📌 ইরানের নেতারা যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতির স্বীকৃতি দিয়ে মার্কিন অবরোধ ও নৌ অবরোধের প্রভাব মোকাবিলায় কড়াকড়ি পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন। দেশটির প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, বিদেশি বাণিজ্য এক-তৃতীয়াংশ কমে গেছে এবং মুদ্রাস্ফীতির হার গত মাসে ৬৬ শতাংশ ছাড়িয়েছে।
ইরানের নেতারা ছয় মাস ধরে চলমান মার্কিন যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতির স্বীকৃতি দিয়েছেন। দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান শনিবার জানান, মার্কিন অবরোধ ও নৌ অবরোধের কারণে ইরানের বিদেশি বাণিজ্য এক-তৃতীয়াংশের বেশি কমে গেছে। তিনি আরও বলেন, ইরান জুন মাসে ওয়াশিংটনের সঙ্গে স্বাক্ষরিত একটি স্বল্পস্থায়ী সমঝোতা স্মারকের অধীনে প্রায় ৯০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বিক্রি করতে সক্ষম হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানান, মার্কিন অবরোধ ও নৌ অবরোধের কারণে ইরানের বিদেশি বাণিজ্য প্রায় ৩৫ শতাংশ কমে গেছে
- 📌 ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনেই দেশটির অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় কড়াকড়ি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন
- 📌 ইরানের বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতির হার গত মাসে ৬৬ শতাংশ ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা
- 📌 ইরান সরকার যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ডলারের ওপর নির্ভরতা কমাতে পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে
📰 বিস্তারিত
ইরানের নেতারা ছয় মাস ধরে চলমান মার্কিন যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতির স্বীকৃতি দিয়েছেন। দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান শনিবার জানান, মার্কিন অবরোধ ও নৌ অবরোধের কারণে ইরানের বিদেশি বাণিজ্য এক-তৃতীয়াংশের বেশি কমে গেছে। তিনি আরও বলেন, ইরান জুন মাসে ওয়াশিংটনের সঙ্গে স্বাক্ষরিত একটি স্বল্পস্থায়ী সমঝোতা স্মারকের অধীনে প্রায় ৯০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বিক্রি করতে সক্ষম হয়েছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনেই দেশটির অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় কড়াকড়ি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। তার একটি লিখিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, "মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব, দ্রব্যমূল্য ও পণ্যসেবা বাজারের ব্যবস্থাপনা সহ অর্থনৈতিক ও জীবনযাত্রার চ্যালেঞ্জগুলোকে গুরুত্ব সহকারে মোকাবিলা করতে হবে।"
ইরানের বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতির হার গত মাসে ৬৬ শতাংশ ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তেহরানের বাসিন্দা মরিয়ম বলেন, "যুদ্ধ শুরুর আগে আমি কাজ করতাম না। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সংসার চালাতে আমাকে কাজ খুঁজতে হয়েছে। সবকিছু এতটাই ব্যয়বহুল হয়ে গেছে।" খাদ্য ব্যবসায়ী ওমিদ জানান, ভাড়া বৃদ্ধির কারণে ব্যবসা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে এবং কর্মীদের বেতন দেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
ইরান সরকার যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ডলারের ওপর নির্ভরতা কমাতে পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে। সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কূটনীতি ও প্রতিরক্ষাকে জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য "দুটি পরিপূরক ও সমন্বিত মাধ্যম" হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং উভয় ক্ষেত্রেই ভারসাম্য বজায় রাখা হবে।
"মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব, দ্রব্যমূল্য ও পণ্যসেবা বাজারের ব্যবস্থাপনা সহ অর্থনৈতিক ও জীবনযাত্রার চ্যালেঞ্জগুলোকে গুরুত্ব সহকারে মোকাবিলা করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইরান, ওয়াশিংটন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনেই, কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আল থানি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫ শতাংশ, ৯০ মিলিয়ন ব্যারেল, ৬৬ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!