমির বাঁ দিকের কোনায় দুটি পায়ের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা একটি অস্পষ্ট অবয়ব দেখা যায়। ছবিটি প্রকাশের পর থেকেই ইউএফও গবেষকরা একে জেলিফিশ সদৃশ জীব, ভিনগ্রহের বস্তু বা প্রাচীন সভ্যতার যান্ত্রিক কাঠামো হিসেবে দাবি করছেন।

ছবি তোলার এক মিনিট আগে একই জায়গার আরেকটি ছবি তোলা হলেও সেই ছবিতে অবয়বটির কোনো অস্তিত্ব ছিল না। এমনকি নাসার ওয়েবসাইটে সেই দিনের জন্য পোস্ট করা এটিই ছিল শেষ ছবি। এর প্রায় দুই ঘণ্টা পর ক্যামেরাটি অন্য দিকে ঘুরিয়ে পরবর্তী ছবি তোলা হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিটি পুনরায় শেয়ার করার পর অনেকেই একে সাই-ফাই চলচ্চিত্র ‘ওয়ার অব দ্য ওয়ার্ল্ডস’-এর এলিয়েন ট্রাইপডের সঙ্গে তুলনা করছেন। তবে বিজ্ঞানীরা একে অতিপ্রাকৃতিক কিছু বলে মানতে নারাজ। তাঁদের মতে, এটি ক্যামেরা সেন্সরের ত্রুটি, পিক্সেলের বিকৃতি বা এক মুহূর্তের কারিগরি সমস্যা হতে পারে।

"মানুষের মস্তিষ্ক যখন অস্পষ্ট বা অসংলগ্ন কোনো ছবিতে পরিচিত কোনো আকৃতি খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করে, তখন তাকে প্যারেডোলিয়া বলা হয়। যেমন ১৯৭৬ সালে নাসার ভাইকিং ১ অরবিটারের ছবিতে মঙ্গলের একটি পাহাড়কে মানুষের মুখের মতো মনে হয়েছিল। পরবর্তীকালে উচ্চ রেজোল্যুশনের ছবিতে দেখা যায় ছায়া এবং নিম্ন মানের ক্যামেরার কারণেই এই ভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মঙ্গল গ্রহের গেইল ক্র্যাটার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিজ্ঞানীরা, ইউএফও গবেষকরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ (আগস্ট), ১ (অরবিটারের)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖