📅 ৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭:২৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে দুর্ঘটনা ঝুঁকি কমাতে ২১ কিলোমিটার প্রশস্তকরণ প্রকল্প চলছে, ২৯ জন নিহতের ইতিহাসে নতুন আশা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে দুর্ঘটনা ঝুঁকি কমাতে ২১ কিলোমিটার প্রশস্তকরণ প্রকল্প চলছে, ২৯ জন নিহতের ইতিহাসে নতুন আশা

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সাতকানিয়া-লোহাগাড়া অংশে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে ২১ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্প চলছে। ২০২৫ সাল থেকে এখানে ১২টি দুর্ঘটনায় ২৯ জন নিহত ও ৫৩ জন আহত হয়েছেন। ২১ ফুট প্রশস্ত সড়ক বাড়িয়ে ৩৪ ফুটে উন্নীত করা হচ্ছে

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সাতকানিয়া থেকে লোহাগাড়ার চুনতি জাঙ্গালিয়া পর্যন্ত ২১ কিলোমিটার অংশে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে প্রশস্তকরণ প্রকল্প দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। সরু সড়ক, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক ও অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে দীর্ঘদিন ধরে এই অংশ দুর্ঘটনাপ্রবণ হয়ে আছে। ২০২৫ সালের শুরু থেকে এখানে অন্তত ১২টি দুর্ঘটনায় ২৯ জন নিহত ও ৫৩ জন আহত হয়েছে, যার মধ্যে মাত্র ৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানে জাঙ্গালিয়া এলাকায় তিনটি দুর্ঘটনায় ১৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **২১ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তকরণ**: সাতকানিয়া থেকে জাঙ্গালিয়া পর্যন্ত ২১ কিলোমিটার সড়ক ২১ ফুট থেকে বাড়িয়ে ৩৪ ফুটে উন্নীত করা হচ্ছে। এর মধ্যে জাঙ্গালিয়া এলাকায় ৯০০ মিটার সড়ক চার লেনে উন্নীত করা হচ্ছে।
  • 📌 **৩টি প্যাকেজে কাজ**: প্রথম প্যাকেজে ৮.২ কিলোমিটার, দ্বিতীয়ে ৭.২ কিলোমিটার ও তৃতীয়ে ৬.৪ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্ত করা হচ্ছে। ব্যয় যথাক্রমে ৩৭ কোটি ২৯ লাখ, ৩৪ কোটি ও ৩৭ কোটি টাকা।
  • 📌 **কাজের অগ্রগতি**: প্রথম প্যাকেজের ৫০%, দ্বিতীয়ের ৫৫% ও তৃতীয়ের ৬০% কাজ শেষ হয়েছে।
  • 📌 **দুর্ঘটনার ইতিহাস**: ২০২৫ সাল থেকে এখানে ১২টি দুর্ঘটনায় ২৯ জন নিহত ও ৫৩ জন আহত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে স্কুলছাত্রী, কলেজছাত্র ও পর্যটকদেরও প্রাণহানি ঘটেছে।
  • 📌 **স্থানীয়দের আশা**: স্থানীয়রা প্রশস্তকরণের কাজ দেখে স্বস্তি অনুভব করছেন। তারা দ্রুত ও মানসম্মতভাবে কাজ শেষের আশা প্রকাশ করেছেন।

📰 বিস্তারিত

চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সাতকানিয়া থেকে লোহাগাড়ার চুনতি জাঙ্গালিয়া পর্যন্ত ২১ কিলোমিটার অংশে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে প্রশস্তকরণ প্রকল্প চলছে। বর্তমানে এই সড়কের প্রস্থ প্রায় ২১ ফুট, যা বাড়িয়ে ৩৪ ফুট করা হচ্ছে। বিশেষ করে জাঙ্গালিয়া এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলোতে অতিরিক্ত জায়গা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া জাঙ্গালিয়া এলাকায় প্রায় ৯০০ মিটার সড়ক মাঝখানে ডিভাইডার দিয়ে চার লেনে উন্নীত করা হচ্ছে।

প্রকল্পটি তিনটি প্যাকেজে বিভক্ত। প্রথম প্যাকেজে সাতকানিয়ার রাস্তার মাথা থেকে রাজঘাটা ব্রিজ পর্যন্ত ৮.২ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্ত করা হচ্ছে, যার ব্যয় ৩৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা। কাজ করছে এমএএইচ কনস্ট্রাকশন। দ্বিতীয় প্যাকেজে রাজঘাটা ব্রিজ থেকে চুনতি গ্রিন ভিউ নার্সারি পর্যন্ত ৭.২ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্ত করা হচ্ছে, ব্যয় ৩৪ কোটি টাকা। কাজ করছে এমএ ইঞ্জিনিয়ারিং। তৃতীয় প্যাকেজে গ্রিন ভিউ নার্সারি থেকে জাঙ্গালিয়া পর্যন্ত ৬.৪ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্ত করা হচ্ছে, ব্যয় ৩৭ কোটি টাকা। এ প্যাকেজে জাঙ্গালিয়া এলাকার ৯০০ মিটার সড়ক চার লেনে উন্নীত করা হচ্ছে।

চুনতি সড়ক শাখার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মুহাম্মদ শহীদুল আলম জানান, বর্তমানে মহাসড়কের বিভিন্ন অংশের প্রস্থ প্রায় ২১ ফুট। প্রশস্তকরণের পর তা ৩৪ ফুটে উন্নীত হবে। সাতকানিয়া থেকে জাঙ্গালিয়ার আগ পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে ৬ থেকে ৭ ফুট করে জায়গা বাড়ানো হচ্ছে। তিনি বলেন, কেরানীহাট থেকে জাঙ্গালিয়া পর্যন্ত মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেশি। ছুটির দিনে এই চাপ আরও বেড়ে যায়। সরু সড়ক ও ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকের কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও রয়েছে।

"জাঙ্গালিয়া এলাকায় বিভিন্ন সময়ে বড় ধরনের সড়ক দুর্ঘটনায় একসঙ্গে অনেক মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনার পর এলাকাটি নতুন করে আলোচনায় আসে। ফলে মহাসড়কটি নিরাপদ করার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।"

চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা বলেন, জাঙ্গালিয়া এলাকায় দুর্ঘটনার ইতিহাস রয়েছে। তিনি বলেন, আপাতত দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো এবং যান চলাচলের সক্ষমতা বাড়াতে সড়ক প্রশস্ত করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে চার বা ছয় লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে, তবে সেটি সময়সাপেক্ষ।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক (সাতকানিয়া থেকে লোহাগাড়ার চুনতি জাঙ্গালিয়া)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুহাম্মদ শহীদুল আলম (চুনতি সড়ক শাখার উপ-সহকারী প্রকৌশলী), পিন্টু চাকমা (চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ কিলোমিটার (সড়ক প্রশস্তকরণ), ৩৪ ফুট (প্রশস্তকরণের পর সড়কের প্রস্থ), ২৯ জন (নিহত), ৫৩ জন (আহত), ৯০০ মিটার (চার লেনে উন্নীত সড়ক)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖