📅 ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইরানের টেহরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ১২ সদস্যের পরিবার নষ্ট: 'আমার জীবন এখানে দাফন হয়ে গেছে'

ইরানের টেহরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ১২ সদস্যের পরিবার নষ্ট: 'আমার জীবন এখানে দাফন হয়ে গেছে'

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইরানের টেহরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় একটি বাড়িতে ১২ জন পরিবার সদস্য নিহত হন। হামেদ মিরজাই তার বিবরণে বলেছেন, তার স্ত্রী সহ ১২ জন নিকটাত্মীয়ের মৃত্যু তার জীবনকে চিরতরে পরিবর্তন করেছে

ইরানের টেহরানে মার্কিন ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় একটি বাড়িতে ১২ জন পরিবার সদস্য নিহত হন। হামেদ মিরজাই তার বিবরণে বলেছেন, তার স্ত্রী মোহাদেসেহ (২৬ বছর) সহ ১২ জন নিকটাত্মীয়ের মৃত্যু তার জীবনকে চিরতরে পরিবর্তন করেছে। আল জাজীরার প্রথম-হাতের প্রতিবেদনে তিনি বলেছেন, মার্চ ৯, ২০২৬ তারিখে এই হামলা তার পরিবারকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে ফেলেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **১২ জন নিকটাত্মীয়ের মৃত্যু**: হামেদ মিরজাইয়ের স্ত্রী, বাবা, মা, দাদা, নানা, ভাইবোনেরা সহ মোট ১২ জন পরিবার সদস্য নিহত হন।
  • 📌 **মার্চ ৯, ২০২৬ তারিখের হামলা**: মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় টেহরানের একটি বাড়ি ধ্বংস হয়ে যায়। হামেদ মিরজাই তার বিবরণে বলেছেন, "সাত মাস বीतেছে, কিন্তু আমি এখনও অনেক দিনে নিজের বুঝতে পেরে দেখি, আমি ধ্বংসপ্রাপ্ত বাড়িতে আমার প্রিয়জনদের খোঁজ করছি।"
  • 📌 **বিবাহিত জোড়ার স্বপ্ন ভাঙ্গা**: হামেদ ও তার স্ত্রী মোহাদেসেহ (২৬) শিশু সন্তান পেতে প্রস্তুত ছিলেন। কিন্তু হামলায় তাদের এই স্বপ্ন চিরতরে ভাঙ্গা যায়।
  • 📌 **রেড ক্রেসেন্টের সাহায্য**: হামলায় আটকা পড়া পাঁচজন প্রতিবেশীর রেড ক্রেসেন্টের সাহায্যে উদ্ধার করা হয়। কিন্তু হামেদের পরিবারের কেউ উদ্ধার করা যায়নি।
  • 📌 **২০ দিন ধরে খোঁজ**: হামলার পর ২০ দিন ধরে হামেদ ধ্বংসস্তূপে তার প্রিয়জনদের খোঁজ করেন। কিন্তু কোনো ফল পাওয়া যায়নি।

📰 বিস্তারিত

হামেদ মিরজাই তার বিবরণে বলেছেন, মার্চ ৯ তারিখের দিনটি ছিল একটি সাধারণ মঙ্গলবার। সকালে তিনি কাজের জন্য বাড়ি ছেড়েছিলেন। দুপুর ২:৩০ মিনিটে তার স্ত্রী মোহাদেসেহ তাকে মেসেজ করে বলেছিলেন, "আমি মাথা ব্যথা করছি, ফিরে এসে কিছু মেডিসিন কিনে দাও।" কিন্তু তার ফোন বাসি ছিল। তিনি তার স্ত্রীর ফোনে কল করলেও কোনো উত্তর পাননি। তারপর তিনি তাদের অতিথির ফোনে কল করলেন, কিন্তু সেটাও বাসি ছিল।

তিনি বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন, যখন তিনি একটি শব্দ শুনলেন। প্রথম মিসাইলটি আঘাত হানে। তিনি বলেন, "আমার পায়ের তলায় ভূমিকম্পের মতো একটা শক লাগল। ফোন হাতে থাকা অবস্থায় আমি স্ত্রীর ফোনে কল করলাম, কিন্তু তার ফোনও বাসি ছিল। আমি পরিবারের সবার ফোনে কল করলাম, কিন্তু সবাই বাসি ছিল।"

তিনি মনে মনে বলেছিলেন, "আমার বাড়ি আঘাত হানেনি।" কিন্তু পাঁচটি মিসাইল আরও আঘাত হানে। যখন তিনি বাড়ির দিকে পৌঁছান, তখন তিনি দেখলেন, পুরো বাড়িটি ধ্বংস হয়ে গেছে। তার স্ত্রী, বাবা, মা, দাদা, নানা, ভাইবোনেরা সবাই নিহত হন। তিনি বলেন, "আমি ২০ দিন ধরে ধ্বংসস্তূপে তাদের খোঁজ করলাম, কিন্তু কোনো ফল পাওয়া যায়নি।"

হামেদের বিবরণে বলা হয়েছে, তার পরিবারের সদস্যরা তাদের বাড়িতে বসবাস করতেন। তার বাবার চাচা ও দাদা বাড়িটি নির্মাণ করেছিলেন। তিনি বলেন, "আমি ও আমার স্ত্রী এক বছর আগে বিয়ে করে এই বাড়িতে বসবাস শুরু করলাম। আমরা শিশু সন্তান পেতে প্রস্তুত ছিলাম। কিন্তু হামলা আমাদের এই স্বপ্নকে চিরতরে ভাঙ্গে দেয়।"

"সাত মাস বীতেছে, কিন্তু আমি এখনও অনেক দিনে নিজের বুঝতে পেরে দেখি, আমি ধ্বংসপ্রাপ্ত বাড়িতে আমার প্রিয়জনদের খোঁজ করছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: টেহরান, ইরান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হামেদ মিরজাই
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ জন পরিবার সদস্য নিহত

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖