📌 চাঁদপুরে বারান্দার পাশ দিয়ে ৩৩ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ লাইনের সংস্পর্শে দু’শিশু দগ্ধ হয়। ফাইজা আক্তার (৬) ও মো. সাব্বির (৪) নামের তারা। তাদের চিকিৎসা শুরু হয় চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে, পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়।
চাঁদপুর শহরে একটি ফ্ল্যাটের বারান্দায় খেলতে গিয়ে দু’শিশু ৩৩ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ লাইনের সংস্পর্শে এসে দগ্ধ হয়। দুর্ঘটনায় ফাইজা আক্তার (৬) ও মো. সাব্বির (৪) নামে দুই শিশু আহত হন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে দেওয়া হয়, পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩৩ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ লাইনের সংস্পর্শে বারান্দায় খেলতে গিয়ে দু’শিশু দগ্ধ হন
- 📌 ফাইজা আক্তার (৬) ও মো. সাব্বির (৪) নামের শিশু দু’জন আহত
- 📌 ৫০ শতাংশ শরীর পুড়ে যায় ফাইজার, ৬০ শতাংশ সাব্বিরের দগ্ধ হয়
- 📌 দু’শিশুকে প্রথমে চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়
- 📌 দুর্ঘটনা ঘটে শনিবার দুপুর ২টার দিকে নিউ ট্রাক রোড এলাকার আরএস টাওয়ারের পঞ্চম তলায়
- 📌 শিশুরা হাতে থাকা লোহার পাইপের মাধ্যমে বিদ্যুৎ লাইনের সংস্পর্শে এলে ঘটনা ঘটে
- 📌 ৩৩ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ লাইনের পাশে কোনো সুরক্ষা ব্যবস্থা ছিল না
- 📌 বাড়ির মালিক রাসেল মিয়ারকে ঘটনার পর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি
📰 বিস্তারিত
চাঁদপুর শহরের নিউ ট্রাক রোড এলাকার আরএস টাওয়ারের পঞ্চম তলার একটি ফ্ল্যাটে শনিবার দুপুর ২টার দিকে দুর্ঘটনা ঘটে। দু’শিশু খেলতে বারান্দায় গিয়ে হাতে থাকা লোহার পাইপের মাধ্যমে পাশ দিয়ে যাওয়া ৩৩ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ লাইনের সংস্পর্শে এলে তারা দগ্ধ হন। দুর্ঘটনার শিকার হন ফাইজা আক্তার (৬) ও মো. সাব্বির (৪)। ফাইজা লক্ষ্মীপুরের রায়পুর থানার মো. ফরহাদের মেয়ে, আর সাব্বির একই এলাকার মো. সুমন মিয়ার সন্তান।
দু’শিশু যে বাসায় বেড়াতে এসেছিল, সেটির ভাড়াটিয়া প্রবাসী সোহেল দেওয়ান। তিনি বর্তমানে প্রবাসে থাকেন। তাঁর স্ত্রী ইয়াছমিন আক্তার সন্তানদের নিয়ে ওই বাসায় বসবাস করছেন। ইয়াছমিন জানান, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে তাঁর দুই খালাতো বোন বেড়াতে আসেন। তাঁদের সঙ্গে শিশুরাও ছিল। একপর্যায়ে তারা বারান্দায় গিয়ে দু’শিশুকে দগ্ধ ও রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।
চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আসিবুল হাসান বলেন, দগ্ধ দুই শিশুকে তিনি নিজেই চিকিৎসা দিয়েছেন। ফাইজার শরীরের প্রায় ৫০ শতাংশ পুড়ে গেছে। অপর শিশুটির শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। দুই শিশুকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, ফ্ল্যাটটির বারান্দার খুব কাছ দিয়েই ৩৩ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন চলে গেছে। তবে ওই লাইন থেকে নিরাপত্তার জন্য বারান্দার পাশে কোনো সুরক্ষা ব্যবস্থা ছিল না। বাড়ির মালিক রাসেল মিয়ারকে ঘটনার পর যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে তাঁর বাসায় গিয়েও তাঁকে পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
"শিশুরা হাতে থাকা লোহার মতো কোনো পাইপের মাধ্যমে পাশ দিয়ে যাওয়া বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের সংস্পর্শে এলে এ দুর্ঘটনা ঘটে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চাঁদপুর শহর, নিউ ট্রাক রোড, আরএস টাওয়ারের পঞ্চম তলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফাইজা আক্তার (৬), মো. সাব্বির (৪), ইয়াছমিন আক্তার, ডা. আসিবুল হাসান, রাসেল মিয়ার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৩ হাজার ভোল্ট, ৬ বছর, ৪ বছর, ৫০ শতাংশ, ৬০ শতাংশ, ২ টা, ১২ টা, ৫২ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!