📅 ২৩ আগস্ট ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যুক্তরাজ্যের বৈদেশিক সহায়তা কাটছাঁটে সুন্দরবনের জলবায়ু প্রকল্প অকাল সমাপ্তির মুখে

যুক্তরাজ্যের বৈদেশিক সহায়তা কাটছাঁটে সুন্দরবনের জলবায়ু প্রকল্প অকাল সমাপ্তির মুখে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাজ্যের বৈদেশিক সহায়তা বাজেট কমানোর ফলে সুন্দরবনে পরিচালিত একটি গুরুত্বপূর্ণ জলবায়ু প্রকল্প আগাম সমাপ্তির পথে। প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশনের প্রকল্পটি দুই বছর আগেই শেষ হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন সংস্থার প্রধান তামান্না রহমান। ফলে বছরের শেষ নাগাদ সহায়তা পাওয়ার কথা থাকা ৫৭ হাজার মানুষ বঞ্চিত হবেন

যুক্তরাজ্যের বৈদেশিক সহায়তা বাজেট কমানোর ফলে সুন্দরবন এলাকায় পরিচালিত একটি গুরুত্বপূর্ণ জলবায়ু প্রকল্প আগাম সমাপ্তির মুখে পড়েছে। প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশন পরিচালিত প্রকল্পটি মূলত ২০২৮ সাল পর্যন্ত চলার কথা থাকলেও এখন তা ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরেই শেষ হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন সংস্থার জলবায়ু সহনশীলতা বিষয়ক প্রধান তামান্না রহমান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাজ্যের বৈদেশিক সহায়তা বাজেট শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমে শূন্য দশমিক ৩ শতাংশে নেমে আসবে
  • 📌 ২০২৫-২৬ থেকে ২০২৬-২৭ সালে যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সহায়তা কর্মসূচির পরিমাণ কমে যায় ৫০ শতাংশের বেশি
  • 📌 সুন্দরবনে পরিচালিত প্রকল্পটির মাধ্যমে ৫৭ হাজার মানুষকে সহায়তা দেওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা ৩৭ হাজারে সীমাবদ্ধ থাকবে
  • 📌 প্রকল্পটির মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা, জলবায়ু-সহনশীল কৃষি ও ঘূর্ণিঝড়ের আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও) বৈদেশিক সহায়তা বাজেট কমানোর কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এর ফলে বাংলাদেশে পরিচালিত বেশ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো সুন্দরবন এলাকায় পরিচালিত প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশনের জলবায়ু প্রকল্প। প্রকল্পটি শুরু হয়েছিল ২০২৩ সালে এবং এটি মূলত ২০২৮ সাল পর্যন্ত চলার কথা ছিল।

তামান্না রহমান জানান, ২০২৬ সালের এপ্রিলে সংস্থাটিকে জানানো হয় যে প্রকল্পটি জুনের মধ্যে শেষ করতে হবে। পরবর্তীতে জোরালো তদবিরের পর সময়সীমা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। তবে এখনো প্রকল্পটির অর্থায়নে ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে। তামান্না রহমান বলেন, ‘এই আকস্মিক কাটছাঁট সম্প্রদায়ের মধ্যে আমাদের সুনামকে হুমকিতে ফেলেছে, যা আমরা গত আড়াই বছরে খুব যত্ন করে গড়ে তুলেছি।’

প্রকল্পটির মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা, জলবায়ু-সহনশীল কৃষি, জলচাষের উপকরণ ও প্রযুক্তি এবং অতিবৃষ্টি ও ঘূর্ণিঝড়ের আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল। এর ফলে কয়েক দশ হাজার মানুষের জীবনমান উন্নয়নের কথা ছিল। তবে প্রকল্পটি আগাম সমাপ্তির ফলে বছরের শেষ নাগাদ সহায়তা পাওয়ার কথা থাকা ৫৭ হাজার মানুষ বঞ্চিত হবেন বলে জানিয়েছেন তামান্না রহমান।

‘প্রতি বছর আমরা আরও তীব্র ঝড় ও ঘূর্ণিঝড় দেখছি, সমুদ্রের উচ্চতা বাড়ছে, মাটিতে লবণাক্ততা বাড়ছে। এ ধরনের অর্থায়নের বিপুল চাহিদা আছে, অথচ বাস্তবভিত্তিক কর্মসূচিগত হস্তক্ষেপ করার সক্ষমতা কমে যাচ্ছে।’ — তামান্না রহমান

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সুন্দরবন, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তামান্না রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ শতাংশ, ৫৭ হাজার, ৩৭ হাজার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖