📅 ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জ্বালানি খরচে বাঁচতে না পেরে ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্বভ্রমণকারী বিলাসবহুল জাহাজে যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়া হয় কম্বোডিয়ায়

জ্বালানি খরচে বাঁচতে না পেরে ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্বভ্রমণকারী বিলাসবহুল জাহাজে যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়া হয় কম্বোডিয়ায়

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি খরচে দম না দিতে পেরে বিশ্বভ্রমণকারী বিলাসবহুল জাহাজ 'ভিলা ভি ওডিসি' থেকে যাত্রীদের কম্বোডিয়ায় নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। জাহাজটির পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ভিলা ভি রেসিডেন্সেস কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেছে

ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি খরচে দম না দিতে পেরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভ্রমণরত বিলাসবহুল জাহাজ 'ভিলা ভি ওডিসি' থেকে যাত্রীদের মাঝপথে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। কম্বোডিয়া বন্দরে নামিয়ে দেওয়া এই যাত্রীদের জন্য সাময়িক আবাসনের ব্যবস্থা করছে জাহাজটির পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ভিলা ভি রেসিডেন্সেস।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৮ অক্টোবর তারিখে ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি ব্যয়ে দম না দিতে পেরে বিশ্বভ্রমণকারী জাহাজ 'ভিলা ভি ওডিসি'-এ যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়া হয় কম্বোডিয়ায়।
  • 📌 জাহাজটির পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ভিলা ভি রেসিডেন্সেস ঘোষণা করেছে, জ্বালানি ব্যয়ের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি সামাল দেওয়া সম্ভব না হওয়ায় কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।
  • 📌 ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালিতে বিঘ্ন এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি সরবরাহে সংকটের কারণে জাহাজটির মাসিক জ্বালানি ব্যয় ১ হাজার ৮০০ ডলার থেকে বেড়ে ৮ হাজার ডলার পর্যন্ত হয়েছে।
  • 📌 ৬৪০ ফুট দীর্ঘ এই জাহাজটি উত্তর আয়ারল্যান্ডের বেলফাস্ট থেকে দুই বছরেরও বেশি সময় আগে যাত্রা শুরু করেছিল।
  • 📌 জাহাজটির স্থায়ী কেবিনের মূল্য ছিল ১ লাখ ১৯ হাজার ৯৯৯ ডলার এবং মাসিক ফি ৩ হাজার ২৯৯ থেকে ৯ হাজার ৫০০ ডলার পর্যন্ত।

📰 বিস্তারিত

জাহাজটির পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ভিলা ভি রেসিডেন্সেসের তথ্য অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি খরচে দম না দিতে পেরে জাহাজটির কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে জাহাজের গতি কমিয়ে এবং বন্দরে অবস্থানের সময় বাড়িয়ে জ্বালানি ব্যয় কমাতে চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু হরমুজ প্রণালিতে বিঘ্ন এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি সরবরাহে সংকটের কারণে জ্বালানি ব্যয় এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা আর বহন করা সম্ভব হচ্ছে না।

জাহাজটির পরিচালকরা জানিয়েছেন, এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে প্রতিটি কেবিনের জন্য মাসিক জ্বালানি ব্যয় ১ হাজার ৮০০ ডলার থেকে বেড়ে ৮ হাজার ডলার পর্যন্ত হয়েছে। এই অতিরিক্ত ব্যয় যাত্রীদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

জাহাজটিতে বসবাসকারী হলি হেনেসি বলেছেন, যাত্রীদের জাহাজ ছাড়ার এক দিনেরও কম সময় আগে বিষয়টি জানানো হয়েছিল। তিনি বলেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতি কঠিন হয়ে উঠছিল। গত মে মাসে যাত্রীদের কাছে অতিরিক্ত জ্বালানি ফিও চাওয়া হয়েছিল। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শীতাতপনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার ব্যবহার কমানো জাহাজে থাকা অস্বস্তিকর করে তুলেছিল।

অন্যদিকে, ক্যালিফোর্নিয়ার অবসরপ্রাপ্ত বাসিন্দা শ্যারন লেন জাহাজটির একটি কেবিন কিনতে নিজের সারা জীবনের সঞ্চয় বিনিয়োগ করেছিলেন। তিনি বলেন, জাহাজটি ছিল তার নিজের বাড়ি। প্রতিষ্ঠানটি ঘোষণা করেছে, আগামী দুই মাসে আর্থিক পুনর্গঠন ও নতুন মূলধন সংগ্রহের চেষ্টা চালাবে। তবে শেষ পর্যন্ত জাহাজটির কার্যক্রম আবার শুরু হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

"যাত্রীদের জাহাজ ছাড়ার এক দিনেরও কম সময় আগে বিষয়টি জানানো হয়েছিল। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতি কঠিন হয়ে উঠছিল।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কম্বোডিয়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হলি হেনেসি, শ্যারন লেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ অক্টোবর, ৬৪০ ফুট, ৪০০ টি গন্তব্য, ৫৯ হাজার ৯৯৯ ডলার, ১ লাখ ১৯ হাজার ৯৯৯ ডলার, ১ হাজার ৮০০ ডলার থেকে ৮ হাজার ডলার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖