📌 ভারতের স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সশস্ত্র মাওবাদ ও ‘দিমাগী নকশাল’দের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেন। তিনি দেশকে মাওবাদমুক্ত করার লক্ষ্যে তরুণ সমাজকে বিভ্রান্তকারী গোষ্ঠীগুলোকে চিহ্নিত ও বিচ্ছিন্ন করার আহ্বান জানান
ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লার প্রাচীর থেকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি সশস্ত্র মাওবাদীদের পাশাপাশি ‘দিমাগী নকশাল’ নামে পরিচিত মাওবাদী মনোভাবাপন্ন ব্যক্তিবর্গকে সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতের স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে সশস্ত্র মাওবাদ ও ‘দিমাগী নকশালদের’ বিরুদ্ধে তীব্র হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
- 📌 তিনি জানান, যৌথ অভিযানের ফলে সশস্ত্র মাওবাদীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেলেও মাওবাদী ভাবধারায় উদ্বুদ্ধ বুদ্ধিজীবী ও ব্যক্তিবর্গ এখনো সক্রিয় রয়েছে।
- 📌 মোদি তরুণ সমাজকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টাকারী গোষ্ঠীগুলোকে চিহ্নিত করে সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করার দাবি জানান।
- 📌 প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে মাওবাদ দমনে গৃহীত পদক্ষেপের ফলে মাওবাদীরা এখন ‘শেষ প্রহর গুনছে’।
- 📌 সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে শত শত সশস্ত্র মাওবাদী সদস্য আত্মসমর্পণ করেছেন এবং শীর্ষ নেতারা নিহত বা গ্রেপ্তার হয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে সশস্ত্র মাওবাদীদের পাশাপাশি ‘দিমাগী নকশাল’ নামে পরিচিত মাওবাদী মনোভাবাপন্ন ব্যক্তিবর্গকে সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি জানান, যৌথ অভিযানের ফলে সশস্ত্র মাওবাদীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেলেও দেশে মাওবাদী ভাবধারায় উদ্বুদ্ধ বুদ্ধিজীবী ও ব্যক্তিবর্গ এখনো সক্রিয় রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ‘এরা দেশে অশান্তির বাতাবরণ তৈরি করতে চাচ্ছে এবং সমাজকে পেছনের দিকে টেনে নেওয়ার চেষ্টা করছে। তাই তরুণ প্রজন্ম ও তাদের পরিবারকে রক্ষা করতে এই মনোভাবাপন্নদের চিহ্নিত করতে হবে এবং সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিতে হবে।’
মাওবাদী ভাবধারা চার দশক ধরে দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে উন্নয়ন ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করেছে উল্লেখ করে মোদি বলেন, এটি হাজার হাজার তরুণ-তরুণীর ভবিষ্যৎ ও স্বপ্ন ধ্বংস করেছে। নিজের প্রথম মেয়াদের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মাওবাদ এই দেশকে রক্তাক্ত করেছে। ২০১৪ সালে দেশবাসী যখন আমাদের দায়িত্ব দিয়েছিলেন, তখন থেকেই আমরা প্রতিজ্ঞা করেছিলাম যে ভারতকে মাওবাদমুক্ত করব।’
‘সশস্ত্র মাওবাদ বহুলাংশে দুর্বল হয়ে পড়লেও একটি গোষ্ঠী ‘দিমাগী নকশাল’ হিসেবে সামাজিক ও রাজনৈতিক স্তরে কাজ করছে এবং দেশের তরুণ সমাজকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে।’
ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে দেশকে পুরোপুরি মাওবাদমুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে সাম্প্রতিক সময়ে ছত্তীশগড় ও ওড়িশাসহ মাওবাদী-প্রভাবিত অঞ্চলগুলোতে নিরাপত্তাবাহিনী ধারাবাহিক ও ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করে আসছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে শত শত সশস্ত্র মাওবাদী সদস্য আত্মসমর্পণ করেছেন এবং বেশ কয়েকজন শীর্ষপর্যায়ের ক্যাডার ও নেতা নিরাপত্তাবাহিনীর অভিযানে নিহত অথবা গ্রেপ্তার হয়েছেন। একই সঙ্গে আত্মসমর্পণকারীদের স্বাভাবিক জীবনের মূলস্রোতে ফেরাতে সরকারের পক্ষ থেকে পুনর্বাসন কর্মসূচিও জোরদার করা হয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮০, ৩১, ৩৮
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!