📌 ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩ জন। ভূমিধসে ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ৮৪ বছরের এক বৃদ্ধাকে। চার দিন ধরে খাবার ও পানি ছাড়া থাকার পরও তার শরীরে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন মেলেনি
ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলের ফ্লোরেস দ্বীপে গত ১৫ আগস্ট ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানার পর থেকে এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৩ জন। ভূমিকম্প ও পরবর্তী ভূমিধসে প্রায় ৯০০ জন আহত এবং প্রায় ৬০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ৮৪ বছরের এক বৃদ্ধাকে। তিনি চার দিন ধরে ধসে পড়া বাড়ির নিচে আটকা ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভূমিকম্পের কারণে ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপে নিহত ৭৩ জন
- 📌 ভূমিধসে ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার ৮৪ বছরের বৃদ্ধা
- 📌 বৃদ্ধা চার দিন ধরে খাবার ও পানি ছাড়া ছিলেন
- 📌 ভূমিকম্পের কারণে প্রায় ৬০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত
- 📌 স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টিকে অলৌকিক উল্লেখ করেছেন
📰 বিস্তারিত
ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলের ফ্লোরেস দ্বীপে গত ১৫ আগস্ট সকালে ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এই ভূমিকম্প ও পরবর্তী ভূমিধসে অন্তত ৭৩ জন নিহত, ৯০০ জনেরও বেশি আহত এবং প্রায় ৬০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হন। ভূমিকম্পের কারণে সৃষ্ট ভূমিধসে নিতুংলিয়া গ্রামের রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে যায়। সেখানেই পলিনা পোবি নামের ওই বৃদ্ধা বাঁশের তৈরি ধসে পড়া ঘরের নিচে আটকা পড়েন। তিনি প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হওয়ায় নড়াচড়া বা কথা বলতে পারছিলেন না। ফলে ঘটনার চার দিন পর স্বজনরা তাকে খুঁজে পান।
কয়েক দিন ধরে খাবার ও পানি ছাড়া আটকে থাকার কারণে তিনি কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। তবে অবাক করার মতো বিষয় হলো তার শরীরে কোনো গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল না। স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টিকে অলৌকিক উল্লেখ করে জানান, তাকে উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।
"ভূমিকম্পের কারণে সৃষ্ট ভূমিধসে ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার হওয়া এই বৃদ্ধার ঘটনাকে অলৌকিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন স্থানীয় প্রশাসন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পলিনা পোবি (৮৪ বছর)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৩ জন নিহত, ৯০০ জন আহত, ৬০ হাজার বাস্তুচ্যুত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!