📌 ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা ৮ সেপ্টেম্বর সৌদি আরবের আবহা বিমানবন্দর, কিং খালিদ বিমানঘাঁটি ও আরামকোর তেল স্থাপনা সহ গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। হুতিরা দাবি করে, এই হামলায় সৌদি আরবের তেল অবকাঠামো ও সামরিক ঘাঁটিগুলো আঘাতপ্রাপ্ত হয়
ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। হুতিদের গণমাধ্যম আনসারুল্লাহের টেলিগ্রাম পোস্টে জানানো হয়েছে, ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনা আক্রমণ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৮ সেপ্টেম্বর সৌদি আরবের আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, কিং খালিদ বিমানঘাঁটি এবং আরামকোর তেল স্থাপনা সহ গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে হুতি বিদ্রোহীরা হামলা চালায়
- 📌 গত ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোনো পক্ষ হামলার দায় স্বীকার করেনি, কিন্তু আজ আনসারুল্লাহ দায় নেয়
- 📌 জুলাই মাসে হুতিরা সৌদি আরবের লোহিত সাগরের বন্দর অবরোধ ঘোষণা করে, এরপর থেকে সৌদি আরবের তেল অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে আসছে
- 📌 ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা এই হামলায় ইয়েমেনি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে
📰 বিস্তারিত
হুতি বিদ্রোহীরা তাদের টেলিগ্রাম পোস্টে জানিয়েছে, সৌদি আরবের জিজান শহরে অবস্থিত আরামকোর তেল স্থাপনাও এই হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল। হুতিরা দাবি করে, এই হামলায় সৌদি আরবের সামরিক ও তেল অবকাঠামো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সৌদি সরকার এখনও পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
গত জুলাই মাসে হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের লোহিত সাগরের বন্দরগুলো অবরোধের ঘোষণা দেয়। এরপর থেকে তারা সৌদি আরবের তেল অবকাঠামো লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে আসছে। এই হামলাগুলো সৌদি আরবের তেল উৎপাদন ও পরিবহন ব্যবস্থায় ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে।
আনসারুল্লাহ পোস্টে বলেছে, এই হামলার উদ্দেশ্য ছিল সৌদি আরবের সামরিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামোকে দুর্বল করা। হুতি বিদ্রোহীরা দাবি করে, তারা ইরানের সমর্থন পেয়ে এই হামলাগুলো চালাচ্ছে।
"ইয়েমেনি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে শত্রুদেশ সৌদির ওপর ব্যাপক হামলা চালানো হয়েছে। লক্ষ্যবস্তু ছিল আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, কিং খালিদ বিমানঘাঁটি এবং আরামকোর তেল স্থাপনা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সৌদি আরব (আবহা, জিজান, কিং খালিদ বিমানঘাঁটি), ইয়েমেন (হুতি বিদ্রোহীরা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হুতি বিদ্রোহীরা, আনসারুল্লাহ গণমাধ্যম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ সেপ্টেম্বর (হামলার তারিখ), ৪ সেপ্টেম্বর (সর্বশেষ দায় স্বীকার না করা তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!