📌 ইরান সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, মার্কিন ও ইসরায়েলের নতুন হামলায় তারা তৃতীয়বারের মতো যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে প্রতিক্রিয়া দেবে আরও দীর্ঘ ও ব্যয়বহুল। নতুন অস্ত্র ও রণতত্ত্ব ব্যবহার করে তারা প্রতিবেশী দেশগুলোর পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়া অঞ্চল ছাড়িয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে পারে
ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে তৃতীয়বারের মতো যুদ্ধ শুরু হলে তা আগের চেয়ে দীর্ঘ ও ব্যয়বহুল হবে। ইরান নতুন অস্ত্র ও রণতত্ত্ব ব্যবহার করে প্রতিরোধের জন্য প্রস্তুত। ইরান-মার্কিন-ইসরায়েলের এই সংঘাতের শুরু হয়েছিল ফেব্রুয়ারি মাসের শেষে। তবে মার্কিন মধ্যপ্রাচ্য নির্বাচনের পরে যুদ্ধ পুনরায় শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘যুদ্ধের অবসান ঘটবে খুব শীঘ্রই একভাবে অথবা অন্যভাবে। ইরানকে চুক্তি স্বীকার করতে হবে, না হলে ‘হাম্মার’ (দণ্ড) নেমে আসবে’।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইরান সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, মার্কিন-ইসরায়েলের নতুন হামলায় তারা তৃতীয়বারের মতো যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে প্রতিক্রিয়া দেবে আরও দীর্ঘ ও ব্যয়বহুল।
- 📌 ইরানীয় সামরিক কর্মকর্তা হোসেইন কানানি মোগাদ্দাম বলেছেন, ‘আক্রমণাত্মক অভিযানে আমাদের লক্ষ্যবস্তু ডেটাবেস বেড়েছে, মিসাইল ও ড্রোনের দূরত্ব, সঠিকতা ও বিস্ফোরক ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে’।
- 📌 ইরানীয় বিপ্লবী গার্ড কর্পস (IRGC) স্পিকার হোসেইন মোহেব্বি বলেছেন, ‘আমরা ১০০ শতাংশ প্রস্তুত, নতুন হামলার জন্য সর্বোচ্চ প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করছি’।
- 📌 ইরানীয় সেনাবাহিনীর স্পিকার মোহাম্মদ আক্রামিনিয়া জানিয়েছেন, তারা অসমমিত যুদ্ধতত্ত্ব ব্যবহার করে মার্কিন সামরিক সুবিধাগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করবে।
- 📌 ইরানীয় কর্তৃপক্ষ গোপন ড্রোন উৎপাদন লাইন ও আক্রমণাত্মক ড্রোন ‘আরাশ’-এর উন্নত সংস্করণ প্রকাশ করেছে, যার বিস্ফোরক ক্ষমতা ১০০ কেজি পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
- 📌 রিয়টার্সের তদন্তে দেখা গেছে, ইরানীয় সামরিক সংস্থাগুলো সঙ্কটের সময়ে চীন, রাশিয়া ও জার্মানির থেকে বিলিয়ন ডলার মূল্যের অস্ত্র ও সরঞ্জাম আমদানি করেছে।
- 📌 ইরানীয় সামরিক কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা আগের যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত মিসাইল প্রতিরোধ ব্যবস্থা ও রাডারগুলো পুনরায় চালু করেছে এবং আরও সঠিক লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণের ক্ষমতা অর্জন করেছে।
- 📌 ইরানীয় নৌবাহিনী জানিয়েছে, তারা সুপারট্যাঙ্কারগুলোর লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ব্যবহার করে হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন নৌবাহিনীর হামলা প্রতিহত করেছে।
📰 বিস্তারিত
ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে তৃতীয়বারের মতো যুদ্ধ শুরু হলে তা আগের চেয়ে দীর্ঘ ও ব্যয়বহুল হবে। ইরান সামরিক বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হোসেইন কানানি মোগাদ্দাম আল জাজিরার সাথে কথা বলতে গিয়ে বলেছেন, ‘আমাদের প্রতিরক্ষামূলক ক্ষমতা আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী হয়েছে। আগের যুদ্ধে আমাদের সামরিক বাহিনীকে মারাত্মক আঘাত লাগলেও, এখন আমরা আরও ভালো অবস্থায় আছি’। তিনি আরও বলেছেন, ‘আক্রমণাত্মক অভিযানে আমাদের লক্ষ্যবস্তু ডেটাবেস বেড়েছে, মিসাইল ও ড্রোনের দূরত্ব, সঠিকতা ও বিস্ফোরক ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে’।
ইরানীয় বিপ্লবী গার্ড কর্পস (IRGC) স্পিকার হোসেইন মোহেব্বি জানিয়েছেন, ‘আমরা ১০০ শতাংশ প্রস্তুত। নতুন হামলার জন্য সর্বোচ্চ প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করছি’। তিনি বলেছেন, ‘আমরা অসমমিত যুদ্ধতত্ত্ব ব্যবহার করে মার্কিন সামরিক সুবিধাগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করব’। ইরানীয় সেনাবাহিনীর স্পিকার মোহাম্মদ আক্রামিনিয়া জানিয়েছেন, ‘আমরা নতুন অস্ত্র ও রণতত্ত্ব ব্যবহার করে প্রতিরোধ করব’।
ইরানীয় কর্তৃপক্ষ গোপন ড্রোন উৎপাদন লাইন ও আক্রমণাত্মক ড্রোন ‘আরাশ’-এর উন্নত সংস্করণ প্রকাশ করেছে। এই ড্রোনের বিস্ফোরক ক্ষমতা ১০০ কেজি পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। রিয়টার্সের তদন্তে দেখা গেছে, ইরানীয় সামরিক সংস্থাগুলো সঙ্কটের সময়ে চীন, রাশিয়া ও জার্মানির থেকে বিলিয়ন ডলার মূল্যের অস্ত্র ও সরঞ্জাম আমদানি করেছে। এই আমদানিতে রকেট প্রোপেলেন্ট, বিস্ফোরক, ডিটোনেটর, টাইটানিয়াম ও ভারী ট্রাক অন্তর্ভুক্ত ছিল।
ইরানীয় সামরিক কর্মকর্তারা বলেছেন, আগের যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত মিসাইল প্রতিরোধ ব্যবস্থা ও রাডারগুলো পুনরায় চালু করেছে এবং আরও সঠিক লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণের ক্ষমতা অর্জন করেছে। তারা বলেছেন, ‘আমরা আগের যুদ্ধে মার্কিন নির্মিত এফ-৩৫ ও অন্যান্য যুদ্ধবিমান ও ড্রোন লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ব্যবহার করে সফলতা অর্জন করেছি’। ইরানীয় নৌবাহিনী জানিয়েছে, তারা সুপারট্যাঙ্কারগুলোর লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ব্যবহার করে হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন নৌবাহিনীর হামলা প্রতিহত করেছে।
"যুদ্ধের অবসান ঘটবে খুব শীঘ্রই একভাবে অথবা অন্যভাবে। ইরানকে চুক্তি স্বীকার করতে হবে, না হলে ‘হাম্মার’ (দণ্ড) নেমে আসবে"
"আক্রমণাত্মক অভিযানে আমাদের লক্ষ্যবস্তু ডেটাবেস বেড়েছে, মিসাইল ও ড্রোনের দূরত্ব, সঠিকতা ও বিস্ফোরক ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তেহরান, ইরান
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: হোসেইন কানানি মোগাদ্দাম, হোসেইন মোহেব্বি, মোহাম্মদ আক্রামিনিয়া, ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ কেজি (ড্রোনের বিস্ফোরক ক্ষমতা), ১০০ শতাংশ (প্রস্তুতি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!