📌 লিবিয়ায় জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের বিরুদ্ধে ভুয়া তথ্যের ঢেউ শুরু হয়েছিল একটি এক্স পোস্ট থেকে। দাবি করা হয়েছিল ইউএনএইচসিআর আট লাখ ৫০ হাজার আফ্রিকান অভিবাসীকে পুনর্বাসিত করেছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। ফলে দেশটিতে অভিবাসী ও ইউএনএইচসিআরের বিরুদ্ধে সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে
লিবিয়ায় জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের বিরুদ্ধে ভুয়া তথ্যের ঢেউ শুরু হয়েছিল একটি এক্স পোস্ট থেকে। তেসরা জুন মিশরের একটি এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে দাবি করা হয় যে, ইউএনএইচসিআর "অত্যন্ত সাহসের সঙ্গে ঘোষণা করেছে যে আট লাখ ৫০ হাজার আফ্রিকান অভিবাসীকে লিবিয়ার জনসংখ্যার মধ্যে পুনর্বাসিত করা হয়েছে"। তথ্যটি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে ইউএনএইচসিআর আনুষ্ঠানিকভাবে জানালেও তা খুব কমই প্রচার পায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 এক্স পোস্ট থেকে শুরু হওয়া ভুয়া দাবি লিবিয়া, মিশর ও তিউনিসিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে
- 📌 ইউএনএইচসিআর জানায়, ভুয়া তথ্যের কারণে লিবিয়ায় সংঘর্ষ ও সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে
- 📌 ত্রিপোলিতে ইউএনএইচসিআরের সদর দপ্তরের সামনে প্রতিবাদকারীরা জড়ো হয়ে তাঁবু স্থাপন করে
- 📌 লিবিয়ায় অভিবাসীদের বিরুদ্ধে সরকারি অভিযান ও বহিষ্কারের ঘটনা বেড়ে যায়
- 📌 ইউএনএইচসিআর কার্ডধারী অভিবাসীরা এখন আরও সহিংসতার ঝুঁকিতে রয়েছেন
📰 বিস্তারিত
লিবিয়ায় ইউএনএইচসিআরের বিরুদ্ধে ভুয়া তথ্যের ঢেউ শুরু হয়েছিল একটি এক্স পোস্ট থেকে। তেসরা জুন মিশরের একটি এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে দাবি করা হয় যে, ইউএনএইচসিআর "অত্যন্ত সাহসের সঙ্গে ঘোষণা করেছে যে আট লাখ ৫০ হাজার আফ্রিকান অভিবাসীকে লিবিয়ার জনসংখ্যার মধ্যে পুনর্বাসিত করা হয়েছে"। তথ্যটি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে ইউএনএইচসিআর আনুষ্ঠানিকভাবে জানালেও তা খুব কমই প্রচার পায়। ফলে শত শত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে দাবিটি ছড়িয়ে পড়ে এবং কৃত্রিম অ্যাকাউন্ট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তা আরও বাড়িয়ে তোলা হয়।
ভুয়া দাবির কারণে একদিনের মধ্যেই ত্রিপোলিতে ইউএনএইচসিআরের সদর দপ্তরের সামনে প্রতিবাদকারীরা জড়ো হয়ে তাঁবু স্থাপন করে এবং ফটকের সামনে বালুর স্তূপ তৈরি করে। তারা অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া মিথ্যা দাবিগুলোর পুনরাবৃত্তি করে এবং সংস্থাটিকে দেশ ছাড়ার দাবি জানায়। ইউএনএইচসিআর জানায়, ভুয়া তথ্যের কারণে লিবিয়ায় সংঘর্ষ ও সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যার মধ্যে ত্রিপোলিতে সংঘর্ষ এবং পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর জাওয়িয়ার ঘটনাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
লিবিয়ায় আশ্রয়প্রার্থী সুদানি নাগরিক আহমেদ হাসান বিবিসিকে বলেন, "যে ইউএনএইচসিআর কার্ড আমাদের সুরক্ষা দেওয়ার কথা এবং আমাদের ও আমাদের পরিবারের জন্য একটি ভালো জীবনের দিকে প্রথম পদক্ষেপ হওয়ার কথা, সেটিই এখন আমাদের আরও সহিংসতার ঝুঁকিতে ফেলছে।" তিনি জানান, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় তিনি ত্রিপোলির যে জায়গায় থাকেন সেখানে রাস্তায়, কর্মস্থলে হামলার শিকার হতে হয়েছে অভিবাসীদের; এমনকি তাদের বাড়িতেও সরকারি কর্মকর্তা ও লিবীয় নাগরিকরা অভিযান চালিয়েছে।
"আমরা যেখানেই যাই, ভয়ে থাকি," বলেন আহমেদ হাসান।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লিবিয়া, মিশর, তিউনিসিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইউএনএইচসিআর, অভিবাসীরা, প্রতিবাদকারীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ লাখ ৫০ হাজার, ১ লাখ ১২ হাজার, ৯ লাখ ৩০ হাজার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!