📌 গত ছয় থেকে সাত মাসে নওগাঁর সাপাহার-চাঁপাইনবাবগঞ্জ সড়কে কোনো ডাকাতির ঘটনা ঘটেনি। পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪৬ জন ডাকাত গ্রেপ্তার ও ছয়টি চেকপোস্ট স্থাপনের ফলে এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে। ব্যবসায়ী ও যাত্রীরা এখন নিশ্চিন্তে রাতেও চলাচল করছেন
নওগাঁর সাপাহার-চাঁপাইনবাবগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কে গত ছয় থেকে সাত মাসে কোনো ডাকাতির ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে পুলিশ। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও যাত্রীরা এখন দিনের মতোই রাতেও নির্ভয়ে চলাচল করছেন। পুলিশি অভিযানের ফলে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গত ছয় থেকে সাত মাসে নওগাঁর সাপাহার-চাঁপাইনবাবগঞ্জ সড়কে কোনো ডাকাতির ঘটনা ঘটেনি
- 📌 পুলিশি তথ্যানুযায়ী, ২০২৫ সালে এই সড়কে ডাকাতির মামলা ছিল ১৬টি, যা ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসে নেমে এসেছে ৪টিতে
- 📌 অভিযানে মোট ৪৬ জন ডাকাত ও অপরাধী গ্রেপ্তার হয়েছে
- 📌 ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশি চেকপোস্ট ও সোলার লাইট স্থাপন করা হয়েছে
- 📌 স্থানীয় ব্যবসায়ী ও যাত্রীরা এখন রাতেও নির্ভয়ে চলাচল করছেন
📰 বিস্তারিত
নওগাঁর সাপাহার-চাঁপাইনবাবগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কে গত ছয় থেকে সাত মাসে কোনো ডাকাতির ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে পুলিশ। একসময় আতঙ্কের এই ২২ কিলোমিটার সড়কে এখন ছয়টি চেকপোস্ট, টহল ও বিশেষ অভিযানের ফলে ডাকাতি প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত বছরের ডিসেম্বরেও পোরশা উপজেলার বেজোড়া বাজারে ২০টি দোকানে একসঙ্গে ডাকাতি ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। রাত ৮টার পর দোকান খোলা রাখা ছিল ঝুঁকিপূর্ণ।
বর্তমানে সেই ভীতি কেটে গিয়ে গভীর রাতেও দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল করছে। ব্যবসা-বাণিজ্যেও ফিরেছে স্বস্তি। পুলিশ জানিয়েছে, গত ফেব্রুয়ারি মাসের পর থেকে এ পর্যন্ত নতুন করে কোনো সড়কে ডাকাতির ঘটনা ঘটেনি। অভিযানে অন্তত ৪৬ জন পেশাদার ডাকাত ও অপরাধী গ্রেপ্তার হয়েছে। সম্প্রতি রাতে সড়কটি ঘুরে দেখা যায়, সাপাহার-চাঁপাইনবাবগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের দুপাশে ঝোপঝাড়, জঙ্গল ও আমের বাগানঘেরা যেসব স্থানে ডাকাতরা অন্ধকারে অবস্থান নিত, সেখানে পুলিশি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর থেকে পণ্য নিয়ে সৈয়দপুরগামী পিকআপ চালক দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘সাত-আট মাস আগেও সন্ধ্যার পর এ রাস্তায় গাড়ি চালাতে হাত-পা কাঁপত। এখন পুলিশ পাহারা দিয়ে পার করে দেয়, কোনো ভয় কাজ করে না।’ সিএনজি অটোরিকশাচালক মোহাম্মদ মাহমুদ হোসেন বলেন, গভীর রাতে রাজশাহী থেকে মুমূর্ষু রোগী নিয়ে যাতায়াতের সময় আগে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেন। বর্তমানে পুলিশ চেকপোস্টে কয়েকটি গাড়ি একসঙ্গে করে নিরাপদে পার করে দেওয়ায় মাঝরাতেও স্বচ্ছন্দ্যে গাড়ি চালাচ্ছেন।
‘জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার। অপরাধীদের শিকড় উপড়ে ফেলতে আমরা প্রতিটি কৌশলগত পয়েন্টে নজরদারি জোরদার করেছি।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নওগাঁর সাপাহার-চাঁপাইনবাবগঞ্জ সড়ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, উপ-পরিদর্শক অমিত কুমার দাস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬টি চেকপোস্ট, ৪৬ জন গ্রেপ্তার, ২২ কিলোমিটার সড়ক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!