📌 যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে কাশ্মীর ও প্যালেস্টাইন সংক্রান্ত স্লোগান তোলার বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি কলকাতার রাস্তায় ‘আজাদি’ স্লোগানকে দেশবিরোধী প্রচেষ্টা হিসেবে অভিহিত করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর পদক্ষেপের ঘোষণা দেন
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক বিক্ষোভে কাশ্মীর ও প্যালেস্টাইন সংক্রান্ত স্লোগান তোলার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার যাদবপুর ৮ নম্বর বাসস্ট্যান্ডের কাছে এক সমাবেশে তিনি বলেন, কলকাতার রাস্তায় ‘আজাদি’ স্লোগান তাঁর কাছে অত্যন্ত পীড়াদায়ক। অধিকারী প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘কীসের স্বাধীনতা চাইছেন আপনারা? মাদক সেবনের স্বাধীনতা, না কি দেশকে বিভক্ত করতে চাওয়া শক্তির অংশ হওয়ার স্বাধীনতা?’
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে কাশ্মীর ও প্যালেস্টাইন সংক্রান্ত স্লোগান তোলার বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর তীব্র সমালোচনা
- 📌 মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তুলে বলেন, কলকাতার রাস্তায় ‘আজাদি’ স্লোগান দেশবিরোধী প্রচেষ্টার অংশ
- 📌 স্বাধীনতা সংগ্রামে বাংলার বিপ্লবীদের অবদান স্মরণ করে ক্ষুদিরাম বসু, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, মাস্টারদা সূর্য সেন প্রমুখের নাম উল্লেখ
- 📌 বিশ্ববিদ্যালয়ে শৃঙ্খলা ফেরাতে ড্রোনসহ প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি এবং হস্টেলে অননুমোদিতভাবে অবস্থানকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপের ঘোষণা
- 📌 ইসরায়েলের বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণের আদলে স্কুল-কলেজ স্তরে এনসিসি প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের
📰 বিস্তারিত
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার যাদবপুর ৮ নম্বর বাসস্ট্যান্ডের কাছে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি বলেন, কলকাতার রাস্তায় ‘আজাদি’ স্লোগান তাঁর কাছে অত্যন্ত পীড়াদায়ক। অধিকারী প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘কীসের স্বাধীনতা চাইছেন আপনারা? মাদক সেবনের স্বাধীনতা, না কি দেশকে বিভক্ত করতে চাওয়া শক্তির অংশ হওয়ার স্বাধীনতা?’
স্বাধীনতা সংগ্রামে বাংলার বিপ্লবীদের অবদান স্মরণ করে তিনি ক্ষুদিরাম বসু, মাতঙ্গিনী হাজরা, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, ঋষি অরবিন্দ, বিনয়-বাদল-দীনেশ এবং মাস্টারদা সূর্য সেনের নাম উল্লেখ করেন। অধিকারী বলেন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক বিক্ষোভে কাশ্মীর ও প্যালেস্টাইন সংক্রান্ত স্লোগানেরও সমালোচনা করেন তিনি। তাঁর মতে, প্যালেস্টাইনের স্বাধীনতার দাবি তোলার আগে পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর নিয়েও সরব হওয়া উচিত।
পহেলগামে জঙ্গি হামলা এবং অপারেশন সিঁদুর-এর প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, জঙ্গি হামলার সময়ে যে প্রতিবাদ দেখা যায়নি, সামরিক অভিযানের পরে শান্তির দাবিতে মিছিল হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলের পড়ুয়াদের জোর করে মিছিলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। মিছিলে যোগ দিতে অস্বীকার করলে কয়েকজনকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলেও তিনি দাবি করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ে শৃঙ্খলা ফেরানোর কথা জানিয়ে অধিকারী বলেন, ক্যাম্পাস ও হস্টেলে মাদক ব্যবহারের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ড্রোনসহ প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির কথা বলেন। পাশাপাশি হস্টেলে প্রাক্তন ছাত্রদের অননুমোদিতভাবে থাকা বন্ধ করতে প্রশাসনিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেন তিনি। অধিকারী বন্দে মাতরম নিয়ে আপত্তিরও সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, জাতীয়তাবাদ, দেশপ্রেম এবং জাতীয় প্রতীকের বিরোধিতাকে প্রশ্রয় দেওয়া উচিত নয়।
“যে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে একাধিক যুদ্ধ হয়েছে, সেই ভূখণ্ডের স্বাধীনতার দাবিতে কলকাতায় স্লোগান ওঠা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে উদ্বেগজনক বার্তা দেয়।”
ইসরায়েলের বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি জানান, স্কুল ও কলেজ স্তরে ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর বা এনসিসি প্রশিক্ষণ আরও বিস্তৃত বা বাধ্যতামূলক করার বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে। অধিকারী পূর্ববর্তী বামফ্রন্ট ও তৃণমূল সরকারকে দায়ী করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পাসে রাষ্ট্রবিরোধী রাজনীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যাদবপুর, কলকাতা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শুভেন্দু অধিকারী (পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ আগস্ট ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!