📌 ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি মুসলিম বিশ্বকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে প্রকৃত শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। ইসলামী দেশগুলোর শাসকদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বার্তায় তিনি মুসলিম উম্মাহর বিভক্তি দূর করার তাগিদ দেন
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা হোসেইনি খামেনি মুসলিম বিশ্বকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ‘প্রকৃত শত্রু’ হিসেবে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। ইসলামের নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক লিখিত বার্তায় তিনি মুসলিম দেশগুলোর শাসকদের উদ্দেশ্যে এই আহ্বান জানান। বার্তাটি খামেনির টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত হয়েছে বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি মুসলিম বিশ্বকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ‘প্রকৃত শত্রু’ হিসেবে অভিহিত করেন
- 📌 মুসলিম দেশগুলোর শাসকদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বার্তায় তিনি মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন
- 📌 খামেনি প্রশ্ন তোলেন, মুসলিমরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে ফিলিস্তিনি জাতির প্রতি দখলদারদের অত্যাচার কমানো সম্ভব হতো কি না
- 📌 তিনি মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধানদের প্রতি আহ্বান জানান তাদের প্রকৃত শত্রুকে চিহ্নিত করে তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে
📰 বিস্তারিত
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা হোসেইনি খামেনি মুসলিম বিশ্বকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ‘প্রকৃত শত্রু’ হিসেবে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। ইসলামের নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক লিখিত বার্তায় তিনি মুসলিম দেশগুলোর শাসকদের উদ্দেশ্যে এই আহ্বান জানান। বার্তাটি খামেনির টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত হয়েছে বলে জানা গেছে।
খামেনি তার বার্তায় বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির অজুহাত হিসেবে জাতিগত, সাংস্কৃতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক পার্থক্যকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করে। তিনি উল্লেখ করেন, এই দুই দেশ মুসলিম উম্মাহর বিভক্তি ও দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার অপেক্ষায় থাকে।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘মুসলিমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকত এবং একসঙ্গে দাঁড়াত, তাহলে কি ফিলিস্তিনি জাতি এতটা প্রতিরক্ষাহীন অবস্থায় থাকত এবং দখলদারদের নিপীড়নের শিকার হতো?’ খামেনি আরও বলেন, ‘পারস্য উপসাগরের চারপাশের দেশগুলো যদি ইসলামের পতাকার নিচে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করত, তাহলে কি হাজার হাজার কিলোমিটার দূর থেকে আসা দুর্নীতিগ্রস্ত দুর্বৃত্তরা তাদের ভূমি ও সম্পদের প্রতি লোলুপ দৃষ্টি দেওয়ার সাহস পেত?’
‘তাদের উচিত তাদের প্রকৃত শত্রুকে চিহ্নিত করা, তার পরিকল্পনা বোঝা এবং তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা।’
খামেনি মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধানদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও সহযোগিতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন, এই দুই দেশ শুধু ইরানের বিরুদ্ধেই নয়, বরং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধেই শত্রুতা পোষণ করে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইরান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আয়াতুল্লাহ মোজতবা হোসেইনি খামেনি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ বছর (তেল চুক্তির মেয়াদ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ লাখ ব্যারেল (দৈনিক তেল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!