📌 চাঁদের চির অন্ধকার গহ্বরে পানির অনুসন্ধানে যাচ্ছে চীন। চাং এ-৭ মিশনের মাধ্যমে তারা পরীক্ষা করবে নতুন প্রযুক্তি ও সম্পদ ব্যবহারের সম্ভাবনা। আগস্টের শেষ দিকে উৎক্ষেপণের কথা থাকলেও সাম্প্রতিক ব্যর্থতার কারণে সময় অনিশ্চিত
চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলের চির অন্ধকার গহ্বরে পানির অনুসন্ধানে যাচ্ছে চীন। প্রায় দুই দশক ধরে বিজ্ঞানীরা জানেন, চাঁদের বিভিন্ন অংশে পানির অস্তিত্ব রয়েছে বিভিন্ন রূপে। তবে চির অন্ধকার গহ্বরের তলদেশে জমে থাকা বরফের পরিমাণ, গভীরতা ও অবস্থা সম্পর্কে এখনো স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি। সূর্যের আলো যেখানে কখনো পৌঁছায় না, সেখানে তাপমাত্রা থাকে মাইনাস ২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও নিচে। এই অঞ্চলগুলো চাঁদের সবচেয়ে মূল্যবান এলাকা হলেও অনুসন্ধান ও পৌঁছানো অত্যন্ত কঠিন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চাঁদের চির অন্ধকার গহ্বরে পানির অনুসন্ধানে যাচ্ছে চীনের চাং এ-৭ মিশন
- 📌 মিশনে থাকবে অরবিটার, ল্যান্ডার, রোভার ও হপার নামের বিশেষ যান
- 📌 হপার নামের যানটি লাফিয়ে ভাঙাচোরা ভূমি পার হওয়ার জন্য বিশেষভাবে তৈরি
- 📌 চাঁদের দক্ষিণ মেরুর শ্যাকলটন ক্রেটারের কাছে অবতরণের সম্ভাবনা বেশি
- 📌 মিশনের প্রধান লক্ষ্য চাঁদের প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারের সম্ভাবনা যাচাই করা
📰 বিস্তারিত
চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলের চির অন্ধকার গহ্বরে পানির অনুসন্ধানে যাচ্ছে চীন। প্রায় দুই দশক ধরে বিজ্ঞানীরা জানেন, চাঁদের বিভিন্ন অংশে পানির অস্তিত্ব রয়েছে বিভিন্ন রূপে। তবে চির অন্ধকার গহ্বরের তলদেশে জমে থাকা বরফের পরিমাণ, গভীরতা ও অবস্থা সম্পর্কে এখনো স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি। সূর্যের আলো যেখানে কখনো পৌঁছায় না, সেখানে তাপমাত্রা থাকে মাইনাস ২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও নিচে। এই অঞ্চলগুলো চাঁদের সবচেয়ে মূল্যবান এলাকা হলেও অনুসন্ধান ও পৌঁছানো অত্যন্ত কঠিন।
১৯৫৯ সালের জানুয়ারিতে সোভিয়েত ইউনিয়নের লুনা-১ মহাকাশযান চাঁদের কাছাকাছি পৌঁছানোর পর থেকে চাঁদ নিয়ে অনুসন্ধান অনেক দূর এগিয়েছে। অ্যাপোলো অভিযান এবং পরবর্তী মিশনগুলো দেখিয়েছে, এখন চ্যালেঞ্জ শুধু চাঁদে পৌঁছানো নয়, বরং এমন সব জায়গা অনুসন্ধান করা যেখানে মানুষ বা প্রচলিত রোভার সহজে যেতে পারে না।
চীনের চন্দ্র অনুসন্ধান কর্মসূচির নামকরণ করা হয়েছে প্রাচীন চীনা চন্দ্রদেবী ‘চাং’এ’-এর নামে। চীনের চাং এ-৭ মিশন ২০২৬ সালের আগস্টের শেষ দিকে চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা করার কথা রয়েছে। তবে সম্প্রতি অন্য একটি চীনা রকেট ব্যর্থ হওয়ায় উৎক্ষেপণের নির্ধারিত সময় নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
এই মিশনে চাঁদ অনুসন্ধানের বেশ কয়েকটি নতুন পদ্ধতি পরীক্ষা করা হবে। পুরো মিশনে থাকবে একটি কক্ষপথযান (অরবিটার), একটি ল্যান্ডার, একটি রোভার এবং একটি হপার। এ ছাড়া ক্যুয়েচিয়াও-২ নামের একটি চন্দ্র যোগাযোগ-উপগ্রহ ইতোমধ্যেই সেখানে রয়েছে। এটি ২০২৪ সালের মার্চে আলাদাভাবে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। পরে এটি চাং এ-৬ মিশনকে সহায়তা করেছে। চাং এ-৭ মিশনের সময়ও এটি পৃথিবী ও চাঁদের পৃষ্ঠের মধ্যে যোগাযোগের ব্যবস্থা করবে।
"চাঁদের চির অন্ধকার গহ্বরে পানির অনুসন্ধান শুধু বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান নয়, ভবিষ্যতে মানব অভিযানে চাঁদের সম্পদ ব্যবহারের সম্ভাবনা যাচাই করার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: চীনা মহাকাশ গবেষণা সংস্থা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মাইনাস ২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ১টি মহাকাশযান, ৭টি মিশন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!