📅 ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৫২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইয়েমেনের সানা পুনরুদ্ধারের জন্য হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক অভিযান ঘোষণা

ইয়েমেনের সানা পুনরুদ্ধারের জন্য হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক অভিযান ঘোষণা

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল সরকার হুথি বিদ্রোহীদের কবল থেকে রাজধানী সানা পুনরুদ্ধারের জন্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়। সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মাজিদ আল নুজাইলি ঘোষণা করেন, ইয়েমেনের সকল নাগরিককে একত্রিত হয়ে এই অভিযানে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে

ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল সরকার হুথি বিদ্রোহীদের দখলে থাকা রাজধানী সানাকে পুনরুদ্ধারের জন্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই ঘোষণা দিয়েছেন উপ প্রতিরক্ষামন্ত্রী মেজর জেনারেল সামির আল-সাবরি। সোমবার ইয়েমেনের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন চ্যানেল ইয়েমেন টিভিতে ভাষণ দিয়েছেন তিনি। সেখানে তিনি বলেছেন, “সানা পুনরুদ্ধার করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সামনে অনেক চমক আছে; এখনই আমরা সেসব প্রকাশ করছি না।”

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল সরকার হুথি বিদ্রোহীদের কবল থেকে রাজধানী সানা পুনরুদ্ধারের জন্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়
  • 📌 উপ প্রতিরক্ষামন্ত্রী মেজর জেনারেল সামির আল-সাবরি ও সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মাজিদ আল নুজাইলি একই দিন এক্স প্ল্যাটফর্মে ঘোষণা করেন
  • 📌 মাজিদ আল নুজাইলি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য সুস্পষ্ট—সন্ত্রাসী হুথি বিদ্রোহীদের কবল থেকে ইয়েমেনকে মুক্ত করা এবং সানাকে সকল ইয়েমেনবাসীর রাজধানী হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা”
  • 📌 ইয়েমেনের সেনাবাহিনী গত জুলাই থেকে নতুন উদ্যমে হুথি দখলকৃত এলাকাগুলো পুনরুদ্ধারের অভিযান শুরু করেছে
  • 📌 ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কারণে হুথিদের সহায়তা কমে গেছে, যা ইয়েমেনি সরকারের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করেছে

📰 বিস্তারিত

২০১৪ সালে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ২০১৫ সালে ইরানের সহায়তায় সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী হুথি রাজধানী সানা দখল করে। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মনসুর আবদ আল হাদি সৌদিতে পালিয়ে যান। সে বছর থেকেই ইয়েমেন-সৌদি সেনাবাহিনী হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে। বর্তমানে ইয়েমেনের মোট ভূখণ্ডের অর্ধেক হুথি গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

২০২২ সাল থেকে হুথি এবং প্রেসিডেন্সিয়াল সরকারের মধ্যে অঘোষিত যুদ্ধবিরতি চলছিল। কিন্তু গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর হুথিরা আঞ্চলিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। তারা লোহিত সাগরে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর উপর হামলা শুরু করে। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ইরানের যুদ্ধের কারণে ইরান আগের মতো হুথিদের সহায়তা দিতে পারছে না। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ইয়েমেনি সেনাবাহিনী গত জুলাই থেকে নতুন উদ্যমে অভিযান শুরু করেছে।

সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মাজিদ আল নুজাইলি বলেন, “আমরা দৃঢ়ভাবে বলছি যে, সকল ইয়েমেনবাসীই ভবিষ্যতের অংশীদার এবং এখানে প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসার কোনো স্থান নেই, কিংবা একই জাতির নাগরিকদের মধ্যে কোনো বৈষম্যেরও স্থান নেই।”

"আজ আমরা ঘোষণা করছি যে, আমাদের লক্ষ্য সুস্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন—সন্ত্রাসী হুথি বিদ্রোহীদের কবল থেকে ইয়েমেনকে মুক্ত করা এবং সানাকে সকল ইয়েমেনবাসীর রাজধানী হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইয়েমেনের রাজধানী সানা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেজর জেনারেল সামির আল-সাবরি, মাজিদ আল নুজাইলি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০১৪ (গৃহযুদ্ধ শুরু), ২০১৫ (সানা দখল), ২০২২ (অঘোষিত যুদ্ধবিরতি), ২০২৩ (গাজা যুদ্ধ শুরু)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖