📌 মঙ্গলের উপগ্রহ ফোবোস থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে প্রস্তুত জাপান। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে মহাকাশযান উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা। চীনের অভিযানকে টপকে দ্রুত ফিরতে পারে নমুনা
ঢাকা, ১৬ আগস্ট ২০২৬: সৌরজগতের উৎপত্তি ও পৃথিবীতে প্রাণের সৃষ্টির রহস্য উদ্ঘাটনে সহায়ক হতে পারে এমন উপাদান সংগ্রহের লক্ষ্যে মঙ্গলের উপগ্রহ ফোবোসে অভিযান চালাতে প্রস্তুত হচ্ছে জাপান। তবে প্রতিদ্বন্দ্বী চীনের অভিযানটি তার আগেই নমুনা নিয়ে ফিরে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাপানের মহাকাশযান ‘এমএমএক্স’ আগামী কয়েক মাসের মধ্যে তানেগাশিমা স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা রয়েছে
- 📌 অভিযানটি তিন বছর ধরে মঙ্গলের কক্ষপথে অবস্থান করে ফোবোস থেকে অন্তত ১০ গ্রাম উপাদান সংগ্রহ করবে
- 📌 ফরাসি কমিক চরিত্র অনুসারে নামকরণ করা ‘আইডেফিক্স’ রোভার ফোবোসের পৃষ্ঠ পর্যবেক্ষণ করবে
- 📌 মহাকাশযানটি মঙ্গলের অপর উপগ্রহ ডেইমোসও পর্যট সংগৃহীত নমুনা নিয়ে ফেরত ক্যাপসুলটি প্রায় ২০৩১ সালে অস্ট্রেলিয়ায় অবতরণ করবে
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলের উপগ্রহ ফোবোস থেকে নমুনা সংগ্রহের উদ্দেশ্যে জাপানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জাক্সা তাদের মনুষ্যবিহীন মহাকাশযান ‘মার্শিয়ান মুনস এক্সপ্লোরেশন’ বা এমএমএক্স উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই জাপানের তানেগাশিমা স্পেস সেন্টার থেকে এই অভিযান শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে। মহাকাশযানটি প্রায় তিন বছর মঙ্গলের কক্ষপথে অবস্থান করে ফোবোসের পৃষ্ঠ থেকে অন্তত ১০ গ্রাম উপাদান সংগ্রহ করবে।
এই অভিযানের মাধ্যমে মঙ্গলের উপগ্রহ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি ভবিষ্যতে মানুষকে মঙ্গলে পাঠানোর পথও সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমের সামনে মহাকাশযানটি উন্মোচন করা হয়। প্রকৌশলী আকিনারি উয়েহারা জানান, জাপানের পূর্ববর্তী অভিযান ‘মুন স্নাইপার’ চাঁদে অবতরণের পর কাত হয়ে পড়লেও তথ্য সংগ্রহে সক্ষম হয়েছিল।
ফরাসি কমিক চরিত্র অ্যাস্টেরিক্সের কুকুরের নাম অনুসারে নামকরণ করা ‘আইডেফিক্স’ নামের একটি রোভার ফোবোসের পৃষ্ঠ পর্যবেক্ষণ করবে। এছাড়া মহাকাশযানটি মঙ্গলের অপর উপগ্রহ ডেইমোসও পর্যবেক্ষণ করবে, তবে সেখানে অবতরণ করবে না। সংগৃহীত নমুনা নিয়ে ফেরত ক্যাপসুলটি প্রায় ২০৩১ সালে অস্ট্রেলিয়ায় অবতরণ করবে বলে জানানো হয়েছে।
"মঙ্গলের উপগ্রহ থেকে নমুনা সংগ্রহের মাধ্যমে আমরা সৌরজগতের উৎপত্তি সম্পর্কে আরও বিশদ তথ্য জানতে পারব। এটি ভবিষ্যতে মানুষকে মঙ্গলে পাঠানোর অভিযানের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তানেগাশিমা স্পেস সেন্টার, জাপান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রকৌশলী আকিনারি উয়েহারা, জাক্সা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ গ্রাম (ফোবোস থেকে সংগ্রহ করা উপাদান), ২০৩১ সাল (ফেরত ক্যাপসুলের প্রত্যাবর্তনের বছর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!