📅 ৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭:২৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মাঝাকাশে বিপদ থেকে বাঁচালেন যাত্রীরা: কীভাবে রুদ্ধশ্বাসে ১২ মিনিটের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা মোকাবেলা করা হয়?

মাঝাকাশে বিপদ থেকে বাঁচালেন যাত্রীরা: কীভাবে রুদ্ধশ্বাসে ১২ মিনিটের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা মোকাবেলা করা হয়?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দুবাই থেকে তেল আবিব যাত্রাপথে একটি বিমানে সহকারী পাইলটের হামলা ও ককপিটের দরজা বন্ধ থাকায় ১২ মিনিটের রুদ্ধশ্বাসে যাত্রীরা কীভাবে উড়োজাহাজকে বিধ্বস্ত হওয়া থেকে রক্ষা পেয়েছেন, সেই রোমহর্ষ ঘটনাটি বিস্তারিত। ইসরায়েলি প্লাম্বার ও ক্যাপ্টেন স্মিথ মছারের সাহসিক ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে।

দুবাই থেকে তেল আবিবের উদ্দেশে যাত্রাপথে ফ্লাইদুবাইয়ের ফ্লাইট এফজেড১০৭৩-এ সহকারী পাইলটের ক্রমাগত ছুরিকাঘাত ও ককপিটের দরজা বন্ধ থাকায় ১২ মিনিটের রুদ্ধশ্বাসে যাত্রীরা কীভাবে উড়োজাহাজকে বিধ্বস্ত হওয়া থেকে বাঁচিয়েছেন, সেই রোমহর্ষ ঘটনাটি বিস্তারিত প্রকাশ পেয়েছে। ক্যাপ্টেন স্মিথ মছার ও ফ্লাইটে উপস্থিত একজন ইসরায়েলি প্লাম্বারের সাহসিক ভূমিকা এই বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১২ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস: ফ্লাইট এফজেড১০৭৩-এ সহকারী পাইলটের হামলা ও ককপিটের দরজা বন্ধ থাকায় যাত্রীরা ১২ মিনিটের ভয়াবহ পরিস্থিতি মোকাবেলা করে উড়োজাহাজের নিয়ন্ত্রণ নেয়।
  • 📌 ক্যাপ্টেন স্মিথ মছারের বীরত্ব: রক্তাক্ত অবস্থায় নিচে পড়ে যাওয়ার পর তিনি ককপিটের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকতে সাহায্য করেন।
  • 📌 ইসরায়েলি প্লাম্বারের সাহসিকতা: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশংসা করেছেন এই ব্যক্তির দ্রুত পদক্ষেপ, যিনি হামলাকারী পাইলটকে আসন থেকে টেনে পেছনে ফেলে দেন এবং উড়োজাহাজের নিয়ন্ত্রণ নেন।
  • 📌 ১৭ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে রক্ষা: তীব্র মহাকর্ষীয় বলের মধ্যে প্লাম্বার উড়োজাহাজটিকে ক্র্যাশ হওয়া থেকে রক্ষা করেন।
  • 📌 ফ্লাইটের বিবরণ: বুধবার সকাল ৭টা ৫ মিনিটে (গ্রিনিচ মান সময় ০৩:০৫) দুবাই থেকে তেল আবিবের উদ্দেশে রওনা দেয় ফ্লাইট এফজেড১০৭৩। ৩৪ হাজার ফুট উচ্চতায় চলতে থাকা উড়োজাহাজটি যাত্রার দুই ঘণ্টার কিছু বেশি সময় পর হঠাৎ নিচে নামতে শুরু করে।

📰 বিস্তারিত

সৌদি আরবের একটি হাসপাতাল থেকে শুক্রবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেন ফ্লাইট এফজেড১০৭৩-এর ক্যাপ্টেন স্মিথ মছার। তিনি বলেন, ‘আমি যখন রক্তাক্ত অবস্থায় নিচে পড়ে যাই, তখন বুঝছিলাম, উড়োজাহাজটি খাড়া নিচের দিকে আছড়ে পড়ছে। আমি জানতাম কিছু একটা করার এটাই আমার শেষ সুযোগ। আর দরজাটি ঠিক আমার পাশেই ছিল।’ সহকারী পাইলটের ক্রমাগত ছুরিকাঘাতের মুখেও ক্যাপ্টেন স্মিথ মছার ককপিটের দরজা খোলার জন্য লড়াই করেন। এরপর ক্রু ও যাত্রীরা ককপিটের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়েন এবং হামলাকারী পাইলটকে কাবু করে উড়োজাহাজের নিয়ন্ত্রণ নেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলি প্লাম্বারের সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, ‘ফ্লাইটে থাকা ইসরায়েলি প্লাম্বার বুঝতে পেরেছিলেন কী ঘটছে। তিনি বেশ শক্তিশালী। সারা দিন ভারী পাইপ তোলার কাজ করলে শরীরে শক্তি থাকাই স্বাভাবিক। ভেতরের চিৎকার শুনেই তিনি পরিস্থিতি আঁচ করতে পারেন। মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে উড়োজাহাজটি যখন প্রায় ১৭ হাজার ফুট (৫,১৮০ মিটার) নিচে নেমে যায়, তখন তিনি হামলাকারীকে আসন থেকে টেনে পেছনে ফেলে দেন। সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত অন্য যাত্রীরা তাঁকে চেপে ধরেন। এরপর তিনি ‘স্টিক’ টেনে ধরেন ও ক্র্যাশ করার ঠিক আগমুহূর্তে উড়োজাহাজটিকে আবার স্বাভাবিক অবস্থানে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হন।’

ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৭টা ৫ মিনিটে (গ্রিনিচ মান সময় ০৩:০৫) দুবাই থেকে ইসরায়েলের তেল আবিবের উদ্দেশে রওনা দেয় ফ্লাইট এফজেড১০৭৩। উড়োজাহাজটি পরে ৩৪ হাজার ফুট (১০ হাজার মিটারের বেশি) উচ্চতায় চলতে থাকে। তবে যাত্রার দুই ঘণ্টার কিছু বেশি সময় পর হঠাৎই এটি নিচে নামতে শুরু করে। উড়োজাহাজটি একবার তীব্রগতিতে নিচে নেমে আবার ওপরে উঠে এবং আবার নিচের দিকে পড়তে থাকে। খাড়া নিচের দিকে নামতে শুরু করার ঠিক ১২ মিনিট পর, গ্রিনিচ মান সময় ০৫:৩৩ মিনিটে উড়োজাহাজটি প্রায় ১৫ হাজার ফুট (৪,৫৭০ মিটার) উচ্চতায় পৌঁছালে এটির গতি ও অবস্থান কিছুটা স্বাভাবিক হতে শুরু করে।

ফ্লাইটে থাকা একজন যাত্রী অ্যাডাম পোলো সিএনএনকে জানান, প্রথম যখন উড়োজাহাজটি নিচে নামছিল, তখন মনে হয়েছিল এটি স্বাভাবিক কোনো এয়ার পকেট। তবে মাত্র এক সেকেন্ড পরই বোঝা গেল, এ অস্বাভাবিক পতন কোনোভাবেই স্বাভাবিক ছিল না। তিনি আরও বলেন, ‘সে সময় উড়োজাহাজের বিদ্যুৎ সংযোগ, মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম ও শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র—সবকিছু বন্ধ হয়ে যায়। যাঁরা করিডরে দাঁড়িয়ে ছিলেন কিংবা টয়লেটে যাচ্ছিলেন, তাঁরা ছিটকে পড়ে যান। আসনে বসা ছাড়া বাকি সবাই নিচে পড়ে গিয়েছিলেন। পরিস্থিতি এমন ছিল, যেন জীবনের সবচেয়ে বিপজ্জনক রোলার কোস্টারে চড়েছি, তবে এর তীব্রতা ছিল হাজার গুণ বেশি।’

"আমি যখন রক্তাক্ত অবস্থায় নিচে পড়ে যাই, তখন বুঝছিলাম, উড়োজাহাজটি খাড়া নিচের দিকে আছড়ে পড়ছে। আমি জানতাম কিছু একটা করার এটাই আমার শেষ সুযোগ। আর দরজাটি ঠিক আমার পাশেই ছিল।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দুবাই (উডান), তেল আবিব (গন্তব্য), সৌদি আরবের একটি হাসপাতাল (ক্যাপ্টেন স্মিথ মছারের অবস্থান)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ক্যাপ্টেন স্মিথ মছার, ইসরায়েলি প্লাম্বার, ডোনাল্ড ট্রাম্প, অ্যাডাম পোলো
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ মিনিট (রুদ্ধশ্বাস), ৭টা ৫ মিনিট (উডান সময়), ৩৪ হাজার ফুট (উচ্চতা), ১৭ হাজার ফুট (নিচে নেমে যাওয়া), ৫,১৮০ মিটার (১৭ হাজার ফুট), ৪,৫৭০ মিটার (১৫ হাজার ফুট)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖