📌 ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রাজনৈতিক সম্পর্কে টানাপোড়েন থাকলেও অর্থনৈতিক সম্পর্ক নিজস্ব গতিতে এগিয়ে যাবে। দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি
ঢাকা, ২৪ আগস্ট ২০২৬: বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রাজনৈতিক সম্পর্কে বিদ্যমান টানাপোড়েন সত্ত্বেও দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক নিজস্ব গতিতে এগিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। সোমবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই অভিমত ব্যক্ত করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজনৈতিক সম্পর্কে টানাপোড়েন থাকলেও অর্থনৈতিক সম্পর্ক নিজস্ব গতিতে এগিয়ে যাবে বলে মন্তব্য ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর
- 📌 দুই দেশের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা যেকোনো জটিলতার স্থায়ী সমাধানের একমাত্র পথ বলে উল্লেখ করেন তিনি
- 📌 ভারতের কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করেছে এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ফলপ্রসূ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে
- 📌 দুই দেশের যৌথ উদ্যোগে উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বহুগুণ বাড়ানোর সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন তিনি
📰 বিস্তারিত
ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী স্পষ্ট করে বলেন, দুই দেশের পারস্পরিক নির্ভরশীলতাই যেকোনো রাজনৈতিক জটিলতার স্থায়ী সমাধানের একমাত্র উপায়। তিনি উল্লেখ করেন, রাজনীতি ও অর্থনীতি উভয়ই গুরুত্বপূর্ণ হলেও সাধারণ মানুষের মূল চাহিদা হলো শান্তি ও সমৃদ্ধি। সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ নেই এবং উভয় দেশ নিজ নিজ জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ করেই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে তিনি জানান।
বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তিনি জানান, ভারতের কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির নেতৃত্বে একটি বড় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল সম্প্রতি বাংলাদেশ সফর করেছে। এই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে স্থানীয় ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের ফলপ্রসূ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ব্যবসায়ীদের পারস্পরিক যোগাযোগ আরও বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি।
দীনেশ ত্রিবেদী আরও বলেন, সাধারণ মানুষ মূলত চাকরি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, উন্নত যাতায়াত ব্যবস্থা এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রত্যাশা করে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যু থাকা স্বাভাবিক হলেও জনগণের সার্বিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি সমানভাবে নিশ্চিত করতে হবে। দুই দেশের তরুণ প্রজন্মই ভবিষ্যতের মূল চালিকাশক্তি এবং তাদের সক্ষমতা ও জ্ঞানকে কাজে লাগিয়েই যৌথভাবে সামনের দিনগুলোতে এগিয়ে যেতে হবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।
"দুই দেশের পারস্পরিক নির্ভরশীলতাই যেকোনো জটিলতার স্থায়ী সমাধানের একমাত্র পথ এবং এই নির্ভরশীলতার সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় ও বেগবান করতে চায় ভারত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দীনেশ ত্রিবেদী (ভারতের হাইকমিশনার), খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির (বাণিজ্যমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ (আগস্ট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!