📌 মার্কিন বন্য প্রাণী আলোকচিত্রী জোল সার্টোরি দুই দশকে ১৮ হাজারের বেশি প্রাণীর মুখের ছবি তুলেছেন। তাঁর ফটো আর্ক প্রকল্পের মাধ্যমে তিনি বিশ্ববাসীকে প্রাণীদের প্রতি সহানুভূতি ও সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরছেন
মার্কিন আলোকচিত্রী জোল সার্টোরি দুই দশকের প্রচেষ্টায় ১৮ হাজারের বেশি প্রাণীর মুখের ছবি তুলেছেন। তাঁর ফটো আর্ক প্রকল্পের মাধ্যমে তিনি প্রাণীদের প্রতি মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেওয়ার চেষ্টা করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন বন্য প্রাণী আলোকচিত্রী জোল সার্টোরি দুই দশকে ১৮ হাজারের বেশি প্রাণীর মুখের ছবি তুলেছেন।
- 📌 তাঁর ফটো আর্ক প্রকল্পের মাধ্যমে তিনি প্রাণীদের প্রতিকৃতি তুলে ধরছেন।
- 📌 অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সময় তাঁরা ৩৬টি প্রতিষ্ঠানে ছবি তোলেন।
- 📌 তাঁর লক্ষ্য আরও বেশি প্রাণীর ছবি তোলা এবং প্রজাতির সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন আলোকচিত্রী জোল সার্টোরি দুই দশক ধরে প্রাণীদের মুখের ছবি তুলে চলেছেন। তাঁর ফটো আর্ক প্রকল্পের মাধ্যমে তিনি এ বছরের শুরুতে ১৮ হাজারতম প্রাণীর প্রতিকৃতি তুলেছেন। তাঁর এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের গল্প তুলে ধরেছেন সজীব মিয়া।
২০০৬ সালে আলাস্কায় কাজ করার সময় স্ত্রীর স্তন ক্যানসার ধরা পড়লে তিনি দ্রুত নেব্রাস্কার বাড়িতে ফিরে আসেন। শুরু হয় স্ত্রীর দীর্ঘ চিকিৎসা। সেই সময় তাঁর মাথায় একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খেতে থাকে—আগামী শতাব্দীর শুরুতেই যদি পৃথিবীর অর্ধেক প্রজাতি হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে থাকে, তাহলে মানুষকে সেটা নিয়ে কীভাবে ভাবানো যায়?
উত্তর খুঁজতে গিয়ে তিনি প্রাণীদের প্রতিকৃতি তুলে ধরার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর মনে হয়েছিল, প্রাণীদের প্রতিকৃতি তুলে ধরলে মানুষ তাদের চোখের দিকে তাকাবে এবং বুঝতে পারবে যে প্রতিটি প্রাণীরই বেঁচে থাকার সমান অধিকার রয়েছে।
এই ভাবনা থেকেই তিনি নেব্রাস্কার লিংকন শিশু চিড়িয়াখানায় গিয়ে একটি টাকমাথা নেকেড মোল র্যাটকে ক্যামেরার সামনে আনেন। সেটিই ছিল ফটো আর্ক প্রকল্পের প্রথম প্রতিকৃতি। তাঁর চোখে কেউ বড় বা ছোট নয়—সব প্রাণীই সমান মর্যাদা পায়।
প্রথমে এটি ছিল নিজেকে ব্যস্ত রাখার একটি উপায়। পরে সেটিই হয়ে ওঠে নেশা, পেশা এবং শেষ পর্যন্ত জীবনের লক্ষ্য। দুই দশকে তিনি ১৮ হাজারের বেশি প্রজাতির প্রতিকৃতি তুলেছেন। অধিকাংশই চিড়িয়াখানা, অভয়ারণ্য কিংবা সংরক্ষণকেন্দ্রে থাকা প্রাণী।
এই বিশাল কর্মযজ্ঞে তাঁর পরিবারের সদস্যরাও যুক্ত। অস্থায়ী স্টুডিও নির্মাণ, আলোর ব্যবস্থা ও ভিডিও ধারণের কাজ করে তাঁর ছেলে কোল। সময়সূচি ও ভ্রমণ পরিকল্পনা সমন্বয় করেন স্ত্রী ক্যাথি। তাঁদের সঙ্গে কাজ করছেন ডেটাবেজ ব্যবস্থাপক, ট্যাক্সোনমিস্ট এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রাণিবিজ্ঞানী ও চিড়িয়াখানার কর্মীরা।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জোল সার্টোরি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ হাজার, ২০ বছর, ৩৬টি প্রতিষ্ঠান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!