📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো মুখ খুলেছেন ব্রিটিশ ডানপন্থী ভাষ্যকার মিলো ইয়ানোপোলোস। তিনি অভিযোগ করেছেন, মার্কিন অভিবাসন কর্তৃপক্ষ তার প্রতি অবিচার করেছে এবং তাকে ইচ্ছাকৃতভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো মুখ খুলেছেন ব্রিটিশ ডানপন্থী ভাষ্যকার মিলো ইয়ানোপোলোস। নিউ অর্লিন্স বিমানবন্দরে গ্রেপ্তারের পর তাকে মার্কিন অভিবাসন ও শুল্ক বিভাগের (আইসিই) হেফাজতে পাঠানো হয়। সেখানে তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কতটা ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন তা তিনি আগে বুঝতে পারেননি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কৃত ব্রিটিশ ডানপন্থী ভাষ্যকার মিলো ইয়ানোপোলোস প্রথমবারের মতো তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন
- 📌 তিনি দাবি করেছেন, মার্কিন অভিবাসন কর্তৃপক্ষ তাকে ইচ্ছাকৃতভাবে বহিষ্কার করেছে
- 📌 তার বিরুদ্ধে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ
- 📌 ইয়ানোপোলোস অভিযোগ করেছেন, তার গ্রিন কার্ড বাতিল করা হয়েছে এবং তাকে পুরানো ঠিকানায় নোটিশ পাঠানো হয়েছে
- 📌 তিনি তার বহিষ্কারকে অন্যায় বলে অভিহিত করে আদালতে লড়াই করার ঘোষণা দিয়েছেন
📰 বিস্তারিত
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো মুখ খুলেছেন ব্রিটিশ ডানপন্থী ভাষ্যকার মিলো ইয়ানোপোলোস। নিউ অর্লিন্স বিমানবন্দরে গ্রেপ্তারের পর তাকে মার্কিন অভিবাসন ও শুল্ক বিভাগের (আইসিই) হেফাজতে পাঠানো হয়। সেখানে তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কতটা ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন তা তিনি আগে বুঝতে পারেননি।
ইয়ানোপোলোস বলেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর তার ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যায় এবং তিনি পরবর্তীতে তা নবায়ন করেননি। তবে মার্কিন কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, তিনি তার অভিবাসন শুনানিতে উপস্থিত হননি এবং তাকে বহিষ্কারের আদেশ দেওয়া হয়েছিল। মার্কিন হোয়াইট হাউসের অভিবাসন বিষয়ক প্রধান টম হোম্যানও একই দাবি করেছেন।
ইয়ানোপোলোস তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য আবেদন করেছিলেন এবং তার গ্রিন কার্ডও ছিল। তবে মার্কিন সরকার তার গ্রিন কার্ড বাতিল করে তাকে বহিষ্কার করেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে বহিষ্কার করেছে যাতে তারা তাকে একটি উদাহরণ হিসেবে উপস্থাপন করতে পারে।
"আমি আগে কখনো এমন ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হইনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত নিষ্ঠুরতার শারীরিক বাস্তবতা আমি বুঝতে পারিনি।"
"যে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাকে এমএস-১৩ গ্যাং সদস্যের মতো আচরণ করা হচ্ছে। এটি টেলিভিশনে যা দেখানো হয় তার চেয়ে অনেক বেশি যন্ত্রণাদায়ক।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিলো ইয়ানোপোলোস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪১ বছর বয়সী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!