📌 ইসরায়েলের লিকুদ পার্টির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে তাদের প্রতিনিধিরা ভোটকেন্দ্রে স্মার্টফোন অ্যাপ ব্যবহার করে ভোটারদের তথ্য অবৈধভাবে সংগ্রহ করছেন। নির্বাচন কমিশন (সিইসি) অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, এ ধরনের তথ্য আদান-প্রদান নিষিদ্ধ
ইসরায়েলের নির্বাচন কমিশন (সিইসি) সতর্ক করে দিয়েছে যে রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের তথ্য সংগ্রহ ও স্মার্টফোন অ্যাপের মাধ্যমে দলীয় সদর দফতরে পাঠানোর মতো কর্মকাণ্ড অবৈধ। লিকুদ পার্টির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে তাদের প্রতিনিধিরা নির্বাচনী আইনের লঙ্ঘন করে ভোটারদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইসরায়েলের লিকুদ পার্টির প্রতিনিধিরা ভোটকেন্দ্রে স্মার্টফোন অ্যাপ ব্যবহার করে ভোটারদের তথ্য অবৈধভাবে সংগ্রহ করছেন — অভিযোগ করেছে দল 'বি’ইয়াচাদ’।
- 📌 নির্বাচন কমিশন (সিইসি) অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, এ ধরনের তথ্য আদান-প্রদান নিষিদ্ধ এবং তাদের কাছে কোনো প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি।
- 📌 মধ্য ইসরায়েলের একটি গ্রামীণ ভোটকেন্দ্রে ছবি তোলার ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু সেখানে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা নিয়ম অনুসরণ করে ছবি তোলা বন্ধ করেছেন।
- 📌 হাইকোর্ট অব জাস্টিস রায় দিয়েছে যে ভোটকেন্দ্রের কর্মকর্তারা বা রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভোটারদের তথ্য সংগ্রহ বা পাঠানোর মতো কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ।
📰 বিস্তারিত
ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের নেতৃত্বাধীন লিকুদ পার্টির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে তাদের প্রতিনিধিরা ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের তথ্য অবৈধভাবে সংগ্রহ করছেন। দল 'বি’ইয়াচাদ’ দাবি করেছে, লিকুদ পার্টির প্রতিনিধিরা একটি স্মার্টফোন অ্যাপ ব্যবহার করে ভোটারদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং সংগৃহীত তথ্য দলের সদর দফতরে পাঠাচ্ছেন। দলটি বলেছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড নির্বাচনী আইন ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা লঙ্ঘন করে।
অভিযোগের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন (সিইসি) জানিয়েছে, অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া দাবিগুলো সঠিক নয়। তারা বলেছে, ‘এখন পর্যন্ত এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিষয়ে কোনো প্রতিবেদন পায়নি তারা’। তবে কমিশন জানিয়েছে, মধ্য ইসরায়েলের একটি গ্রামীণ ভোটকেন্দ্রে ছবি তোলার একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। সেখানে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা নিয়মকানুন ব্যাখ্যা করার পর ছবি তোলা বন্ধ করেছেন।
হাইকোর্ট অব জাস্টিস রায় দিয়েছে যে নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রের কর্মকর্তারা বা রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভোটারদের তথ্য গণনা বা পাঠানোর মতো কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ। লিকুদ পার্টি একটি অ্যাপ তৈরি করেছিল, যার মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধিরা ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের তথ্য সংগ্রহ করে দলীয় সদর দফতরে পাঠাতে পারতেন। কিন্তু আদালত এ রায় দিয়েছে যে এ ধরনের তথ্য সংগ্রহ ও আদান-প্রদান নির্বাচনী আইনের লঙ্ঘন।
"এ ধরনের কর্মকাণ্ড নির্বাচনী আইন ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনার পরিপন্থী। এ বিষয়ে কমিশনের কাছে অভিযোগও দায়ের করেছে তারা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসরায়েলের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র (মধ্য ইসরায়েলের গ্রামীণ অঞ্চল)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাফতালি বেনেট (লিকুদ পার্টির সাবেক প্রধানমন্ত্রী), নির্বাচন কমিশন (সিইসি), লিকুদ পার্টির প্রতিনিধিরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (ছবি তোলার বিচ্ছিন্ন ঘটনা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!