📌 ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, মৈত্রী এক্সপ্রেসের পুনরায় চালু নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা চলছে। বর্তমানে যাতায়াত সময় ৬-৭ ঘণ্টা, যা পদ্মা সেতু বা অন্যান্য পথ ব্যবহার করে ৩ ঘণ্টায় কমাতে চেষ্টা করা হচ্ছে। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সাথে সাক্ষাৎকালে তিনি এই তথ্য জানান
ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যাত্রীবাহী ট্রেন ‘মৈত্রী এক্সপ্রেস’ পুনরায় চালু নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা চলছে। ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সাথে সাক্ষাৎকালে এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, মৈত্রী এক্সপ্রেসের পুনরায় চালু নিয়ে খুব শিগগিরই ভালো খবর পাওয়া যাবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, মৈত্রী এক্সপ্রেসের পুনরায় চালু নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা চলছে এবং শিগগিরই ভালো খবর পাওয়া যাবে।
- 📌 বর্তমানে বাংলাদেশ-ভারত যাতায়াত সময় ৬-৭ ঘণ্টা, যা পদ্মা সেতু বা অন্যান্য পথ ব্যবহার করে ৩ ঘণ্টায় কমাতে আলোচনা চলছে।
- 📌 মালবাহী ট্রেন চলমান থাকলেও যাত্রীবাহী ট্রেন বন্ধ থাকায় বাণিজ্যিক যোগাযোগের জন্য মৈত্রী এক্সপ্রেসের পুনরায় চালু করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- 📌 সড়ক, রেল ও জলপথের মাধ্যমে যাতায়াতের সময় কমাতে এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে আলোচনা হয়েছে।
- 📌 সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে লাভজনক করার জন্য আলোচনা চলছে।
📰 বিস্তারিত
সাক্ষাৎকালে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘মৈত্রী এক্সপ্রেস বন্ধ থাকলেও মালবহন বন্ধ থাকেনি, বরং প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এই বাণিজ্য আরও কীভাবে এগিয়ে নেয়া যায়, সেটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’ তিনি উল্লেখ করেন, সড়ক, রেল ও জলপথের মাধ্যমে যাতায়াতের সময় কমাতে এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে আলোচনা চলছে।
দীনেশ ত্রিবেদী আরও বলেন, ‘আজ সকালে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে। সব দিক থেকে তার কাছে অনেককিছু শেখার আছে। সাক্ষাৎ করে খুব ভালো লেগেছে।’ তিনি বলেন, মৈত্রী এক্সপ্রেস চালু নিয়ে মিটিং চলছে এবং শিগগিরই ইতিবাচক ফলাফল আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে কাজ করছেন রাষ্ট্রদূত। কীভাবে দু’দেশকে লাভবান করা যায়, সেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সড়ক, স্থল বন্দর নিয়ে কথা হয়েছে। ভারতের সঙ্গে মালবাহী ট্রেন চলমান আছে, কিন্তু যাত্রীবাহী ট্রেন বন্ধ থাকায় সেটি চালু নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’ তিনি বলেন, যা করলে দুই দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হয় এবং জনগণের মধ্যে বন্ধন প্রতিষ্ঠিত হয়, সেসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
"আজ সাধারণ মানুষ নিয়ে কথা হয়েছে। সাধারণ মানুষ রেল যোগাযোগ চায়। মৈত্রী এক্সপ্রেস বন্ধ থাকলেও মালবহন বন্ধ থাকেনি, বরং প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এই বাণিজ্য আরও কীভাবে এগিয়ে নেয়া যায়, সেটি নিয়ে কথা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দীনেশ ত্রিবেদী (ভারতীয় হাইকমিশনার), শেখ রবিউল আলম (সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী), মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (রাষ্ট্রপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬-৭ ঘণ্টা (বর্তমান যাতায়াত সময়), ৩ ঘণ্টা (উদ্দেশ্যমূলক সময়), ৮ সেপ্টেম্বর (সাক্ষাৎ তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!