📌 লাইবেরিয়া সরকার যুক্তরাষ্ট্র থেকে সর্বোচ্চ এক হাজার দুইশ’ তৃতীয় দেশের নির্বাসিত ব্যক্তিদের গ্রহণে সম্মত হয়েছে। তথ্যমন্ত্রী জেরোলিনমেক পিয়াহ জানিয়েছেন, আগামী বৃহস্পতিবার প্রথম দলের ২০ জনের আগমন ঘটবে।
লাইবেরিয়া সরকার যুক্তরাষ্ট্র থেকে সর্বোচ্চ এক হাজার দুইশ’ তৃতীয় দেশের নির্বাসিত ব্যক্তিদের গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির তথ্যমন্ত্রী জেরোলিনমেক পিয়াহ। রাজধানী মনরোভিয়ায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, আগামী বৃহস্পতিবার প্রথম দলের ২০ জন নির্বাসিত ব্যক্তির আগমন ঘটবে। এই ব্যক্তিরা আফ্রিকা, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা এবং ক্যারিবীয় অঞ্চলের নাগরিক বলে উল্লেখ করেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 লাইবেরিয়া সরকার যুক্তরাষ্ট্র থেকে সর্বোচ্চ এক হাজার দুইশ’ তৃতীয় দেশের নির্বাসিত ব্যক্তিদের গ্রহণে সম্মত হয়েছে
- 📌 আগামী বৃহস্পতিবার প্রথম দলের ২০ জন নির্বাসিত ব্যক্তির আগমন ঘটবে
- 📌 নির্বাসিত ব্যক্তিরা আফ্রিকা, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা এবং ক্যারিবীয় অঞ্চলের নাগরিক
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ২৬টি দেশে প্রায় ২২ হাজার ব্যক্তিকে নির্বাসিত করেছে
📰 বিস্তারিত
লাইবেরিয়ার তথ্যমন্ত্রী জেরোলিনমেক পিয়াহ জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্বাসিত ব্যক্তিরা দেশটির সরকারের কাছে ‘প্রজাতন্ত্রের অতিথি’ হিসেবে বিবেচিত হবেন। তিনি বলেন, “যারা লাইবেরিয়ায় আসছেন তারা স্বেচ্ছায় দেশ ত্যাগ করতে পারবেন।” যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে কমপক্ষে ৩৫টি দেশের সঙ্গে তৃতীয় দেশের নির্বাসিত ব্যক্তিদের গ্রহণের চুক্তি করেছে বলে জানিয়েছে শরণার্থীবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা রিফিউজিস ইন্টারন্যাশনাল এবং মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ফার্স্ট।
এই চুক্তির অধীনে লাইবেরিয়া সর্বাধিক সংখ্যক নির্বাসিত ব্যক্তি গ্রহণ করবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ২০২৬ সালের আগস্ট মাসের শুরু পর্যন্ত ২৬টি দেশে প্রায় ২২ হাজার ব্যক্তিকে নির্বাসিত করেছে বলে জানিয়েছে সংস্থা দুটি। লাইবেরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ২০২৫ সালে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা ২০২৬ সালের মার্চ মাসে প্রকাশ্যে আসে। এই চুক্তির অধীনে শরণার্থী ও সুরক্ষা প্রয়োজন এমন ব্যক্তিরা লাইবেরিয়ায় নির্বাসিত হলেও দেশটিতে অবস্থান করতে পারবেন।
যুক্তরাষ্ট্রের আদালতকে প্রভাবিত করতে চেষ্টা করছে যে এল সালভাদরের নাগরিক কিলমার আব্রেগো গার্সিয়ার নির্বাসন প্রক্রিয়া যেন লাইবেরিয়ায় সম্পন্ন হয়। ২০২৫ সালে গার্সিয়াকে গ্রহণের বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র লাইবেরিয়ার ভিসার মেয়াদ ১২ মাস থেকে বাড়িয়ে ৩৬ মাস করেছে এবং দেশটির স্বাস্থ্যসেবায় ১২ কোটি ৪০ লাখ ডলার সহায়তা প্রদান করেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে এই লাইবেরিয়া চুক্তির বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
“সরকার চায় যারা লাইবেরিয়ায় আসছেন তারা প্রজাতন্ত্রের অতিথি হিসেবে বিবেচিত হবেন। তারা স্বেচ্ছায় দেশ ত্যাগ করতে পারবেন।”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মনরোভিয়া, লাইবেরিয়া
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: তথ্যমন্ত্রী জেরোলিনমেক পিয়াহ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: এক হাজার দুইশ’ (নির্বাসিত ব্যক্তি), বিশ (প্রথম দল), ছাব্বিশ (দেশ), বাইশ হাজার (নির্বাসিত ব্যক্তি), একশত চব্বিশ মিলিয়ন ডলার (সহায়তা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!