📅 ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করে: ইরান-চীন কীভাবে বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য চালাচ্ছে ডলারহীন পথে?

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করে: ইরান-চীন কীভাবে বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য চালাচ্ছে ডলারহীন পথে?

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইরান ও চীন গোপনে বার্টার সিস্টেমে বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য চালাচ্ছে। ইরান থেকে চীন তেল রফতানি করে, বিনিময়ে চীনা পণ্য ও সামরিক সরঞ্জাম পায়। এই কৌশলে গত এক বছরে ২-২.৫ বিলিয়ন ডলারের লেনদেন হয়েছে

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক অবরোধের মুখোমুখি হয়ে ইরান ও চীন এক অদৃশ্য বাণিজ্য পথে বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। কোনো ডলার লেনদেন ছাড়াই এই দুই দেশ গোপনে বার্টার সিস্টেমে পণ্য আদান-প্রদান করছে। বিশ্ববাজারে ইরানের তেলের প্রধান আমদানিকারক দেশ চীন গত বছরে ইরান থেকে দৈনিক গড়ে ১৪ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল আমদানি করেছে, যা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও চলমান এই বাণিজ্যের মূল ভিত্তি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে ইরান ও চীন গোপনে বার্টার সিস্টেমে বাণিজ্য চালাচ্ছে — কোনো ডলার লেনদেন ছাড়াই
  • 📌 চীন গত বছরে ইরান থেকে দৈনিক গড়ে ১৪ লাখ ব্যারেল তেল আমদানি করেছে — মোট রফতানির ৮০% এরও বেশি
  • 📌 এই বাণিজ্যে ‘চুশিন’ নামের একটি রহস্যময় আর্থিক সত্তা ব্যবহার করা হয় — আনুমানিক ৭০% তহবিল ইরানের অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যয় হয়
  • 📌 গত এক বছরে এই পথে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ কোটি ডলার (২-২.৫ বিলিয়ন) লেনদেন হয়েছে
  • 📌 চীন ইরানের জন্য ওষুধ, যানবাহন, সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করে; ইরান চীনা পণ্য কিনে ‘ক্রেডিট’ সিস্টেমে
  • 📌 মার্কিন নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালীতে অবরোধের মুখে চীন স্পষ্ট করে দিয়েছে — জাতিসংঘের অনুমোদন ছাড়া মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মানবে না

📰 বিস্তারিত

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অবরোধের মুখে ইরান ও চীন এক জটিল কৌশল অবলম্বন করেছে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে চীন ইরান থেকে তেল আমদানি করে, বিনিময়ে ইরান চীনা পণ্য, ওষুধ, যানবাহন এবং সামরিক সরঞ্জাম পায়। এই বাণিজ্য পদ্ধতিতে কোনো নগদ ডলার লেনদেন হয় না। পরিবর্তে চীনে তৈরি হয় বিশেষ ‘ক্রেডিট’ বা জমা তহবিল, যা দিয়ে ইরান চীনা পণ্য কেনে। এই প্রক্রিয়ায় ‘চুশিন’ নামের একটি রহস্যময় আর্থিক সত্তা ব্যবহার করা হয়, যা অফিশিয়াল নথিপত্রে শুধুমাত্র এক্সেল স্প্রেডশিটে উল্লেখিত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই কৌশলের মাধ্যমে ইরান পায় অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ওষুধ, যানবাহন, যোগাযোগ সরঞ্জাম এবং সামরিক সরঞ্জাম। অন্যদিকে চীন কম দামে তেল পাওয়ার সুবিধা পাচ্ছে। গত এক বছরে এই পথে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ কোটি ডলার (২-২.৫ বিলিয়ন) লেনদেন হয়েছে। এই তহবিলের ৭০% ইরানের অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যয় হয়, বাকি অংশ দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনা হয়।

মার্কিন নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালীতে অবরোধের কারণে ইরানের তেলবাহী জাহাজ চলাচল জটিল হয়ে পড়েছে। কিন্তু চীন স্পষ্ট করে দিয়েছে, জাতিসংঘের অনুমোদন ছাড়া মার্কিন একপাক্ষিক নিষেধাজ্ঞা মানবে না। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা এই বিশেষ মেকানিজম সম্পর্কে অবহিত নয়, কিন্তু বৈশ্বিক আইন বহির্ভূত নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করেছে। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, চীন ওয়াশিংটনকে বার্তা দিচ্ছে যে তাদেরকে ভয় দেখিয়ে দমিয়ে রাখা যাবে না, কিন্তু নিজেদের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বৈশ্বিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া থেকে রক্ষা করছে।

"বিশ্ববাজারে স্বস্তি বজায় রাখতে এবং মার্কিন নজরদারি থেকে নিজেদের ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুরক্ষায় রাখতে এই পথ বেছে নিয়েছে বেইজিং।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইরান, চীন, হরমুজ প্রণালী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, মার্কিন নৌবাহিনী, কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ লাখ ব্যারেল (দৈনিক তেল আমদানি), ৮০% (মোট রফতানির অংশ), ৭০% (তহবিলের অবকাঠামো খাতে ব্যয়), ২০০-২৫০ কোটি ডলার (গত এক বছরের লেনদেন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖