📌 ইরান ১৯৭৯ সালের মার্কিন দূতাবাস দখল দিবস উদযাপন করে। তেহরানে অনুষ্ঠিত বিশাল প্রতিবাদে মার্কিন ও ইসরায়েলের প্রতীক জ্বালানো হয় এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেটানিয়াহুকে লক্ষ্য করে হামলা করা হয়। ইরানের কর্তৃপক্ষ মার্কিন ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক নির্বাচন ও যুদ্ধে 'পরাজয়' ঘোষণা করে
ইরানের রাজধানী তেহরানে ১৯৭৯ সালের মার্কিন দূতাবাস দখল দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে বুধবার বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এই দিবসটি উপলক্ষ্যে ইরানের কর্তৃপক্ষ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক নির্বাচন ও যুদ্ধে 'পরাজয়' ঘোষণা করে। প্রতিবাদকারীরা মার্কিন ও ইসরায়েলের পতাকা জ্বালিয়ে 'মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মৃত্যু' ও 'ইসরায়েলের মৃত্যু' চিৎকার করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৯৭৯ সালের দখল দিবস: ৪ নভেম্বর ১৯৭৯ সালে ইরানি ছাত্ররা মার্কিন দূতাবাস দখল করে ৫২ জন মার্কিন ডিপ্লোম্যাট ও নাগরিককে ৪৪৪ দিনের জন্য আত্মগোপনে রাখে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ককে সম্পূর্ণ ভেঙে দেয়।
- 📌 বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ: তেহরানের কেন্দ্রীয় এলাকায় হাজারো প্রতিবাদকারী মার্কিন ও ইসরায়েলের পতাকা জ্বালিয়ে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেটানিয়াহুর প্রতিকৃতি প্রদর্শন করে।
- 📌 ইরানের দাবি: ইরানের তেহরান মেয়র আলিরেজা জাকানি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সাম্প্রতিক নির্বাচন ও যুদ্ধে 'পরাজিত' হয়েছে। তিনি যুক্তি দেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুর্বলতা ইরানের 'অটলতা ও শক্তি' এর ফলস্বরূপ।
- 📌 ইরানের শাসক নেতা: ফেব্রুয়ারি মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে ইরানের যুদ্ধে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই মৃত্যুবরণ করেন, যা বিশ্বের শক্তি ভারসাম্য ও হরমুজ প্রণালীর নৌপরিবহনকে প্রভাবিত করে।
- 📌 ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান: ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম হোসেইন মোহসেনি ইজেহি এক্স প্ল্যাটফর্মে লিখেন, 'ট্রাম্প যুদ্ধ ও রাজনীতি উভয় ক্ষেত্রেই পরাজিত হয়েছে। আমরা তাকে আরও বেশি পরাজয় দেব।'
📰 বিস্তারিত
১৯৭৯ সালের ৪ নভেম্বর ইরানের রাজধানী তেহরানে মার্কিন দূতাবাস দখল দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এই দিবসটি ইরানের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে চিহ্নিত। ১৯৭৯ সালে ইরানি ছাত্ররা মার্কিন দূতাবাস দখল করে ৫২ জন মার্কিন ডিপ্লোম্যাট ও নাগরিককে ৪৪৪ দিনের জন্য আত্মগোপনে রাখে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ককে সম্পূর্ণ ভেঙে দেয়। এই ঘটনা থেকে শুরু হয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক ডিপ্লোম্যাটিক সম্পর্ক বর্তমান নেই।
বুধবার অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে হাজারো প্রতিবাদকারী মার্কিন ও ইসরায়েলের পতাকা জ্বালিয়ে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেটানিয়াহুর প্রতিকৃতি প্রদর্শন করে। প্রতিকৃতিগুলোর মধ্যে একটি ছিল ট্রাম্পকে একটি রাগান্বিত কুকুর হিসেবে উপস্থাপন করা, যেখানে নেটানিয়াহু তাকে একটি লেজে ধরে রাখছিলেন। প্রতিবাদকারীরা 'মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মৃত্যু' ও 'ইসরায়েলের মৃত্যু' চিৎকার করে।
ইরানের তেহরান মেয়র আলিরেজা জাকানি প্রতিবাদকারীদের সামনে ভাষণ দেন এবং বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সাম্প্রতিক নির্বাচন ও যুদ্ধে 'পরাজিত' হয়েছে। তিনি যুক্তি দেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুর্বলতা ইরানের 'অটলতা ও শক্তি' এর ফলস্বরূপ। ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম হোসেইন মোহসেনি ইজেহি এক্স প্ল্যাটফর্মে লিখেন, 'ট্রাম্প যুদ্ধ ও রাজনীতি উভয় ক্ষেত্রেই পরাজিত হয়েছে। আমরা তাকে আরও বেশি পরাজয় দেব।'
"মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মৃত্যু"
"ইসরায়েলের মৃত্যু"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তেহরান, ইরান
- 👥 মুখ্য ব্যক্তিবর্গ: আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই, আলিরেজা জাকানি, গোলাম হোসেইন মোহসেনি ইজেহি, ডোনাল্ড ট্রাম্প, বেনজামিন নেটানিয়াহু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫২ জন মার্কিন ডিপ্লোম্যাট, ৪৪৪ দিন আত্মগোপনে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!