📅 ২০ আগস্ট ২০২৬, ৭:০৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মহাকাশে স্যাটেলাইটের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে রাতের তারার আলো

মহাকাশে স্যাটেলাইটের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে রাতের তারার আলো

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মহাকাশে বিপুল সংখ্যক স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের ফলে রাতের আকাশ থেকে তারার আলো হারিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি মহাকাশের কক্ষপথে বিপদ ঘনীভূত হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা সতর্ক করছেন, অতিরিক্ত স্যাটেলাইট মহাকাশের ধারণক্ষমতা ছাড়িয়ে যেতে পারে

কানাডার প্রত্যন্ত অঞ্চলে জীবনযাপনকারী জ্যোতির্বিজ্ঞানী সামান্থা ললারের কাছে রাতের আকাশ ছিল এক স্বর্গীয় দৃশ্য। কিন্তু গত সাত বছরে সেই আকাশে কৃত্রিম আলোর ছটায় হারিয়ে যেতে শুরু করেছে প্রকৃত তারার আলো। এর কারণ মহাকাশে বিপুল সংখ্যক স্যাটেলাইটের উপস্থিতি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০১৯ সালে স্পেসএক্সের স্টারলিংক প্রকল্পের মাধ্যমে মহাকাশে একযোগে ৬০টি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ শুরু হয়
  • 📌 গত মার্চে স্পেসএক্সের সক্রিয় স্যাটেলাইটের সংখ্যা দাঁড়ায় ১০ হাজারের বেশি
  • 📌 সারা বিশ্বে স্টারলিংক ইন্টারনেট গ্রাহক এখন এক কোটিরও বেশি
  • 📌 মহাকাশে প্রায় ২০ লাখ নতুন স্যাটেলাইট পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে বিভিন্ন দেশ ও প্রতিষ্ঠানের
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের এমআইটির গবেষক জিওভান্নি লাভেজ্জি সতর্ক করেছেন, মহাকাশের ধারণক্ষমতা অজানা থাকায় বিপদ ঘনীভূত হচ্ছে

📰 বিস্তারিত

সামান্থা ললার যখন কানাডার নিভৃত পল্লিতে খামার জীবন শুরু করেন, তখন তার কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ছিল রাতের নির্মল আকাশ। কিন্তু গত কয়েক বছরে সেই আকাশে কৃত্রিম আলোর ছটায় হারিয়ে যেতে শুরু করেছে প্রকৃত তারার আলো। এর কারণ মহাকাশে বিপুল সংখ্যক স্যাটেলাইটের উপস্থিতি। ২০১৯ সালে স্পেসএক্স তাদের স্টারলিংক প্রকল্পের মাধ্যমে মহাকাশে একযোগে ৬০টি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ শুরু করে। এরপর থেকে এই সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

গত মার্চ মাসেই স্পেসএক্সের সক্রিয় স্যাটেলাইটের সংখ্যা দাঁড়ায় ১০ হাজারের বেশি। সারা বিশ্বে তাদের ইন্টারনেট গ্রাহক এখন এক কোটিরও বেশি। অন্য দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলিও পিছিয়ে নেই। সব মিলিয়ে মহাকাশে প্রায় ২০ লাখ নতুন স্যাটেলাইট পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এই বিপুল সংখ্যক স্যাটেলাইটের ফলে মহাকাশের কক্ষপথে এক বিশাল পরিবর্তন আসছে।

এই বিপুল সংখ্যক স্যাটেলাইটের কিছু সুবিধাও রয়েছে। দুর্গম এলাকায় দ্রুত ইন্টারনেট সংযোগ পাওয়া যাচ্ছে। গভীর সমুদ্রের জাহাজ বা মাঝ-আকাশের উড়োজাহাজেও ব্রডব্যান্ড কানেকশন পাওয়া যাচ্ছে। দুর্যোগের সময় সাধারণ নেটওয়ার্ক ভেঙে পড়লেও উদ্ধারকারীরা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে কাজ চালিয়ে নিতে পারছেন। এমনকি যুদ্ধক্ষেত্রেও দূর থেকে ড্রোন চালানো যাচ্ছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মহাকাশের লো-আর্থ অরবিট
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জ্যোতির্বিজ্ঞানী সামান্থা ললার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ (স্যাটেলাইট), ১০ হাজার (স্যাটেলাইট), ২০ লাখ (পরিকল্পিত স্যাটেলাইট), ১ কোটি (ইন্টারনেট গ্রাহক)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖