📌 ইরানে সামরিক অভিযানের মাধ্যমে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র নেতানিয়াহু ও ট্রাম্পের রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। যুদ্ধের ছয় মাস পরেও ইরানের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে কোনো অগ্রগতি হয়নি, বরং যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে
ছয় মাস আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ একাধিক নেতা নিহত হন। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দীর্ঘদিনের লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিলে ইরানে হামলা চালানো। তবে এই যুদ্ধের ফলে ওয়াশিংটন এমন এক অবস্থায় পড়েছে, যেখানে নিজেদের কোনোভাবেই বের করে আনতে পারছে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ একাধিক নেতা নিহত হন
- 📌 প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী ইরানের পারমাণবিক ক্ষমতা ধ্বংস হয়নি
- 📌 যুদ্ধ শুরুর পর থেকে জ্বালানি তেলের দাম ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
- 📌 ইরানের অর্থনীতি যুদ্ধ ও নিষেধাজ্ঞার কারণে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে
- 📌 ইরান সরকার এখনো টিকে আছে এবং তাদের প্রতিরোধ ক্ষমতা অক্ষুণ্ণ রয়েছে
📰 বিস্তারিত
২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরুতে দাবি করেছিলেন যে ইরানের পারমাণবিক ক্ষমতা ধ্বংস করা হয়েছে। কিন্তু তাঁর সেই দাবি এখন মিথ্যা বলে মনে হচ্ছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে জ্বালানি তেলের দাম ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য ইরানের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে ট্রাম্প বারবার ফাঁকা বুলি আওড়াচ্ছেন।
মেরিল্যান্ড ইউনিভার্সিটির সরকার ও রাজনীতি বিষয়ের অধ্যাপক শিবলী তেলহামি আল–জাজিরাকে বলেন, যুদ্ধের কারণে বেড়ে যাওয়া আর্থিক ব্যয় এখন অনেকের কাছেই প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ট্রাম্পের ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে সাম্প্রতিক কিছু প্রতিবেদন। সেখানে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহুর প্ররোচণায় তিনি ইরানের বিরুদ্ধে এই অজনপ্রিয় যুদ্ধে জড়িয়েছিলেন।
বিশ্বখ্যাত বহুজাতিক বাজার গবেষণা ও জনমত জরিপ সংস্থা ইপসোসের সাম্প্রতিক এক জরিপ অনুযায়ী, প্রতি তিনজনে একজনেরও কম আমেরিকান এই যুদ্ধকে সমর্থন করেন। তেলহামি বলেন, জনগণের কাছে ইসরায়েল ইস্যুটির গুরুত্ব এখন অনেক বেড়ে গেছে। কারণ, এটি এখন আর শুধু পররাষ্ট্রনীতির বিষয় নয়, বরং মানুষের পকেটে টান পড়া এবং মূল্যবোধের প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
‘উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম এখনো ওই দেশে রয়ে গেছে এবং তারা চাইলে এটি আরও সমৃদ্ধ করতে পারে। ইরান তাদের ভৌগোলিক অবস্থানকেও হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে, যার ফলে তারা হরমুজ প্রণালিটি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন, তেহরান, লন্ডন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ শতাংশ (জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি), ২৮ ফেব্রুয়ারি (যুদ্ধ শুরুর তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!