📌 ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের উপসচিব আলী বাকেরি কানি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাগুজে প্রতিশ্রুতি নয় বাস্তব পদক্ষেপ দেখতে হবে। ইরান ৭টি শর্তের বাস্তবায়ন দাবি করেছে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় রাশিয়া ও চীনসহ অঞ্চলের দেশগুলোর সমর্থন পেয়েছে
ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের উপসচিব আলী বাকেরি কানি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার জন্য ৭টি শর্তের বাস্তবায়ন দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাগুজে প্রতিশ্রুতি নয় বাস্তব পদক্ষেপ দেখতে হবে। বাকেরি কানি বৃহস্পতিবার আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে বলেন, ইরান, তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের অংশগ্রহণে তেহরানে অনুষ্ঠিত বৈঠক ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাগুজে প্রতিশ্রুতি নয় বাস্তব পদক্ষেপ দেখতে চায়
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার আগে ইরান ৭টি শর্তের বাস্তবায়ন দাবি করেছে
- 📌 গত দেড় বছরে যুক্তরাষ্ট্র চারবার আলোচনা ব্যাহত করেছে
- 📌 রাশিয়া ও চীনসহ অঞ্চলের দেশগুলোর সমর্থন পেয়েছে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায়
- 📌 ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমঝোতা লঙ্ঘন করেছে যুক্তরাষ্ট্র
📰 বিস্তারিত
ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের উপসচিব আলী বাকেরি কানি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাগুজে প্রতিশ্রুতি নয় বাস্তব পদক্ষেপ দেখতে হবে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাস্তব পদক্ষেপগুলো ইরানকে নিজের চোখে দেখতে হবে। এসব পদক্ষেপ বাস্তবে দেখা গেলে নতুন আলোচনার পথ উন্মুক্ত হতে পারে।
বাকেরি কানি বলেন, ইরান, তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের অংশগ্রহণে তেহরানে অনুষ্ঠিত চার দেশের বৈঠক ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তিনি জোর দিয়ে বলেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার বিষয়টি রাশিয়া ও চীন উভয়ের কাছেই গ্রহণযোগ্য। একই সঙ্গে এ বিষয়ে ওই অঞ্চলের দেশগুলোরও সমর্থন রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে তিনি বলেন, গত দেড় বছরে যুক্তরাষ্ট্র চার দফা কূটনৈতিক উদ্যোগকে শত্রুতামূলক পদক্ষেপ ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের মাধ্যমে ব্যাহত করেছে। তিনি বলেন, ১৪০৪ ফারসি সনের বসন্তে ইরান যখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করছিল, তখন ওয়াশিংটন দ্বিতীয় চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ শুরু করে। একই বছরের শরৎকালে আলোচনা গুরুত্বের সঙ্গে এগিয়ে চলার সময় তারা বেআইনিভাবে স্ন্যাপব্যাক প্রক্রিয়া চালু করে। এরপর ওই বছরের শীতকালে ইরানের পক্ষ থেকে কার্যকরভাবে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানো হলেও যুক্তরাষ্ট্র তৃতীয় চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ শুরু করে।
"দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্র সেই সমঝোতাকে তিন সপ্তাহও টিকতে দেয়নি। প্রথম দিন থেকেই তারা একাধিকবার সমঝোতা লঙ্ঘন করেছে। নতুন কোনো কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় প্রবেশের আগে প্রতিপক্ষের কাছে নিজেদের সাত দফা বাস্তবভিত্তিক প্রস্তাব বাস্তবায়নের দাবি জানানো ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ন্যায্য অধিকার।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তেহরান (বৈঠক), ওয়াশিংটন (যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলী বাকেরি কানি (ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের উপসচিব)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭টি শর্ত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!