📌 বিস্কুট মাটিতে পড়ার ঘটনা থেকেই মহাকর্ষ বলের ধারণা পাওয়া যায়। নিউটনের সূত্র অনুসারে মহাবিশ্বের সব বস্তুই একে অপরকে আকর্ষণ করে। ভর ও ওজন আলাদা বিষয় হলেও মহাকর্ষ বলের প্রভাবেই পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ওজনের তারতম্য দেখা যায়
খাওয়ার জন্য তাড়া করতে গিয়ে বিস্কুটের প্যাকেট খুলতে গিয়ে তা মাটিতে পড়ে গেল। সাধারণ ঘটনা মনে হলেও এর মধ্যেই লুকিয়ে আছে মহাকর্ষ বলের রহস্য। বিজ্ঞানী নিউটনের সূত্র অনুসারে, পৃথিবীসহ মহাবিশ্বের সব ভরযুক্ত বস্তুই একে অপরকে নিজের দিকে টানে। এই আকর্ষণ বলকেই বলা হয় মহাকর্ষ বা অভিকর্ষ বল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিস্কুট মাটিতে পড়ার ঘটনা মহাকর্ষ বলের সরাসরি উদাহরণ
- 📌 মহাকর্ষ বলের ধারণা দেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটন ১৬৮৭ সালে
- 📌 ভর ও ওজন সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয় হলেও মহাকর্ষ বলের প্রভাবেই ওজনের তারতম্য ঘটে
- 📌 পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে মহাকর্ষ বলের মান আলাদা হওয়ায় ওজনেও পার্থক্য দেখা যায়
- 📌 চাঁদে নভোচারীদের ওজন পৃথিবীর ছয় ভাগের এক ভাগ হয়ে যায় মহাকর্ষ কম হওয়ায়
📰 বিস্তারিত
খাওয়ার তাড়া করতে গিয়ে বিস্কুটের প্যাকেট খোলার সময় তা মাটিতে পড়ে গেল। এই সাধারণ ঘটনার মধ্যেই লুকিয়ে আছে মহাকর্ষ বলের ধারণা। বিজ্ঞানী নিউটন তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'ফিলোসোফিয়া ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথামেটিকা'-তে মহাকর্ষ সূত্র প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, মহাবিশ্বের সব ভরযুক্ত বস্তুই একে অপরকে আকর্ষণ করে। এই আকর্ষণ বলের প্রভাবেই সব ধরনের বস্তু মাটির দিকে পড়ে।
ভর ও ওজন নিয়ে অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তি রয়েছে। ভর হলো কোনো বস্তুর মধ্যে থাকা পদার্থের পরিমাণ, যা সব সময় ধ্রুবক। অন্যদিকে ওজন নির্ভর করে মহাকর্ষ বলের ওপর। পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে মহাকর্ষ বলের মান আলাদা হওয়ায় ওজনেও তারতম্য দেখা যায়। উদাহরণস্বরূপ, চাঁদে মহাকর্ষ বল পৃথিবীর তুলনায় কম হওয়ায় নভোচারীদের ওজন হয়ে যায় পৃথিবীর ছয় ভাগের এক ভাগ।
মহাকর্ষ বলের মান নির্ভর করে তিনটি প্রধান বিষয়ের ওপর। প্রথমত, পৃথিবীর আকার। পৃথিবী পুরোপুরি গোলাকার নয় বলে বিভিন্ন স্থানে মহাকর্ষ বলের মান আলাদা হয়। দ্বিতীয়ত, উচ্চতা। যত ওপরে যাওয়া যায়, মহাকর্ষ বল তত কমতে থাকে। তৃতীয়ত, মাটির গঠন। ভারী খনিজ পদার্থের উপস্থিতিতে মহাকর্ষ বল কিছুটা বৃদ্ধি পায়।
"যে শক্তির প্রভাবে বিস্কুট মাটিতে পড়ে, তাকে বলা হয় মহাকর্ষ বা অভিকর্ষ বল। মহাবিশ্বের সব ভরযুক্ত বস্তুই একে অপরকে নিজের দিকে টানে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মহাবিশ্ব
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্যার আইজ্যাক নিউটন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬৮৭
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!