📅 ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৮:২৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইরানি আলোকচিত্রী মরিয়ম সাঈদপুরের যুদ্ধকালীন আলোকচিত্র ‘পেইনফুল হাগ’ আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত

ইরানি আলোকচিত্রী মরিয়ম সাঈদপুরের যুদ্ধকালীন আলোকচিত্র ‘পেইনফুল হাগ’ আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত

📷 ছবি: Jamuna TV

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 যমুনা টিভি ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইরানি আলোকচিত্রী মরিয়ম সাঈদপুর তার যুদ্ধকালীন আলোকচিত্র ‘পেইনফুল হাগ’-এর জন্য ২০২৬ সালের ইন্টারন্যাশনাল ফটোগ্রাফি অ্যাওয়ার্ডসের ফাইন আর্ট বিভাগে শ্রেষ্ঠ পুরস্কার অর্জন করেছেন। আগামী অক্টোবরে গ্রিসে অনুষ্ঠিতব্য গালায় চূড়ান্ত বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে

ইরানি আলোকচিত্রী মরিয়ম সাঈদপুর তার যুদ্ধকালীন আলোকচিত্র ‘পেইনফুল হাগ’-এর জন্য ২০২৬ সালের ইন্টারন্যাশনাল ফটোগ্রাফি অ্যাওয়ার্ডসের (আইপিএ) ফাইন আর্ট বিভাগে শ্রেষ্ঠ পুরস্কার অর্জন করেছেন। প্রতিযোগিতার পেশাদার বিভাগে মোট ১১টি ক্যাটাগরির মধ্যে তার আলোকচিত্রটি শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইরানি আলোকচিত্রী মরিয়ম সাঈদপুরের আলোকচিত্র ‘পেইনফুল হাগ’ আইপিএ ২০২৬-এর ফাইন আর্ট বিভাগে শ্রেষ্ঠ পুরস্কার লাভ করে
  • 📌 আলোকচিত্রটিতে যুদ্ধকালীন ভয়, নিরাপত্তা ও শান্তির প্রত্যাশা তুলে ধরা হয়েছে
  • 📌 পেশাদার বিভাগে মোট ১১টি ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের মধ্য থেকে চূড়ান্ত বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে আগামী ১১ অক্টোবর
  • 📌 চূড়ান্ত বিজয়ীর জন্য রয়েছে ১০ হাজার ডলার পুরস্কার, যেখানে সাঈদপুর পেয়েছেন ১ হাজার ডলার

📰 বিস্তারিত

ইরানি আলোকচিত্রী মরিয়ম সাঈদপুর তার আলোকচিত্র ‘পেইনফুল হাগ’-এর জন্য ২০২৬ সালের ইন্টারন্যাশনাল ফটোগ্রাফি অ্যাওয়ার্ডসের ফাইন আর্ট বিভাগে শ্রেষ্ঠ পুরস্কার অর্জন করেছেন। গত মার্চে তোলা এই আলোকচিত্রটি যুদ্ধকালীন তেহরানের একটি মুহূর্তকে তুলে ধরে, যেখানে আলিঙ্গনের মাধ্যমে ভয় ও শান্তির দ্বন্দ্ব প্রকাশ করা হয়েছে।

আইপিএ’র বিচারক প্যাটি ও’হ্যালোরান আলোকচিত্রটির প্রশংসা করে বলেন, এটি যুদ্ধকালীন যন্ত্রণা, সান্ত্বনা ও ভয়ের মধ্যে তৈরি হওয়া টানাপোড়েনের বিষয়টি অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরেছে। সাঈদপুর জানান, যুদ্ধ চলাকালে তিনি বেশিরভাগ সময় ছাদে অবস্থান করতেন এবং তেহরানকে রক্ষার ইচ্ছা তার মধ্যে কাজ করত।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বনেতারা যদি একে অপরকে আলিঙ্গন করতেন, তাহলে যুদ্ধের প্রয়োজনই হতো না। তার আলোকচিত্রটির মাধ্যমে তিনি বিশ্বনেতাদের উদ্দেশ্যে এই বার্তা দিতে চেয়েছেন।

"যুদ্ধকালীন সময়ে আমি ছাদে থাকতাম। আমার ইচ্ছা ছিল তেহরানকে নিজের হাতে ধরে রাখা এবং যেকোনো ক্ষতি থেকে রক্ষা করা। বিশ্বনেতারা যদি একে অপরকে আলিঙ্গন করতেন, তাহলে যুদ্ধের প্রয়োজন হতো না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: তেহরান, ইরান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মরিয়ম সাঈদপুর
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১টি (ক্যাটাগরি), ১ হাজার ডলার (পুরস্কার), ১০ হাজার ডলার (চূড়ান্ত পুরস্কার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖