📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১:০২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মেটার বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক মামলা: শিশুদের আসক্তি তৈরির অভিযোগে শত শত কোটি ডলার জরিমানার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের ২৯ অঙ্গরাজ্যের

মেটার বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক মামলা: শিশুদের আসক্তি তৈরির অভিযোগে শত শত কোটি ডলার জরিমানার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের ২৯ অঙ্গরাজ্যের

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রের ২৯টি অঙ্গরাজ্য মেটার বিরুদ্ধে শিশুদের আসক্ত করার অভিযোগ এনে শত শত কোটি ডলার জরিমানা দাবি করেছে। ফেডারেল আদালতে শুরু হওয়া মামলায় মেটা অভিযোগ অস্বীকার করলেও অভ্যন্তরীণ ইমেইল থেকে উঠে এসেছে তাদের ব্যবসায়িক কৌশলের ভয়াবহ চিত্র

যুক্তরাষ্ট্রের ২৯টি অঙ্গরাজ্যের একটি দ্বিপক্ষীয় জোট মেটা প্ল্যাটফর্মসের বিরুদ্ধে শিশুদের ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে ইচ্ছাকৃতভাবে আসক্ত করার অভিযোগ এনে শত শত কোটি ডলার জরিমানা দাবি করেছে। ক্যালিফোর্নিয়ার ওকল্যান্ডের একটি ফেডারেল আদালতে গত মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া ঐতিহাসিক এ মামলায় অভিযোগ তোলা হয়েছে, মেটা তাদের অ্যাপগুলোকে এমনভাবে ডিজাইন করেছে যাতে অল্প বয়সী ব্যবহারকারীরা সহজেই আসক্ত হয়ে পড়ে। এর ফলে তাদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের ২৯টি অঙ্গরাজ্য মেটার বিরুদ্ধে শিশুদের আসক্ত করার অভিযোগ এনে শত শত কোটি ডলার জরিমানা দাবি করেছে
  • 📌 অভিযোগে বলা হয়েছে, মেটার অ্যাপগুলো এমনভাবে তৈরি যাতে অল্প বয়সীরা সহজেই আসক্ত হয়ে যায়
  • 📌 অভিযোগের মধ্যে রয়েছে উদ্বেগ, মানসিক অবসাদ ও আত্মহত্যার প্রবণতা বৃদ্ধি এবং ব্যক্তিগত তথ্য যথাযথ অনুমতি ছাড়া সংগ্রহ
  • 📌 মেটার আইনজীবী স্বীকার করেছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের কারণে কিছু ব্যবহারকারী সমস্যায় পড়ছেন, তবে একে আসক্তি বলা যায় না বলে দাবি করেছেন
  • 📌 অভ্যন্তরীণ ইমেইল থেকে উঠে এসেছে মেটার কর্মীরা ইনস্টাগ্রামকে 'নেশা' হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্রের চার প্রধান অঙ্গরাজ্য ক্যালিফোর্নিয়া, কলোরাডো, কেনটাকি ও নিউ জার্সির নেতৃত্বে পরিচালিত এ মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, মেটা তাদের ব্যবসায়িক মডেলের অংশ হিসেবে ব্যবহারকারীদের আসক্ত করে রাখার কৌশল অবলম্বন করেছে। বিশেষ করে শিশু ও কিশোরদের ক্ষেত্রে এ কৌশল সবচেয়ে কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে। মেটার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তারা তাদের প্ল্যাটফর্মগুলোকে এমনভাবে তৈরি করেছে যাতে অল্প বয়সী ব্যবহারকারীরা দীর্ঘ সময় ধরে অ্যাপগুলো ব্যবহার করতে থাকে। এর ফলে তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলার শুনানিতে ক্যালিফোর্নিয়ার ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মেগান ও’নিল ছয় সদস্যের জুরিকে বলেন, মেটার ব্যবসায়িক মডেল হলো 'ব্যবহারকারীদের আসক্ত করা, তাদের বেশিক্ষণ আটকে রাখা, তথ্য হাতিয়ে নেওয়া এবং জনসাধারণের কাছে সত্য গোপন করা'। তিনি আরও দাবি করেন যে শিশুদের ক্ষেত্রে এ কৌশল সবচেয়ে ভালো কাজ করেছে। ও’নিল মেটার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন যে প্রতিষ্ঠানটি তাদের পণ্যগুলো শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

মেটার আইনজীবী পল স্মেড অবশ্য স্বীকার করেছেন যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের কারণে কিছু ব্যবহারকারী সমস্যায় পড়ছেন। তবে তিনি দাবি করেন যে একে কোনোভাবেই আসক্তি বলা যায় না। তিনি বলেন, কিশোর-কিশোরীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের সঙ্গে তাদের ভালো না থাকার কোনো স্পষ্ট সম্পর্ক গবেষণায় পাওয়া যায়নি। স্মেড আরও বলেন যে মেটা এবং এর সিইও মার্ক জাকারবার্গ সব সময় তাদের সেবা উন্নত করতে চান, একে ঝুঁকিপূর্ণ করতে নয়।

শুনানিতে ও’নিল ইনস্টাগ্রামের প্রধান অ্যাডাম মোসেরির কাছে পাঠানো মেটার একটি অভ্যন্তরীণ ইমেইল জুরিদের সামনে তুলে ধরেন। সেই ইমেইলে 'কিশোর-কিশোরীদের এসব প্ল্যাটফর্মে বেশি সময় কাটানো'কে লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। ও’নিল দাবি করেন যে মেটার কর্মীরা ইনস্টাগ্রামকে একটি 'নেশা' এবং নিজেদের 'মাদক বিক্রেতা' হিসেবে দেখতেন। তিনি আরও বলেন যে মেটা দেখেছে যত কম বয়সে একটি শিশু অ্যাপ ব্যবহার শুরু করবে, প্রতিষ্ঠানের জন্য সেটা ততই ভালো।

"মেটার ব্যবসায়িক মডেল হলো, ব্যবহারকারীদের আসক্ত করা, তাদের বেশিক্ষণ আটকে রাখা, তথ্য হাতিয়ে নেওয়া এবং জনসাধারণের কাছে সত্য গোপন করা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্ক জাকারবার্গ, অ্যাডাম মোসেরি, মেগান ও’নিল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯টি অঙ্গরাজ্য, ১৫ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖