📌 বলিউড অভিনেতা সাইফ আলী খানকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম আদালতে অপরাধ স্বীকারের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি শাস্তি লঘু করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। তবে আদালত এখনো তাঁর আবেদন গ্রহণ করেনি
বলিউড অভিনেতা সাইফ আলী খানকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম আদালতে অপরাধ স্বীকারের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তাঁর আইনজীবী বিপুল দুশিং আদালতকে জানান, মক্কেল অপরাধ স্বীকার করতে চান এবং শাস্তি লঘু করার আবেদন করেছেন। তবে আদালত এখনো তাঁর আবেদন গ্রহণ করেনি। সরকারি আইনজীবীর বক্তব্য জানতে চেয়ে আদালত পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বলিউড তারকা সাইফ আলী খানকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম আদালতে অপরাধ স্বীকারের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন
- 📌 শরিফুলের আইনজীবী বিপুল দুশিং আদালতকে জানান, তাঁর মক্কেল শাস্তি লঘু করার আবেদন করেছেন
- 📌 আদালত এখনো শরিফুলের আবেদন গ্রহণ করেনি; সরকারি আইনজীবীর মতামত জানতে চেয়েছেন
- 📌 মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ১১ সেপ্টেম্বর
- 📌 ২০২৫ সালের ১৬ জানুয়ারি মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় সাইফ আলী খানকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছিল
- 📌 মুম্বাই পুলিশের দাবি, শরিফুল বাংলাদেশের নাগরিক এবং তিনিই হামলাকারী
- 📌 গ্রেপ্তারের পর শরিফুলের পরিবার দাবি করেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তি তাঁদের ছেলে হলেও সিসিটিভি ফুটেজে দেখা ব্যক্তি শরিফুল নন
📰 বিস্তারিত
বলিউড অভিনেতা সাইফ আলী খানকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম আদালতে অপরাধ স্বীকারের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তাঁর আইনজীবী বিপুল দুশিং আদালতকে জানান, মক্কেল অপরাধ স্বীকার করতে চান এবং শাস্তি লঘু করার আবেদন করেছেন। তবে আদালত এখনো তাঁর আবেদন গ্রহণ করেনি। সরকারি আইনজীবীর বক্তব্য জানতে চেয়ে আদালত পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছেন।
চলতি মাসের শুরুতে অতিরিক্ত দায়রা বিচারক জি পি দেশমুখ শরিফুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর মধ্য দিয়ে মামলাটির বিচারপ্রক্রিয়া শুরুর পথ তৈরি হয়েছে। পুলিশের দাবি, শরিফুল ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে ডাকাতি, সাইফকে গুরুতরভাবে আহত করা এবং জোর করে তাঁর বাড়িতে প্রবেশের ঘটনায় জড়িত। এসব অভিযোগের পাশাপাশি বিদেশি নাগরিক ও ভারতে প্রবেশের ক্ষেত্রে পাসপোর্ট–সংক্রান্ত আইনের কয়েকটি ধারায়ও তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
২০২৫ সালের ১৬ জানুয়ারি গভীর রাতে মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় নিজের বাড়িতে হামলার শিকার হন সাইফ। পুলিশের ভাষ্য, এক অনুপ্রবেশকারী ১২ তলার ওই আবাসনে ঢুকে অভিনেতাকে ছুরি দিয়ে একাধিকবার আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় সাইফকে মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁর শরীরে ছয়টি আঘাত ছিল এবং মেরুদণ্ডের কাছে গভীর ক্ষত হয়েছিল। অস্ত্রোপচারের পাঁচ দিন পর হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরেন তিনি।
ঘটনার তিন দিন পর, ১৯ জানুয়ারি মহারাষ্ট্রের থানের কাছে একটি ম্যানগ্রোভ এলাকা থেকে শরিফুলকে গ্রেপ্তার করে মুম্বাই পুলিশ। পুলিশের দাবি, শরিফুল বাংলাদেশের নাগরিক এবং তিনিই সাইফের বাড়িতে ঢুকে হামলা করেছিলেন। তবে গ্রেপ্তারের পর শরিফুলের আইনজীবী দাবি করেন, তাঁর মক্কেল বাংলাদেশি—এমন কোনো প্রমাণ পুলিশ দেখাতে পারেনি।
শরিফুলের বাবা রুহুল আমিন ফকিরও সে সময় বলেছিলেন, পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ব্যক্তি তাঁর ছেলে হলেও সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা ব্যক্তি শরিফুল নন। ফুটেজে দেখা ব্যক্তির মুখের গড়ন ও চুলের ধরনের সঙ্গে তাঁর ছেলের মিল নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
"আমি তাকে খুশিমনে ক্ষমা করে দিতাম। কিন্তু যেভাবে সে আমাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করেছিল, তা ভুলে যাওয়া আমার জন্য কঠিন।"
হামলার পর এক সাক্ষাৎকারে সেই রাতের অভিজ্ঞতা জানিয়েছিলেন সাইফ। অভিনেতা বলেছিলেন, হামলার সময় তাঁর মনে হয়েছিল, তিনি হয়তো আর বাঁচবেন না। সেই মুহূর্তে ছেলে তৈমুরকে পাশে চেয়েছিলেন তিনি। তাই তৈমুরকে তাঁর সঙ্গে হাসপাতালে যেতে বলেছিলেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মুম্বাই, মহারাষ্ট্র, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শরিফুল ইসলাম, সাইফ আলী খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ জানুয়ারি ২০২৫, ১৯ জানুয়ারি ২০২৫, ১২ তলা, ৬টি আঘাত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!