📌 শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রকাশ করেছে একাদশ শ্রেণির ভর্তি নীতিমালা। আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে আবেদন শুরু হবে, ক্লাস শুরু ২৩ সেপ্টেম্বর। মোট আসনের ৯৩ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে এবং ৭ শতাংশ কোটায় ভর্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ একাদশ শ্রেণির ভর্তি নীতিমালা প্রকাশ করেছে। আগামী ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে এই ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে। নীতিমালা অনুযায়ী, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে এবং ১০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। সব কার্যক্রম শেষে ক্লাস শুরু হবে ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আবেদন শুরু: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শেষ: ১০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত
- 📌 ক্লাস শুরুর তারিখ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- 📌 ভর্তি পরীক্ষা নেই, শুধু এসএসসি ও সমমানের ফলের ভিত্তিতে ভর্তি
- 📌 মোট আসনের ৯৩ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে, ৭ শতাংশ কোটায়
- 📌 মুক্তিযোদ্ধা কোটা: ৫ শতাংশ, কর্মকর্তা-কর্মচারী সন্তানদের জন্য ২ শতাংশ
- 📌 জিপিএ সমান হলে সর্বমোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ
📰 বিস্তারিত
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ গত ২৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখে একাদশ শ্রেণির ভর্তি নীতিমালা প্রকাশ করে। এই নীতিমালা অনুযায়ী, আগামী শিক্ষাবর্ষে ভর্তির জন্য কোনো আলাদা পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে না। শুধুমাত্র এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতেই শিক্ষার্থীদের নির্বাচন করা হবে। ভর্তির জন্য নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, আবেদন গ্রহণ শুরু হবে ২ সেপ্টেম্বর এবং শেষ হবে ১০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়।
ভর্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। নির্বাচিতদের ভর্তি নিশ্চায়নের জন্য সময় দেওয়া হবে ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন না করলে নির্বাচন ও আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। ভর্তি কার্যক্রম চলবে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। সবশেষে ক্লাস শুরু হবে ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে।
ভর্তির জন্য মোট আসনের ৯৩ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। অবশিষ্ট ৭ শতাংশ আসন কোটায় সংরক্ষিত থাকবে। এর মধ্যে ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যাদের জন্য এবং ২ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য নির্ধারিত। মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র বা গেজেটের সত্যায়িত কপি দিতে হবে এবং ভর্তির সময় মূল কপি দেখাতে হবে।
মেধাক্রম নির্ধারণে সমান জিপিএ প্রাপ্তদের ক্ষেত্রে সর্বমোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে। বিজ্ঞান বিভাগে সমান নম্বর প্রাপ্তদের ক্ষেত্রে সাধারণ গণিত ও উচ্চতর গণিত/জীববিজ্ঞানে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় আনা হবে। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের ক্ষেত্রে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনা করা হবে।
"ভর্তির জন্য কোনো বাছাই বা ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে না। কেবল শিক্ষার্থীর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, মুক্তিযোদ্ধা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ শতাংশ কোটা, ৯৩ শতাংশ মেধা, ২৩ সেপ্টেম্বর ক্লাস শুরু
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!