📌 জাপানে এক রেস্তোরাঁকর্মী অনলাইনে ভুয়া অর্ডারের মাধ্যমে প্রকাশনা সংস্থা ‘শুয়েশা’-কে প্রায় ৩৫৩ কোটি টাকার ক্ষতির মুখে ফেলেন। দুই বছর ধরে তিনি বিভিন্ন কৌশলে পণ্য অর্ডার করলেও গ্রহণ করেননি, যার ফলে সংস্থাটির প্রায় ৭৫ লাখ ইয়েন ক্ষতি হয়
জাপানে অনলাইনে ভুয়া অর্ডারের মাধ্যমে প্রকাশনা সংস্থা ‘শুয়েশা’-কে প্রায় ৩৫৩ কোটি টাকার ক্ষতির মুখে ফেলার অভিযোগে এক রেস্তোরাঁকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। মেউ ইয়োশিদা নামের ওই নারী দুই বছর ধরে বিভিন্ন কৌশলে পণ্য অর্ডার করলেও তা গ্রহণ করেননি বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাপানের রেস্তোরাঁকর্মী মেউ ইয়োশিদা (৩২) অনলাইনে ভুয়া অর্ডারের মাধ্যমে প্রকাশনা সংস্থা ‘শুয়েশা’-কে ক্ষতিগ্রস্ত করেন
- 📌 তিনি দুই বছর ধরে ২৩৮টি ভিন্ন ভিন্ন অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে প্রায় ৪৩০ কোটি ইয়েন মূল্যের পণ্য অর্ডার করেন
- 📌 বাংলাদেশি মুদ্রায় ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩৫৩ কোটি টাকা
- 📌 প্রকাশনা সংস্থাটির ক্ষতি হয় প্রায় ৭৫ লাখ ইয়েন (৬০ লাখ টাকার বেশি)
- 📌 ইয়োশিদা দাবি করেন, মানসিক চাপ কমাতে তিনি এমন কাজ করেছিলেন
📰 বিস্তারিত
জাপানের জনপ্রিয় প্রকাশনা সংস্থা ‘শুয়েশা’-এর অনলাইন শপ ‘জাম্প ক্যারেক্টারস স্টোর’ থেকে দুই হাজারের বেশি ভুয়া অর্ডার করেন মেউ ইয়োশিদা। তিনি কখনো নিজের কাছের স্টোর থেকে মূল্য পরিশোধ করে অর্ডার করতেন, আবার কখনো ‘ক্যাশ অন ডেলিভারি’ নিতেন। তবে কোনোবারই তিনি অর্ডার করা পণ্য গ্রহণ করেননি। ফলে নির্ধারিত সময়ের পর অর্ডারগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যেত। অনেক সময় তিনি ভুল বা কাল্পনিক ঠিকানা ব্যবহার করতেন, যার ফলে পণ্য ডেলিভারি করতে সংস্থাটির প্রায় ৭৫ লাখ ইয়েন ক্ষতি হয়।
পুলিশি তদন্তে ইয়োশিদা নিজের দোষ স্বীকার করেন। তিনি জানান, দৈনন্দিন জীবনের প্রচণ্ড মানসিক চাপ কমাতে তিনি এমন কাজ করেছিলেন। লিমিটেড এডিশনের জনপ্রিয় পণ্যগুলো স্টক শেষ হওয়ার আগেই অর্ডার করতে পেরে তিনি মানসিকভাবে হালকা অনুভব করতেন বলে দাবি করেন। প্রকাশনা সংস্থার ওপর তার কোনো ব্যক্তিগত ক্ষোভ ছিল না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
"দৈনন্দিন জীবনের প্রচণ্ড মানসিক চাপ কমাতে আমি এ পথ বেছে নিয়েছিলাম। লিমিটেড এডিশনের জনপ্রিয় পণ্যগুলো স্টক শেষ হওয়ার আগেই অর্ডার করতে পেরে আমি একধরনের আত্মতৃপ্তি বোধ করতাম।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাপান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেউ ইয়োশিদা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫৩ কোটি টাকা, ৪৩০ কোটি ইয়েন, ৭৫ লাখ ইয়েন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!